আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে তিনি ‘বড় ভুল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তে লাভবান হবে হামাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে স্মতরিচ বলেন, ‘এই রকম ত্রাণ সহায়তা যুদ্ধকালীন সময়ে শত্রুর জন্য লজিস্টিক সহায়তা হিসেবে কাজ করে।’ তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দায়ী করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।’ তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়লেও স্মতরিচ এখনই সরকার ছাড়ার হুমকি দেননি। তিনি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্টের ‘পরবর্তী পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন’। এরপর আবার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তিনি সরকার ছাড়ার বিষয়ে ভেবে দেখবেন।
এই মন্তব্য এমন এক সময় এল, যখন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সোমবার হোয়াইট হাউসে এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় সহায়তা নীতিতে পরিবর্তনের ঘোষণা না দিলেও, দেশটির গণমাধ্যমে খবর এসেছে উত্তর গাজায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ইসরায়েল বহুবার অভিযোগ করেছে, হামাস ত্রাণ সহায়তা ছিনিয়ে নিয়ে তা নিজের যোদ্ধাদের জন্য ব্যবহার করছে অথবা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করছে। তবে হামাস বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় চলমান পরিস্থিতিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষে পড়তে পারে। মে মাসে ইসরায়েল তিন মাসের জন্য অবরোধ শিথিল করে, তবে গত ২৭ জুন আবার সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তা।
এদিকে, একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য নেতানিয়াহুর ওপর ইসরায়েলের জনগণের চাপ বাড়ছে। এর মধ্যে কট্টর ডানপন্থী নেতারা আবার যুদ্ধবিরোধী অবস্থানে ক্ষুব্ধ। তারা চান, গাজায় ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন জারি থাকুক। অবশ্য অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ এবার যুদ্ধবিরতির প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেননি, তবে জানুয়ারিতে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্ত নিলে তাঁর দল সরকার ছাড়বে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর জবাবে ইসরায়েল এখনো গাজায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া এই সংঘাতের ফলে গাজার অধিকাংশ জনগণ ঘরহারা, অঞ্চলটির বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে তিনি ‘বড় ভুল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তে লাভবান হবে হামাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে স্মতরিচ বলেন, ‘এই রকম ত্রাণ সহায়তা যুদ্ধকালীন সময়ে শত্রুর জন্য লজিস্টিক সহায়তা হিসেবে কাজ করে।’ তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দায়ী করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।’ তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়লেও স্মতরিচ এখনই সরকার ছাড়ার হুমকি দেননি। তিনি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্টের ‘পরবর্তী পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন’। এরপর আবার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তিনি সরকার ছাড়ার বিষয়ে ভেবে দেখবেন।
এই মন্তব্য এমন এক সময় এল, যখন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সোমবার হোয়াইট হাউসে এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় সহায়তা নীতিতে পরিবর্তনের ঘোষণা না দিলেও, দেশটির গণমাধ্যমে খবর এসেছে উত্তর গাজায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ইসরায়েল বহুবার অভিযোগ করেছে, হামাস ত্রাণ সহায়তা ছিনিয়ে নিয়ে তা নিজের যোদ্ধাদের জন্য ব্যবহার করছে অথবা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করছে। তবে হামাস বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় চলমান পরিস্থিতিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষে পড়তে পারে। মে মাসে ইসরায়েল তিন মাসের জন্য অবরোধ শিথিল করে, তবে গত ২৭ জুন আবার সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তা।
এদিকে, একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য নেতানিয়াহুর ওপর ইসরায়েলের জনগণের চাপ বাড়ছে। এর মধ্যে কট্টর ডানপন্থী নেতারা আবার যুদ্ধবিরোধী অবস্থানে ক্ষুব্ধ। তারা চান, গাজায় ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন জারি থাকুক। অবশ্য অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ এবার যুদ্ধবিরতির প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেননি, তবে জানুয়ারিতে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্ত নিলে তাঁর দল সরকার ছাড়বে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর জবাবে ইসরায়েল এখনো গাজায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া এই সংঘাতের ফলে গাজার অধিকাংশ জনগণ ঘরহারা, অঞ্চলটির বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে