
গত ২০২৩ সালে বিশ্বে ৯৯ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭২ জনই ফিলিস্তিনি; গাজা যুদ্ধে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাঁরা নিহত হন। যা মোট নিহতের প্রায় ৭৫ শতাংশ। প্রায় এক দশকের মধ্যে গণমাধ্যমের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর ছিল এটি।
আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) বাৎসরিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সিপিজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধের প্রথম তিন মাসে যে সংখ্যক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন; সেটি একটি দেশের সারা বছরে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যার চেয়ে বেশি।
গাজা যুদ্ধে মোট ৭৭ জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে—৭২ জন ফিলিস্তিনি, তিনজন লেবাননের ও দুজন ইসরায়েলের।
সিপিজের প্রেসিডেন্ট জোডি গিন্সবার্গ আল জাজিরাকে বলেন, সাংবাদিকদের ক্ষতির দিক দিয়ে এই গাজা যুদ্ধ নজিরবিহীন।
জোডি গিন্সবার্গ বলেন, গাজা যুদ্ধে একটি বিষয় স্মরণে রাখতে হবে—শুধুমাত্র গাজার সাংবাদিকেরাই এখানকার ভেতরের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম ছিলেন। কেননা ইসরায়েলি বাহিনীর কড়াকড়িতে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকেরা অনেক জায়গায় প্রবেশই করতে পারেনি। সুতরাং ফিলিস্তিনের সাংবাদিকদের ওপরই নির্ভর করতে হয়েছে। তাঁরা সংবাদ তুলে আনার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের পর গত ২০২৩ সালেই সর্বোচ্চ সংখ্যক সাংবাদিক নিহত হন। ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে সাংবাদিক নিহতের সংখ্যা বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে বর্তমানে সাংবাদিকতায় নেই এমন মানুষেরাও হামলার শিকার হচ্ছেন।

গত ২০২৩ সালে বিশ্বে ৯৯ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭২ জনই ফিলিস্তিনি; গাজা যুদ্ধে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাঁরা নিহত হন। যা মোট নিহতের প্রায় ৭৫ শতাংশ। প্রায় এক দশকের মধ্যে গণমাধ্যমের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর ছিল এটি।
আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) বাৎসরিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সিপিজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধের প্রথম তিন মাসে যে সংখ্যক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন; সেটি একটি দেশের সারা বছরে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যার চেয়ে বেশি।
গাজা যুদ্ধে মোট ৭৭ জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে—৭২ জন ফিলিস্তিনি, তিনজন লেবাননের ও দুজন ইসরায়েলের।
সিপিজের প্রেসিডেন্ট জোডি গিন্সবার্গ আল জাজিরাকে বলেন, সাংবাদিকদের ক্ষতির দিক দিয়ে এই গাজা যুদ্ধ নজিরবিহীন।
জোডি গিন্সবার্গ বলেন, গাজা যুদ্ধে একটি বিষয় স্মরণে রাখতে হবে—শুধুমাত্র গাজার সাংবাদিকেরাই এখানকার ভেতরের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম ছিলেন। কেননা ইসরায়েলি বাহিনীর কড়াকড়িতে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকেরা অনেক জায়গায় প্রবেশই করতে পারেনি। সুতরাং ফিলিস্তিনের সাংবাদিকদের ওপরই নির্ভর করতে হয়েছে। তাঁরা সংবাদ তুলে আনার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের পর গত ২০২৩ সালেই সর্বোচ্চ সংখ্যক সাংবাদিক নিহত হন। ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে সাংবাদিক নিহতের সংখ্যা বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে বর্তমানে সাংবাদিকতায় নেই এমন মানুষেরাও হামলার শিকার হচ্ছেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে