ডয়চে ভেলে

লাতিন আমেরিকান কারেন্সি চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। তাঁর এই প্রস্তাব নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
লাতিন আমেরিকার ১২টি দেশকে নিয়ে বিরাট সম্মেলনের আয়োজন করেছে ব্রাজিল। সেখানেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা গোটা দক্ষিণ আমেরিকায় বাণিজ্যের জন্য একটি নতুন কারেন্সির প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্য দেশগুলোও এই প্রস্তাব সমর্থন করেছে। ডলার বন্ধের কথা বলে লুলা বলেছেন, ‘দক্ষিণ আমেরিকার ভেতরে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমাদের বিদেশি কারেন্সির ওপর নির্ভর করতে হয়। তার বদলে আমরা নিজেদের একটি কারেন্সি তৈরি করতে পারি।’ বস্তুত, নতুন এই কারেন্সি কীভাবে তৈরি করা যায়, তা দেখতে বিভিন্ন দেশের ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত এক দশকে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো ক্রমশ দক্ষিণপন্থীদের হাতে চলে গিয়েছিল। ফের তা বামপন্থীদের হাতে আসতে শুরু করেছে। ব্রাজিলের সম্মেলনকে তেমনই এক বামপন্থী জোটের বৈঠক হিসেবে চিহ্নিত করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, একসময় লাতিন আমেরিকায় উনাসুর ব্লক যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা অকেজো হয়ে পড়েছিল। লুলার নেতৃত্বে ফের তা তৈরি হচ্ছে।
মোট ১২টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। পেরুর রাষ্ট্রপ্রধান কেবল আসতে পারেননি। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে দেশের ভেতরে ফৌজদারি মামলা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধান সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট দক্ষিণপন্থী বলসোনারো ভেনেজুয়েলার প্রধানকে একনায়ক বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তাঁকে কোনো সম্মেলনে ডাকা হতো না। লুলা এদিন তাঁর প্রশংসা করেছেন। আর্জেন্টিনার প্রধানও তাঁর প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে কলম্বিয়ার প্রধান জানিয়েছেন, একটি সংঘবদ্ধ লাতিন আমেরিকা গড়ে তোলার সময় এসেছে। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমঝোতা হওয়া জরুরি।
লুলার নেতৃত্বে লাতিন আমেরিকায় বামপন্থী ব্লক শক্তিশালী হলে বিশ্ব রাজনীতির অঙ্ক ফের নতুন পথে আবর্তিত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

লাতিন আমেরিকান কারেন্সি চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। তাঁর এই প্রস্তাব নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
লাতিন আমেরিকার ১২টি দেশকে নিয়ে বিরাট সম্মেলনের আয়োজন করেছে ব্রাজিল। সেখানেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা গোটা দক্ষিণ আমেরিকায় বাণিজ্যের জন্য একটি নতুন কারেন্সির প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্য দেশগুলোও এই প্রস্তাব সমর্থন করেছে। ডলার বন্ধের কথা বলে লুলা বলেছেন, ‘দক্ষিণ আমেরিকার ভেতরে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমাদের বিদেশি কারেন্সির ওপর নির্ভর করতে হয়। তার বদলে আমরা নিজেদের একটি কারেন্সি তৈরি করতে পারি।’ বস্তুত, নতুন এই কারেন্সি কীভাবে তৈরি করা যায়, তা দেখতে বিভিন্ন দেশের ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত এক দশকে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো ক্রমশ দক্ষিণপন্থীদের হাতে চলে গিয়েছিল। ফের তা বামপন্থীদের হাতে আসতে শুরু করেছে। ব্রাজিলের সম্মেলনকে তেমনই এক বামপন্থী জোটের বৈঠক হিসেবে চিহ্নিত করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, একসময় লাতিন আমেরিকায় উনাসুর ব্লক যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা অকেজো হয়ে পড়েছিল। লুলার নেতৃত্বে ফের তা তৈরি হচ্ছে।
মোট ১২টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। পেরুর রাষ্ট্রপ্রধান কেবল আসতে পারেননি। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে দেশের ভেতরে ফৌজদারি মামলা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধান সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট দক্ষিণপন্থী বলসোনারো ভেনেজুয়েলার প্রধানকে একনায়ক বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তাঁকে কোনো সম্মেলনে ডাকা হতো না। লুলা এদিন তাঁর প্রশংসা করেছেন। আর্জেন্টিনার প্রধানও তাঁর প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে কলম্বিয়ার প্রধান জানিয়েছেন, একটি সংঘবদ্ধ লাতিন আমেরিকা গড়ে তোলার সময় এসেছে। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমঝোতা হওয়া জরুরি।
লুলার নেতৃত্বে লাতিন আমেরিকায় বামপন্থী ব্লক শক্তিশালী হলে বিশ্ব রাজনীতির অঙ্ক ফের নতুন পথে আবর্তিত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৫ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৭ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৮ ঘণ্টা আগে