
গৃহকর্মী খুঁজে পাচ্ছেন না কুয়েতের বাসিন্দারা। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৮ মাসে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে ৩০ হাজারের বেশি গৃহকর্মী। এ হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে চাকরি ছেড়ে যাচ্ছে ৫৫ জন গৃহকর্মী।
কুয়েতের পাবলিক অথরিটি ফর সিভিল ইনফরমেশন (পিএসিআই)-এর পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষে গৃহকর্মীর মোট সংখ্যা ৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৩০ জনে নেমে এসেছে, যা ২০২৩ সালের মাঝামাঝিতে ৮ লাখ ১১ হাজার ৩০৭ ছিল।
কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশি শ্রম সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা, উপসাগরীয় অঞ্চলে শ্রম চাহিদার বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ প্রবণতার পরিবর্তনের কারণে এই পতন ঘটছে। নিয়োগ চ্যালেঞ্জ ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
গৃহকর্মী নিয়োগ অফিসের কর্মকর্তা হামাদ আল আলি জানান, কর্মীদের ওপর প্রি-অ্যারাইভাল ফি আরোপের কারণ দেখিয়ে এশিয়ার বেশ কিছু দেশ কুয়েতে শ্রম রপ্তানি কমিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফিলিপাইন থেকে আসা গৃহকর্মীদের নথিভুক্ত করার সমস্যাটিও এখানে প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রম সংক্রান্ত বিরোধের কারণে দেশটি থেকে গৃহকর্মী সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
হামাদ আল আলি আরও বলেন, বেশ কয়েকটি ‘হাই-প্রোফাইল’ অপরাধের ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িত থাকার অভিযোগের পর বেশ কিছু কুয়েতি পরিবার গৃহকর্মীর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দিয়েছে।
কিছু নির্দিষ্ট জাতীয়তার ওপর কুয়েতের নিজস্ব নিষেধাজ্ঞাগুলোও আরও কঠোর করা হয়েছে, যার ফলে শ্রম সরবরাহের সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
গৃহকর্মীর সংখ্যা কমলেও দেশটিতে এখনো প্রায় ৪৫০টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত গৃহকর্মী নিয়োগের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে, ক্রমবর্ধমান সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানই চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে।
অন্যদিকে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে চাহিদা বাড়তে থাকায় কুয়েতে গৃহকর্মী সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। কারণ কুয়েতের গৃহকর্মীরা ভালো চাকরির সুযোগ ও উন্নত কর্মপরিবেশের কারণে অন্য দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, যদি নিয়োগ নীতিতে পরিবর্তন বা আন্তর্জাতিক চুক্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে এই ঘাটতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে গৃহস্থালির শ্রম ঘাটতি ও সামগ্রিক পরিচর্যা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গৃহকর্মী খুঁজে পাচ্ছেন না কুয়েতের বাসিন্দারা। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৮ মাসে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে ৩০ হাজারের বেশি গৃহকর্মী। এ হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে চাকরি ছেড়ে যাচ্ছে ৫৫ জন গৃহকর্মী।
কুয়েতের পাবলিক অথরিটি ফর সিভিল ইনফরমেশন (পিএসিআই)-এর পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষে গৃহকর্মীর মোট সংখ্যা ৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৩০ জনে নেমে এসেছে, যা ২০২৩ সালের মাঝামাঝিতে ৮ লাখ ১১ হাজার ৩০৭ ছিল।
কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশি শ্রম সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা, উপসাগরীয় অঞ্চলে শ্রম চাহিদার বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ প্রবণতার পরিবর্তনের কারণে এই পতন ঘটছে। নিয়োগ চ্যালেঞ্জ ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
গৃহকর্মী নিয়োগ অফিসের কর্মকর্তা হামাদ আল আলি জানান, কর্মীদের ওপর প্রি-অ্যারাইভাল ফি আরোপের কারণ দেখিয়ে এশিয়ার বেশ কিছু দেশ কুয়েতে শ্রম রপ্তানি কমিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফিলিপাইন থেকে আসা গৃহকর্মীদের নথিভুক্ত করার সমস্যাটিও এখানে প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রম সংক্রান্ত বিরোধের কারণে দেশটি থেকে গৃহকর্মী সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
হামাদ আল আলি আরও বলেন, বেশ কয়েকটি ‘হাই-প্রোফাইল’ অপরাধের ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িত থাকার অভিযোগের পর বেশ কিছু কুয়েতি পরিবার গৃহকর্মীর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দিয়েছে।
কিছু নির্দিষ্ট জাতীয়তার ওপর কুয়েতের নিজস্ব নিষেধাজ্ঞাগুলোও আরও কঠোর করা হয়েছে, যার ফলে শ্রম সরবরাহের সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
গৃহকর্মীর সংখ্যা কমলেও দেশটিতে এখনো প্রায় ৪৫০টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত গৃহকর্মী নিয়োগের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে, ক্রমবর্ধমান সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানই চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে।
অন্যদিকে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে চাহিদা বাড়তে থাকায় কুয়েতে গৃহকর্মী সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। কারণ কুয়েতের গৃহকর্মীরা ভালো চাকরির সুযোগ ও উন্নত কর্মপরিবেশের কারণে অন্য দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, যদি নিয়োগ নীতিতে পরিবর্তন বা আন্তর্জাতিক চুক্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে এই ঘাটতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে গৃহস্থালির শ্রম ঘাটতি ও সামগ্রিক পরিচর্যা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে