
গাজা উপত্যকায় হামাসের হাতে থাকা চার জিম্মিকে উদ্ধার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)। রক্তক্ষয়ী এই অভিযানে অন্তত ২১০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি গাজা কর্তৃপক্ষের। আট মাস ধরে চলা ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞে এটি ছিল অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
মধ্য গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা আল-নুসেইরাতে ঘটেছে জিম্মি উদ্ধার অভিযান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতরা হলেন নোয়া আরগামানি (২৬), আলমোগ মাইর জান (২২), আন্দ্রে কোজলোভ (২৭) এবং শোলমি ঝিভ (৪১)। তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা ভালো আছেন।
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেছেন, নুসেইরাতের একটি আবাসিক এলাকার দুটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে জিম্মিদের রেখেছিল হামাস। সেখানেই আইডিএফ অভিযান চালায়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমরা ১০০ জনের কম (ফিলিস্তিনি) নিহতের কথা জানি। তাদের মধ্যে কতজন সন্ত্রাসী তা আমি জানি না। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানের সময় একজন ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলায় বহু ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং একটি বাজার ও মসজিদের চারপাশে পুরুষ, নারী ও শিশুদের ছিন্নভিন্ন লাশ পড়ে আছে।
গাজার কেন্দ্রে অবস্থিত আল-আকসা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন করে এত বেশি পরিমাণে মানুষ হতাহত হয়েছে যে তাদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেছেন, ইসরায়েলের উদ্ধার অভিযানে কয়েকজন জিম্মি নিহত হয়েছে। তবে এই দাবিকে সর্বৈব মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র পিটার লার্নার।
গত ৭ অক্টোবর গাজার নিকটবর্তী ইসরায়েলি শহর ও গ্রামে হামাসের মারাত্মক অভিযানের সময় নোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল থেকে তাদের সবাইকে অপহরণ করা হয়েছিল, যা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের সূচনা ঘটায়।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, হামাসের অভিযানে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে। গতকাল শনিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ করা তথ্য অনুসারে, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৬ হাজার ৮০১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

গাজা উপত্যকায় হামাসের হাতে থাকা চার জিম্মিকে উদ্ধার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)। রক্তক্ষয়ী এই অভিযানে অন্তত ২১০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি গাজা কর্তৃপক্ষের। আট মাস ধরে চলা ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞে এটি ছিল অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
মধ্য গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা আল-নুসেইরাতে ঘটেছে জিম্মি উদ্ধার অভিযান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতরা হলেন নোয়া আরগামানি (২৬), আলমোগ মাইর জান (২২), আন্দ্রে কোজলোভ (২৭) এবং শোলমি ঝিভ (৪১)। তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা ভালো আছেন।
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেছেন, নুসেইরাতের একটি আবাসিক এলাকার দুটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে জিম্মিদের রেখেছিল হামাস। সেখানেই আইডিএফ অভিযান চালায়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমরা ১০০ জনের কম (ফিলিস্তিনি) নিহতের কথা জানি। তাদের মধ্যে কতজন সন্ত্রাসী তা আমি জানি না। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানের সময় একজন ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলায় বহু ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং একটি বাজার ও মসজিদের চারপাশে পুরুষ, নারী ও শিশুদের ছিন্নভিন্ন লাশ পড়ে আছে।
গাজার কেন্দ্রে অবস্থিত আল-আকসা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন করে এত বেশি পরিমাণে মানুষ হতাহত হয়েছে যে তাদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেছেন, ইসরায়েলের উদ্ধার অভিযানে কয়েকজন জিম্মি নিহত হয়েছে। তবে এই দাবিকে সর্বৈব মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র পিটার লার্নার।
গত ৭ অক্টোবর গাজার নিকটবর্তী ইসরায়েলি শহর ও গ্রামে হামাসের মারাত্মক অভিযানের সময় নোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল থেকে তাদের সবাইকে অপহরণ করা হয়েছিল, যা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের সূচনা ঘটায়।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, হামাসের অভিযানে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে। গতকাল শনিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ করা তথ্য অনুসারে, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৬ হাজার ৮০১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে