
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় যুদ্ধ শেষ হয়নি। এটি কেবল শেষের শুরু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু এ কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাফাহে ইসরায়েলি হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এ কথা বললেন নেতানিয়াহু। এ সময় তিনি গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শেষ করার শর্তও উল্লেখ করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইয়াহইয়া সিনওয়ার মারা গেছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাহসী সৈন্যরা তাঁকে রাফাহে হত্যা করেছে। যদিও এটি গাজায় যুদ্ধের শেষ নয়, বরং এটি শেষের শুরু। গাজার লোকদের কাছে আমার একটি সহজ বার্তা রয়েছে—এই যুদ্ধটি আগামীকালই শেষ হতে পারে। তবে হামাসকে অস্ত্র নামিয়ে রাখতে হবে এবং আমাদের জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।’
ভিডিও ভাষণে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জানান, হামাসের কাছে এখনো ১০১ জন ইসরায়েলি জিম্মি বন্দী আছে। এই ১০১ জন বিশ্বের ২৩টি বিভিন্ন দেশের নাগরিক। তিনি বলেন, ‘হামাসের কাছে গাজায় ১০১ জন জিম্মি রয়েছেন। যারা ইসরায়েলসহ ২৩টি দেশের নাগরিক। ইসরায়েল তাদের সবাইকে ফিরিয়ে আনার জন্য সক্ষমতার মধ্যে থাকা সবকিছু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
যারা জিম্মিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, তাদের সবাইকে ইসরায়েল সুরক্ষা দেবে উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘তবে যারা আমাদের জিম্মিদের ক্ষতি করবে, তাদের জন্যও আমার একটি বার্তা রয়েছে—ইসরায়েল আপনাদের শিকার করবে এবং আপনাকে বিচারের আওতায় আনবে।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের নির্মিত “সন্ত্রাসের অক্ষ” আমাদের চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে।’
ভিডিও ভাষণে নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহ প্রয়াত প্রধান হাসান নাসরুল্লাহসহ গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতাদের হত্যা করার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, লেবানন, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনে ইরান সরকারের আরোপিত সন্ত্রাসের রাজত্ব শেষ হয়ে যাবে শিগগির।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘নাসরুল্লাহ চলে গেছেন, তাঁর ডেপুটি মোহসেন চলে গেছেন, হানিয়া চলে গেছেন, দায়েফ চলে গেছেন, সিনওয়ার চলে গেছেন। ইরান সরকার তার নিজস্ব লোকদের ওপর এবং ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনে জনগণের এবং যে সন্ত্রাসের রাজত্ব চাপিয়ে দিয়েছে—তা খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে।’

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় যুদ্ধ শেষ হয়নি। এটি কেবল শেষের শুরু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু এ কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাফাহে ইসরায়েলি হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এ কথা বললেন নেতানিয়াহু। এ সময় তিনি গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শেষ করার শর্তও উল্লেখ করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইয়াহইয়া সিনওয়ার মারা গেছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাহসী সৈন্যরা তাঁকে রাফাহে হত্যা করেছে। যদিও এটি গাজায় যুদ্ধের শেষ নয়, বরং এটি শেষের শুরু। গাজার লোকদের কাছে আমার একটি সহজ বার্তা রয়েছে—এই যুদ্ধটি আগামীকালই শেষ হতে পারে। তবে হামাসকে অস্ত্র নামিয়ে রাখতে হবে এবং আমাদের জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।’
ভিডিও ভাষণে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জানান, হামাসের কাছে এখনো ১০১ জন ইসরায়েলি জিম্মি বন্দী আছে। এই ১০১ জন বিশ্বের ২৩টি বিভিন্ন দেশের নাগরিক। তিনি বলেন, ‘হামাসের কাছে গাজায় ১০১ জন জিম্মি রয়েছেন। যারা ইসরায়েলসহ ২৩টি দেশের নাগরিক। ইসরায়েল তাদের সবাইকে ফিরিয়ে আনার জন্য সক্ষমতার মধ্যে থাকা সবকিছু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
যারা জিম্মিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, তাদের সবাইকে ইসরায়েল সুরক্ষা দেবে উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘তবে যারা আমাদের জিম্মিদের ক্ষতি করবে, তাদের জন্যও আমার একটি বার্তা রয়েছে—ইসরায়েল আপনাদের শিকার করবে এবং আপনাকে বিচারের আওতায় আনবে।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের নির্মিত “সন্ত্রাসের অক্ষ” আমাদের চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে।’
ভিডিও ভাষণে নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহ প্রয়াত প্রধান হাসান নাসরুল্লাহসহ গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতাদের হত্যা করার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, লেবানন, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনে ইরান সরকারের আরোপিত সন্ত্রাসের রাজত্ব শেষ হয়ে যাবে শিগগির।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘নাসরুল্লাহ চলে গেছেন, তাঁর ডেপুটি মোহসেন চলে গেছেন, হানিয়া চলে গেছেন, দায়েফ চলে গেছেন, সিনওয়ার চলে গেছেন। ইরান সরকার তার নিজস্ব লোকদের ওপর এবং ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনে জনগণের এবং যে সন্ত্রাসের রাজত্ব চাপিয়ে দিয়েছে—তা খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে