আজকের পত্রিকা ডেস্ক

হামাস জানিয়েছে, তারা আজ সোমবার গাজায় এক ইসরায়েলি-আমেরিকান জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। তবে বৃহত্তর যুদ্ধবিরতি বা জিম্মি মুক্তি নিয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। আন্তর্জাতিক রেডক্রস সোসাইটি এদান আলেকজান্ডারের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, জিম্মি মুক্তির জন্য নিরাপদ পথের অনুমতি দিতে ইসরায়েল অভিযান সাময়িক স্থগিত করবে। এর পরপরই গাজায় দুপুরে লড়াই বন্ধ হয়। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা আলেকজান্ডারকে মুক্তি দিয়েছে। এদান হামাসের হাতে থাকা শেষ আমেরিকান জিম্মি ছিল। একটি সূত্র জানিয়েছে, তাঁকে রেডক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
হামাস বলেছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে আলেকজান্ডারকে মুক্তি দিয়েছে। ট্রাম্প বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন। হামাস জিম্মি মুক্তি দিলেও নেতানিয়াহু বলেছেন, কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না এবং গাজায় সামরিক অভিযান জোরদার করার পরিকল্পনা অব্যাহত থাকবে।
হামাস, যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের মধ্যে আলোচনার পর এদান আলেকজান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হলো। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল হামলার ১৯ মাস পর মুক্তি পেলেন এই মার্কিন-ইসরায়েলি। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তাঁর মুক্তি গাজায় থাকা বাকি ৫৯ জিম্মির মুক্তির পথ খুলে দিতে পারে।
কাতার এবং মিসর বলেছে, এদান আলেকজান্ডারের মুক্তি নতুন যুদ্ধবিরতি আলোচনার দিকে এক উৎসাহজনক পদক্ষেপ। নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, আরও জিম্মি মুক্তির বিষয়ে নতুন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েল বৃহস্পতিবার কাতারে প্রতিনিধিদল পাঠাবে।
নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের বর্ধিত সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা অব্যাহত থাকবে। তাঁর জোটের অংশীদার, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হওয়া উচিত নয় এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলে সহায়তা ঢুকতে দেওয়া উচিত নয়।

হামাস জানিয়েছে, তারা আজ সোমবার গাজায় এক ইসরায়েলি-আমেরিকান জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। তবে বৃহত্তর যুদ্ধবিরতি বা জিম্মি মুক্তি নিয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। আন্তর্জাতিক রেডক্রস সোসাইটি এদান আলেকজান্ডারের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, জিম্মি মুক্তির জন্য নিরাপদ পথের অনুমতি দিতে ইসরায়েল অভিযান সাময়িক স্থগিত করবে। এর পরপরই গাজায় দুপুরে লড়াই বন্ধ হয়। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা আলেকজান্ডারকে মুক্তি দিয়েছে। এদান হামাসের হাতে থাকা শেষ আমেরিকান জিম্মি ছিল। একটি সূত্র জানিয়েছে, তাঁকে রেডক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
হামাস বলেছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে আলেকজান্ডারকে মুক্তি দিয়েছে। ট্রাম্প বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন। হামাস জিম্মি মুক্তি দিলেও নেতানিয়াহু বলেছেন, কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না এবং গাজায় সামরিক অভিযান জোরদার করার পরিকল্পনা অব্যাহত থাকবে।
হামাস, যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের মধ্যে আলোচনার পর এদান আলেকজান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হলো। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল হামলার ১৯ মাস পর মুক্তি পেলেন এই মার্কিন-ইসরায়েলি। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তাঁর মুক্তি গাজায় থাকা বাকি ৫৯ জিম্মির মুক্তির পথ খুলে দিতে পারে।
কাতার এবং মিসর বলেছে, এদান আলেকজান্ডারের মুক্তি নতুন যুদ্ধবিরতি আলোচনার দিকে এক উৎসাহজনক পদক্ষেপ। নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, আরও জিম্মি মুক্তির বিষয়ে নতুন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েল বৃহস্পতিবার কাতারে প্রতিনিধিদল পাঠাবে।
নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের বর্ধিত সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা অব্যাহত থাকবে। তাঁর জোটের অংশীদার, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হওয়া উচিত নয় এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলে সহায়তা ঢুকতে দেওয়া উচিত নয়।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে