আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলি নারকীয়তা থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী আইডিএফের বর্বরতায় নিহত হয়েছে কমপক্ষে ৩৫ ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছে ৫৫ জন। হতাহতদের সবাই শুজাইয়া এলাকার বাসিন্দা। অঞ্চলটিতে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো চাপা পড়ে আছে ৮০ জন। আজ বৃহস্পতিবার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারের সম্প্রচারমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে শুজাইয়ায় তীব্র হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গতকাল বুধবার সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাটি চালানো হয়। আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালায় নেতানিয়াহুর প্রশাসন। বিধ্বস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি স্থাপনা। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয়রা। তবে, বিশেষায়িত যন্ত্রপাতির অভাবে বিলম্বিত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, সব প্রতিকূলতা এড়িয়ে সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছেন তারা। বলেন, ‘এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ চাপা পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় আমরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছি না। যন্ত্রপাতি যা ছিল, ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস বা নষ্ট হয়েছে। অবরোধ অব্যাহত থাকায় নতুন করে যন্ত্র ঢুকতে পারছে না।’
আজ বৃহস্পতিবারও ভোরের আলো ফোটার আগেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সবচেয়ে তীব্র হামলাগুলো চালানো হচ্ছে দক্ষিণ গাজার রাফাহর উত্তরাঞ্চলে। উত্তর গাজার বাইত লাহিয়ায়ও বৃষ্টির মতো গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, আজ ভোরে খান ইউনিসের আল কারা এলাকায় ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ২ জন এবং আহত হয়েছেন অনেকে। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ছোড়া বোমায় নিহত হয়েছে একজন।

গাজায় ইসরায়েলি নারকীয়তা থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী আইডিএফের বর্বরতায় নিহত হয়েছে কমপক্ষে ৩৫ ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছে ৫৫ জন। হতাহতদের সবাই শুজাইয়া এলাকার বাসিন্দা। অঞ্চলটিতে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো চাপা পড়ে আছে ৮০ জন। আজ বৃহস্পতিবার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারের সম্প্রচারমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে শুজাইয়ায় তীব্র হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গতকাল বুধবার সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাটি চালানো হয়। আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালায় নেতানিয়াহুর প্রশাসন। বিধ্বস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি স্থাপনা। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয়রা। তবে, বিশেষায়িত যন্ত্রপাতির অভাবে বিলম্বিত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, সব প্রতিকূলতা এড়িয়ে সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছেন তারা। বলেন, ‘এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ চাপা পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় আমরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছি না। যন্ত্রপাতি যা ছিল, ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস বা নষ্ট হয়েছে। অবরোধ অব্যাহত থাকায় নতুন করে যন্ত্র ঢুকতে পারছে না।’
আজ বৃহস্পতিবারও ভোরের আলো ফোটার আগেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সবচেয়ে তীব্র হামলাগুলো চালানো হচ্ছে দক্ষিণ গাজার রাফাহর উত্তরাঞ্চলে। উত্তর গাজার বাইত লাহিয়ায়ও বৃষ্টির মতো গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, আজ ভোরে খান ইউনিসের আল কারা এলাকায় ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ২ জন এবং আহত হয়েছেন অনেকে। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ছোড়া বোমায় নিহত হয়েছে একজন।

ইরানের শাসকদের জন্য চলমান গণবিক্ষোভ এক চরম সংকট তৈরি করেছে। কঠোর দমন-পীড়ন চালাতে গেলে জনগণের সঙ্গে গত বছরের ইসরায়েল ও আমেরিকার ১২ দিনের যুদ্ধের পর যে সমঝোতা গড়ে উঠেছিল, তা তছনছ হয়ে যেতে পারে। আবার এই বিক্ষোভকে বাড়তে দিলে তা উল্টো বিদেশি হস্তক্ষেপকে ডেকে আনতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানজুড়ে চলা বিক্ষোভ আজ রোববার তৃতীয় সপ্তাহে পা রেখেছে। রাজধানী তেহরান এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদসহ বিভিন্ন প্রান্তের রাজপথ এখন বিক্ষোভকারীদের দখলে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, এই দুই সপ্তাহের সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না—এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা মানেই আদর্শের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী রাখার স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও সমর্থন করতে প্রস্তুত।
২ ঘণ্টা আগে