
ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হলে বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে হামাস। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানান হয়েছে এ খবর।
আজ শুক্রবার আবু হামিদ নামে হামাসের এক নেতাকে উদ্ধৃত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার সময় বিভিন্ন ফিলিস্তিনি দল, যাদেরকে গাজায় বন্দী করে নিয়ে গিয়েছিল তাদের সবাইকে খুঁজে বের করার জন্যও গোষ্ঠীটির কিছুটা সময় প্রয়োজন।
ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই রাশিয়া গেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের একটি প্রতিনিধি দল। গাজায় বন্দী রুশ নাগরিকসহ বিদেশি জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতেই বৃহস্পতিবার মস্কোতে হামাসের প্রতিনিধি দলটি পা রাখে বলে জানায় আরব নিউজ। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য আবু হামিদ বলেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই বেসামরিক বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে হামাস।
তিনি বলেন, ‘শত শত নাগরিক এবং ফিলিস্তিনের বিভিন্ন উপদলের কয়েক ডজন যোদ্ধা ১৯৪৮ সালে দখল করা অঞ্চলগুলোতে প্রবেশ করে কয়েক ডজন লোককে বন্দী করেছিল। তাদের বেশির ভাগই বেসামরিক। গাজা উপত্যকায় তাদের খুঁজে বের করার জন্য আমাদের সময় দরকার। তারপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’
আবু হামিদ আরও জানান, গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় বন্দীদের মধ্যে ৫০ জন নিহত হয়েছে।
মস্কোর সাংবাদিক ইউলিয়া শাপোভালোভা বলেন, হামাস প্রতিনিধিদলের এই সফরকে মূলত রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রচারের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, রাশিয়া এই ঘটনার বাইরে নেই। মস্কো দেখাতে চায় যে, একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে এখানেও রাশিয়া আছে, যারা হামাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার মাধ্যমে সংঘাতের মধ্যস্থতার চেষ্টা করে।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়ান, ইরানি এবং হামাস কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক হামাসের হাতে বন্দী তিন রুশ পাসপোর্টধারীকে মুক্তি দেওয়ার পথ সুগম করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে, বন্দীদের মুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হামাস কোনো জবাব দেয়নি বলে জানিয়েছেন শাপোভালোভা।
এদিকে, হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড দাবি করেছে, তাঁদের কাছে বন্দী থাকা অন্তত ৫০ জন ইসরায়েলি নিজ দেশেরই বোমা হামলায় মারা গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করা বিবৃতিতে আল-কাসাম ব্রিগেড বলে, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ইহুদিবাদী হামলা ও গণহত্যার ফলে গাজা উপত্যকায় নিহত ইহুদি বন্দীর সংখ্যা প্রায় ৫০ ছুঁয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করে ১ হাজার ৪০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি দুই শতাধিক মানুষকে বন্দী করে। এর পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে গাজা শহরের বোমাবর্ষণ করছে ইসরায়েল। এই হামলায় ৭ হাজারের বেশি সাধারণ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহত এসব ফিলিস্তিনির বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হলে বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে হামাস। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানান হয়েছে এ খবর।
আজ শুক্রবার আবু হামিদ নামে হামাসের এক নেতাকে উদ্ধৃত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার সময় বিভিন্ন ফিলিস্তিনি দল, যাদেরকে গাজায় বন্দী করে নিয়ে গিয়েছিল তাদের সবাইকে খুঁজে বের করার জন্যও গোষ্ঠীটির কিছুটা সময় প্রয়োজন।
ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই রাশিয়া গেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের একটি প্রতিনিধি দল। গাজায় বন্দী রুশ নাগরিকসহ বিদেশি জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতেই বৃহস্পতিবার মস্কোতে হামাসের প্রতিনিধি দলটি পা রাখে বলে জানায় আরব নিউজ। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য আবু হামিদ বলেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই বেসামরিক বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে হামাস।
তিনি বলেন, ‘শত শত নাগরিক এবং ফিলিস্তিনের বিভিন্ন উপদলের কয়েক ডজন যোদ্ধা ১৯৪৮ সালে দখল করা অঞ্চলগুলোতে প্রবেশ করে কয়েক ডজন লোককে বন্দী করেছিল। তাদের বেশির ভাগই বেসামরিক। গাজা উপত্যকায় তাদের খুঁজে বের করার জন্য আমাদের সময় দরকার। তারপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’
আবু হামিদ আরও জানান, গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় বন্দীদের মধ্যে ৫০ জন নিহত হয়েছে।
মস্কোর সাংবাদিক ইউলিয়া শাপোভালোভা বলেন, হামাস প্রতিনিধিদলের এই সফরকে মূলত রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রচারের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, রাশিয়া এই ঘটনার বাইরে নেই। মস্কো দেখাতে চায় যে, একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে এখানেও রাশিয়া আছে, যারা হামাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার মাধ্যমে সংঘাতের মধ্যস্থতার চেষ্টা করে।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়ান, ইরানি এবং হামাস কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক হামাসের হাতে বন্দী তিন রুশ পাসপোর্টধারীকে মুক্তি দেওয়ার পথ সুগম করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে, বন্দীদের মুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হামাস কোনো জবাব দেয়নি বলে জানিয়েছেন শাপোভালোভা।
এদিকে, হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড দাবি করেছে, তাঁদের কাছে বন্দী থাকা অন্তত ৫০ জন ইসরায়েলি নিজ দেশেরই বোমা হামলায় মারা গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করা বিবৃতিতে আল-কাসাম ব্রিগেড বলে, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ইহুদিবাদী হামলা ও গণহত্যার ফলে গাজা উপত্যকায় নিহত ইহুদি বন্দীর সংখ্যা প্রায় ৫০ ছুঁয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করে ১ হাজার ৪০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি দুই শতাধিক মানুষকে বন্দী করে। এর পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে গাজা শহরের বোমাবর্ষণ করছে ইসরায়েল। এই হামলায় ৭ হাজারের বেশি সাধারণ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহত এসব ফিলিস্তিনির বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং
১৮ মিনিট আগে
সিরিয়ার বৃহত্তম শহর আলেপ্পোতে সরকারি বাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের এই লড়াইয়ে আজ বুধবার পর্যন্ত দুই নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছে। এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ।
২৬ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন ও রাশিয়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নিজের ভূমিকা নিয়ে একাধিক দাবি করেন।
৩২ মিনিট আগে
আটলান্টিক মহাসাগরে টানা ১৪ দিন ধাওয়ার পর ভেনেজুয়েলা সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে মার্কিন বিশেষ বাহিনী। রুশ পতাকা লাগিয়ে এবং নাম পরিবর্তন করে পার পাওয়ার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি ‘মেরিনেরা’ (আগের নাম বেলা-১) নামক এই বিশাল জাহাজটির। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড এই
২ ঘণ্টা আগে