
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে শর্ত সাপেক্ষে স্বীকৃতি দিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী দল ইয়াশ আতিদের প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। গত মঙ্গলবার তিনি প্রয়োজনীয় শর্ত ও নিশ্চয়তা সাপেক্ষে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানান নেতানিয়াহুর প্রতি। মূলত সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অংশ হিসেবে এটি করতে তিনি নেতানিয়াহুকে পরামর্শ দিয়েছেন।
জিউয়িশ নিউজ সিন্ডিকেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের আর্মি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাপিদ বলেন, ‘নেতানিয়াহুর ঘোষণা দেওয়া উচিত তিনি ফিলিস্তিনির বিষয়ে আলোচনার শর্ত মেনেই সৌদির সঙ্গে (সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের) আলোচনায় যেতে চান।’ তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কেবল গাজার বেসামরিক বিষয় দেখভাল করবে।’
ইসরায়েলের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আবু মাজেনকে (ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মাহমুদ আব্বাস) নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করতে দেব না, তাহলে কীভাবে প্রত্যাশা করব যে তিনি আমাদের জন্য সামনের পথ পরিষ্কার করে রাখবেন?’
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যদি সৌদি আরবরে সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করতে সম্মত হন, তবে তিনি এক ঢিলে বেশ কয়েকটি পাখি মারতে তথা বেশ কয়েকটি সমস্যা সমাধান করতে পারবেন বলেও মনে করেন লাপিদ।
গতকাল বুধবার ইউরোপের তিন দেশ—নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন আগামী ২৮ মে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। ঠিক তার পরপরই ইসরায়েলের মধ্যমপন্থী রাজনীতিক ইয়ার লাপিদ নেতানিয়াহুর প্রতি এই আহ্বান জানান।
ইয়ার লাপিদ বলেন, ‘কিছু শর্ত ও নির্দিষ্ট গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার অধীনে নেতানিয়াহুর ঘোষণা করা উচিত যে, তিনি একটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র মেনে নিতে ইচ্ছুক, যে রাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দেবে।’ তবে এই শর্তাবলি ও নিশ্চয়তাগুলো কী হবে এবং প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র থেকে ইসরায়েল কী ধরনের সহযোগিতা চায়, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের সমালোচনা করে ইয়াশ আতিদের এই নেতা আরও বলেন, বেন গভিরই নেতানিয়াহুকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র মেনে নেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা দিতে বাধা দিচ্ছেন। এ সময় তিনি ইসরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতিকে পাগলামিপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
এ সময় ইয়ার লাপিদ নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে আরও বলেন, ‘এই সরকারকে দিয়ে এটি (ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি) হবে না। আমাদের প্রয়োজন হলো নেতানিয়াহু সরকারকে ঘরে ফেরত পাঠিয়ে নতুন কার্যকর সরকার গঠন করা।’ উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে ইসরায়েলে কট্টর ডানপন্থীরা ক্ষমতায়। এই সরকার দৃঢ়ভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে।

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে শর্ত সাপেক্ষে স্বীকৃতি দিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী দল ইয়াশ আতিদের প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। গত মঙ্গলবার তিনি প্রয়োজনীয় শর্ত ও নিশ্চয়তা সাপেক্ষে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানান নেতানিয়াহুর প্রতি। মূলত সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অংশ হিসেবে এটি করতে তিনি নেতানিয়াহুকে পরামর্শ দিয়েছেন।
জিউয়িশ নিউজ সিন্ডিকেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের আর্মি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাপিদ বলেন, ‘নেতানিয়াহুর ঘোষণা দেওয়া উচিত তিনি ফিলিস্তিনির বিষয়ে আলোচনার শর্ত মেনেই সৌদির সঙ্গে (সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের) আলোচনায় যেতে চান।’ তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কেবল গাজার বেসামরিক বিষয় দেখভাল করবে।’
ইসরায়েলের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আবু মাজেনকে (ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মাহমুদ আব্বাস) নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করতে দেব না, তাহলে কীভাবে প্রত্যাশা করব যে তিনি আমাদের জন্য সামনের পথ পরিষ্কার করে রাখবেন?’
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যদি সৌদি আরবরে সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করতে সম্মত হন, তবে তিনি এক ঢিলে বেশ কয়েকটি পাখি মারতে তথা বেশ কয়েকটি সমস্যা সমাধান করতে পারবেন বলেও মনে করেন লাপিদ।
গতকাল বুধবার ইউরোপের তিন দেশ—নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন আগামী ২৮ মে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। ঠিক তার পরপরই ইসরায়েলের মধ্যমপন্থী রাজনীতিক ইয়ার লাপিদ নেতানিয়াহুর প্রতি এই আহ্বান জানান।
ইয়ার লাপিদ বলেন, ‘কিছু শর্ত ও নির্দিষ্ট গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার অধীনে নেতানিয়াহুর ঘোষণা করা উচিত যে, তিনি একটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র মেনে নিতে ইচ্ছুক, যে রাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দেবে।’ তবে এই শর্তাবলি ও নিশ্চয়তাগুলো কী হবে এবং প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র থেকে ইসরায়েল কী ধরনের সহযোগিতা চায়, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের সমালোচনা করে ইয়াশ আতিদের এই নেতা আরও বলেন, বেন গভিরই নেতানিয়াহুকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র মেনে নেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা দিতে বাধা দিচ্ছেন। এ সময় তিনি ইসরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতিকে পাগলামিপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
এ সময় ইয়ার লাপিদ নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে আরও বলেন, ‘এই সরকারকে দিয়ে এটি (ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি) হবে না। আমাদের প্রয়োজন হলো নেতানিয়াহু সরকারকে ঘরে ফেরত পাঠিয়ে নতুন কার্যকর সরকার গঠন করা।’ উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে ইসরায়েলে কট্টর ডানপন্থীরা ক্ষমতায়। এই সরকার দৃঢ়ভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে