
ইয়েমেনে হুতিদের ওপর ইঙ্গ–মার্কিন হামলার পর ফের লোহিত সাগরে দুটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। আজ মঙ্গলবার একটি ব্রিটিশ জাহাজ ও একটি মার্কিন জাহাজে হামলার দাবি করেছে হুতিরা। হামলায় দুটি জাহাজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে বলে, যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দফা বিমান হামলা ও মিত্রদের জাহাজ লোহিত সাগরে টহল দেওয়া সত্ত্বেও হামলা অব্যাহত রাখতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই লোহিত সাগরে যাতায়াতকারী বাণিজ্য জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে আসছে হুতি বিদ্রোহীরা। গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি হুতি বিদ্রোহীদের।
গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র বলেন, তারা স্টার নাসিয়া ও মর্নিং টাইড নামের দুটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে। জাহাজ দুটিতে মার্শাল আইল্যান্ড ও বার্বাডোজের পতাকা দেখে এগুলোকে যথাক্রমে মার্কিন ও ব্রিটিশ জাহাজ হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
গ্রিসের মালিকানাধীন স্টার নাসিয়া জাহাজটি আন্তর্জাতিক সময় ১১টা ১৫ মিনিটে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে গ্রিসের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। তবে কোনো ক্রু আহত হননি।
পৃথকভাবে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) সংস্থা এবং ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা আমব্রে আজ মঙ্গলবার ইয়েমেনের এডেন বন্দরের কাছে একটি বাণিজ্য জাহাজের কাছে বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছে।
আমব্রে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের উদ্দেশে যাওয়ার পথে এডেন থেকে প্রায় ৫৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ–পশ্চিমে মেরিটাইম সিকিউরিটি ট্রানজিট করিডরে দক্ষিণমুখী গ্রিক মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ারটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

ইয়েমেনে হুতিদের ওপর ইঙ্গ–মার্কিন হামলার পর ফের লোহিত সাগরে দুটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। আজ মঙ্গলবার একটি ব্রিটিশ জাহাজ ও একটি মার্কিন জাহাজে হামলার দাবি করেছে হুতিরা। হামলায় দুটি জাহাজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে বলে, যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দফা বিমান হামলা ও মিত্রদের জাহাজ লোহিত সাগরে টহল দেওয়া সত্ত্বেও হামলা অব্যাহত রাখতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই লোহিত সাগরে যাতায়াতকারী বাণিজ্য জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে আসছে হুতি বিদ্রোহীরা। গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি হুতি বিদ্রোহীদের।
গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র বলেন, তারা স্টার নাসিয়া ও মর্নিং টাইড নামের দুটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে। জাহাজ দুটিতে মার্শাল আইল্যান্ড ও বার্বাডোজের পতাকা দেখে এগুলোকে যথাক্রমে মার্কিন ও ব্রিটিশ জাহাজ হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
গ্রিসের মালিকানাধীন স্টার নাসিয়া জাহাজটি আন্তর্জাতিক সময় ১১টা ১৫ মিনিটে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে গ্রিসের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। তবে কোনো ক্রু আহত হননি।
পৃথকভাবে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) সংস্থা এবং ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা আমব্রে আজ মঙ্গলবার ইয়েমেনের এডেন বন্দরের কাছে একটি বাণিজ্য জাহাজের কাছে বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছে।
আমব্রে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের উদ্দেশে যাওয়ার পথে এডেন থেকে প্রায় ৫৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ–পশ্চিমে মেরিটাইম সিকিউরিটি ট্রানজিট করিডরে দক্ষিণমুখী গ্রিক মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ারটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে