
ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের অন্তত ২৮টি দেশে ইসরায়েলি গুপ্তচরদের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে। আজ শুক্রবার এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে ওই মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭০০ শব্দের ওই বিবৃতিতে তথাকথিত ইসরায়েলি গুপ্তচরদের সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা এবং বিবরণ দেওয়া হয়নি। তবে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের চুক্তি বজায় রাখা দেশগুলোতে সক্রিয় কিছু ইসরায়েলি গুপ্তচরের পরিচয় ইরানকে সরবরাহ করেছে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারেরা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ওই গুপ্তচরদের কয়েকজন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করে। আর মোসাদের আস্থা অর্জনের জন্য বা মোসাদের পরীক্ষায় পাশ করার জন্য তারা তাদের দেশের স্বার্থ পরিপন্থী কিংবা নিজ দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতামূলক অপারেশন চালাতেও দ্বিধা করে না।
গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি প্রদেশেও ইসরায়েলি কিছু গুপ্তচর শনাক্ত হয়েছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই ইতিমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিংবা নিরাপত্তা নজরদারির অধীনে রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে এটাও বলা হয়েছে যে, দেশের বাইরে অবস্থান করে ইসরায়েলের হয়ে কাজ করা ইরানেরও কয়েকজন গুপ্তচরকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশেষ করে ওই গুপ্তচরেরা যেসব দেশে বসবাস করছে সেই দেশগুলোর মন্ত্রণালয় এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলকে সহযোগিতা করার দায়ে বা ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিদেশে বসবাস করা ইরানি বংশোদ্ভূত ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে তেহরান।
ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রায় সময়ই সন্ত্রাসী বা গুপ্তচর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সাফল্য দাবি করে। তবে এসব বিষয়ে সংস্থাটি খুব কমই সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হাজির করে থাকে।

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের অন্তত ২৮টি দেশে ইসরায়েলি গুপ্তচরদের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে। আজ শুক্রবার এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে ওই মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭০০ শব্দের ওই বিবৃতিতে তথাকথিত ইসরায়েলি গুপ্তচরদের সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা এবং বিবরণ দেওয়া হয়নি। তবে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের চুক্তি বজায় রাখা দেশগুলোতে সক্রিয় কিছু ইসরায়েলি গুপ্তচরের পরিচয় ইরানকে সরবরাহ করেছে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারেরা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ওই গুপ্তচরদের কয়েকজন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করে। আর মোসাদের আস্থা অর্জনের জন্য বা মোসাদের পরীক্ষায় পাশ করার জন্য তারা তাদের দেশের স্বার্থ পরিপন্থী কিংবা নিজ দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতামূলক অপারেশন চালাতেও দ্বিধা করে না।
গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি প্রদেশেও ইসরায়েলি কিছু গুপ্তচর শনাক্ত হয়েছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই ইতিমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিংবা নিরাপত্তা নজরদারির অধীনে রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে এটাও বলা হয়েছে যে, দেশের বাইরে অবস্থান করে ইসরায়েলের হয়ে কাজ করা ইরানেরও কয়েকজন গুপ্তচরকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশেষ করে ওই গুপ্তচরেরা যেসব দেশে বসবাস করছে সেই দেশগুলোর মন্ত্রণালয় এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলকে সহযোগিতা করার দায়ে বা ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিদেশে বসবাস করা ইরানি বংশোদ্ভূত ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে তেহরান।
ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রায় সময়ই সন্ত্রাসী বা গুপ্তচর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সাফল্য দাবি করে। তবে এসব বিষয়ে সংস্থাটি খুব কমই সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হাজির করে থাকে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে