আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সারা বিশ্বের নজর যখন ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের দিকে তখন ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী আইডিএফ। ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়া বুভুক্ষু ফিলিস্তিনিদের প্রায় প্রতিদিনই নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করছে ইসরায়েলি বাহিনী। বাড়িঘরে নিয়মিত তল্লাশি চালাচ্ছে।
ফিলিস্তিনি ইনফরমেশন সেন্টার জানিয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের আরুরা এবং আবওয়েইন শহরের বাড়িঘর ও বিভিন্ন ভবন, পাশাপাশি রামাল্লার নুবানি খামারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী শহরগুলোতে গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়েছে, একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভবনগুলোতে অভিযান চালিয়ে মালিকদের উচ্ছেদ করে সেগুলোকে সামরিক ব্যারাকে পরিণত করেছে।
এদিকে গাজা নিয়ে আরেকটি গভীর উদ্বেগজনক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। তারা বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে কয়েকবার করে বাস্তুচ্যুত হয়েছে গাজার বেশির ভাগ মানুষ—যা ১৯৪৮ সালের ‘নাকবা’র (আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘বিপর্যয়’) সঙ্গে তুলনীয়।
সংস্থাটির ভাষ্যমতে, ‘৭৭ বছর পরও ফিলিস্তিনিরা নিয়মিত উচ্ছেদ হচ্ছেন।’ তাদের মতে, ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় সাড়ে সাত লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে যেভাবে ঘরছাড়া করা হয়েছিল, বর্তমানেও গাজায় তেমনই আরেকটি মানবিক বিপর্যয় ঘটছে।

সারা বিশ্বের নজর যখন ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের দিকে তখন ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী আইডিএফ। ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়া বুভুক্ষু ফিলিস্তিনিদের প্রায় প্রতিদিনই নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করছে ইসরায়েলি বাহিনী। বাড়িঘরে নিয়মিত তল্লাশি চালাচ্ছে।
ফিলিস্তিনি ইনফরমেশন সেন্টার জানিয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের আরুরা এবং আবওয়েইন শহরের বাড়িঘর ও বিভিন্ন ভবন, পাশাপাশি রামাল্লার নুবানি খামারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী শহরগুলোতে গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়েছে, একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভবনগুলোতে অভিযান চালিয়ে মালিকদের উচ্ছেদ করে সেগুলোকে সামরিক ব্যারাকে পরিণত করেছে।
এদিকে গাজা নিয়ে আরেকটি গভীর উদ্বেগজনক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। তারা বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে কয়েকবার করে বাস্তুচ্যুত হয়েছে গাজার বেশির ভাগ মানুষ—যা ১৯৪৮ সালের ‘নাকবা’র (আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘বিপর্যয়’) সঙ্গে তুলনীয়।
সংস্থাটির ভাষ্যমতে, ‘৭৭ বছর পরও ফিলিস্তিনিরা নিয়মিত উচ্ছেদ হচ্ছেন।’ তাদের মতে, ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় সাড়ে সাত লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে যেভাবে ঘরছাড়া করা হয়েছিল, বর্তমানেও গাজায় তেমনই আরেকটি মানবিক বিপর্যয় ঘটছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
২ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে