
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস দাবি করেছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় তাদের হাতে জিম্মিদের মধ্যে ৬০ জনেরও বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানান হয় এ খবর।
হামাসের সামরিক শাখা ইজ এল-দীন আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা হামাসের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে বলেন, ‘৬০ জন নিখোঁজ বন্দীর ২৩ জনই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। মনে হচ্ছে, গাজায় দখলদারদের অব্যাহত নৃশংস আগ্রাসনের কারণে আমরা কখনই তাদের কাছে পৌঁছাতে পারব না।’
আল-কাসাম ব্রিগেডের এই দাবি যাচাই করে দেখতে পারেনি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। গত মাসে হামাস দাবি করেছিল যে, তাদের হাতে থাকা অন্তত ৫০ জন বন্দী গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের হামলা চালানোর পর থেকেই হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের খোঁজে গাজার ওপর নজরদারি করতে ড্রোন ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ নিয়ে কথা বলতে গত শনিবার জর্ডানের রাজধানী আম্মান সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। সেখানে তিনি জানান, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্ত করা।
তেলআবিবে কিরিয়া সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত আইডিএফের সদর দপ্তরের সামনে গতকাল শুক্রবার অবস্থান নেয় হামাসের হাতে বন্দী ইসরায়েলিদের পরিবার। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি দাবি জানান হয় যে, সকল বন্দীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত গাজায় যেন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হয় ইসরায়েল। আর এ ব্যাপারে নেতানিয়াহু প্রকাশ্য ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বন্দীদের পরিবার আইডিএফ-এর সদর দপ্তরের সামনেই অবস্থান করার ঘোষণা দেয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য মতে, হামাসের হাতে মোট বন্দীর সংখ্যা ২৪০। এর মধ্যে সেনা সদস্য ছাড়াও রয়েছে বেসামরিক নাগরিক এবং কয়েকজন বিদেশি। এ পর্যন্ত ৪ জন বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে হামাস।
গাজা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সালাম মারুফ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, অক্টোবরের ৭ তারিখ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা উপত্যকায় অন্তত সাড়ে ৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩ হাজার ৯০০ জনই শিশু এবং ২ হাজার ৫০৯ জন নারী।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস দাবি করেছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় তাদের হাতে জিম্মিদের মধ্যে ৬০ জনেরও বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানান হয় এ খবর।
হামাসের সামরিক শাখা ইজ এল-দীন আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা হামাসের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে বলেন, ‘৬০ জন নিখোঁজ বন্দীর ২৩ জনই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। মনে হচ্ছে, গাজায় দখলদারদের অব্যাহত নৃশংস আগ্রাসনের কারণে আমরা কখনই তাদের কাছে পৌঁছাতে পারব না।’
আল-কাসাম ব্রিগেডের এই দাবি যাচাই করে দেখতে পারেনি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। গত মাসে হামাস দাবি করেছিল যে, তাদের হাতে থাকা অন্তত ৫০ জন বন্দী গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের হামলা চালানোর পর থেকেই হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের খোঁজে গাজার ওপর নজরদারি করতে ড্রোন ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ নিয়ে কথা বলতে গত শনিবার জর্ডানের রাজধানী আম্মান সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। সেখানে তিনি জানান, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্ত করা।
তেলআবিবে কিরিয়া সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত আইডিএফের সদর দপ্তরের সামনে গতকাল শুক্রবার অবস্থান নেয় হামাসের হাতে বন্দী ইসরায়েলিদের পরিবার। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি দাবি জানান হয় যে, সকল বন্দীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত গাজায় যেন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হয় ইসরায়েল। আর এ ব্যাপারে নেতানিয়াহু প্রকাশ্য ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বন্দীদের পরিবার আইডিএফ-এর সদর দপ্তরের সামনেই অবস্থান করার ঘোষণা দেয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য মতে, হামাসের হাতে মোট বন্দীর সংখ্যা ২৪০। এর মধ্যে সেনা সদস্য ছাড়াও রয়েছে বেসামরিক নাগরিক এবং কয়েকজন বিদেশি। এ পর্যন্ত ৪ জন বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে হামাস।
গাজা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সালাম মারুফ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, অক্টোবরের ৭ তারিখ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা উপত্যকায় অন্তত সাড়ে ৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩ হাজার ৯০০ জনই শিশু এবং ২ হাজার ৫০৯ জন নারী।

সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
২ ঘণ্টা আগে
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে