
ভারতে ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দার্শনিক নোয়াম চমস্কি। বিখ্যাত এ চিন্তকের মতে, পশ্চিমজুড়েই ‘ইসলামভীতিজনিত বিকার’ দিনে দিনে বাড়ছে। ভারতে এ বিকার চরম ও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। সেখানে নরেন্দ্র মোদি সরকার ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রকে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংস করছে। ভারতকে একটি ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী’ রাষ্ট্রে পরিণত করার পথে হাঁটছে তারা।
ভারতে চলমান সাম্প্রদায়িক সংঘাত নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে এক ভিডিও বার্তায় নিজের এই মতামত তুলে ধরেন নোয়াম চমস্কি। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ‘ওয়ারসেনিং হেইট স্পিচ অ্যান্ড ভায়োলেন্স ইন ইন্ডিয়া’ শীর্ষক এ কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ের আয়োজক ছিল ১৭টি সংগঠন। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, জেনোসাইড ওয়াচ, ইন্ডিয়ান আমেরিকান মুসলিম কাউন্সিল, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান কনসার্ন, দলিত সলিডারিটি ফোরাম ও হিন্দুজ ফর হিউম্যান রাইটস। এটি ছিল এক মাসের মধ্যে এ ধরনের তৃতীয় আয়োজন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক নোয়াম চমস্কি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান বুদ্ধিজীবী এবং ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ইমেরিটাস অধ্যাপক।
ভারতের সংখ্যালঘু নিপীড়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ৯৩ বছর বয়স্ক ভাষাবিদ নোয়াম চমস্কি বলেন, ‘ভারতে ইসলামভীতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। দেশটিতে বসবাসরত ২৫ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠী একটি নিপীড়িত সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ দেশে নানা রূপে নিপীড়নের ঘটনা ঘটে চলেছে। স্বাধীন চিন্তার বিরুদ্ধে আক্রমণ এবং মূলত মুসলিমদের বিরুদ্ধে শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার এর মধ্যে অন্যতম। তবে এখন নিপীড়নের পরিধি সেসব ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কাশ্মীরে ভারতের ভয়ানক অপরাধের চেয়ে নিপীড়নের এ ধারা আলাদা; এসব অপরাধের একটা দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী শাসনাধীনে নিপীড়নের এসব রূপের চরম বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।’
এ আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর জন সিফটন। তিনি বলেন, মোদি সরকারের হিন্দুত্বের প্রসারের উদ্যোগ ভারতীয় সংবিধানের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের মৌলিক ভিত্তি ধর্মনিরপেক্ষতা এবং দেশটির ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের এর জন্য মূল্য দিতে হচ্ছে। আরও ভয়ানক ব্যাপার হলো, ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নির্বাচন কমিশন, বিচারব্যবস্থা এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নিরপেক্ষতা ক্রমে প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
এ মানবাধিকারকর্মী আরও বলেন, ভারতের যে নিজস্ব পরিচিতি—একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ, বহুত্ববাদী জাতিরাষ্ট্র হিসেবে ভারত সম্পর্কে যে প্রতিষ্ঠিত ধারণা—সেটিকে এই অধঃপতিত পরিস্থিতি হুমকির মুখে ফেলেছে। সেই সঙ্গে বিশ্বদরবারে একটি কার্যকর, অধিকারসচেতন গণতন্ত্রের বিষয়ে ভারতের অবস্থানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ভারতে ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দার্শনিক নোয়াম চমস্কি। বিখ্যাত এ চিন্তকের মতে, পশ্চিমজুড়েই ‘ইসলামভীতিজনিত বিকার’ দিনে দিনে বাড়ছে। ভারতে এ বিকার চরম ও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। সেখানে নরেন্দ্র মোদি সরকার ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রকে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংস করছে। ভারতকে একটি ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী’ রাষ্ট্রে পরিণত করার পথে হাঁটছে তারা।
ভারতে চলমান সাম্প্রদায়িক সংঘাত নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে এক ভিডিও বার্তায় নিজের এই মতামত তুলে ধরেন নোয়াম চমস্কি। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ‘ওয়ারসেনিং হেইট স্পিচ অ্যান্ড ভায়োলেন্স ইন ইন্ডিয়া’ শীর্ষক এ কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ের আয়োজক ছিল ১৭টি সংগঠন। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, জেনোসাইড ওয়াচ, ইন্ডিয়ান আমেরিকান মুসলিম কাউন্সিল, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান কনসার্ন, দলিত সলিডারিটি ফোরাম ও হিন্দুজ ফর হিউম্যান রাইটস। এটি ছিল এক মাসের মধ্যে এ ধরনের তৃতীয় আয়োজন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক নোয়াম চমস্কি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান বুদ্ধিজীবী এবং ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ইমেরিটাস অধ্যাপক।
ভারতের সংখ্যালঘু নিপীড়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ৯৩ বছর বয়স্ক ভাষাবিদ নোয়াম চমস্কি বলেন, ‘ভারতে ইসলামভীতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। দেশটিতে বসবাসরত ২৫ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠী একটি নিপীড়িত সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ দেশে নানা রূপে নিপীড়নের ঘটনা ঘটে চলেছে। স্বাধীন চিন্তার বিরুদ্ধে আক্রমণ এবং মূলত মুসলিমদের বিরুদ্ধে শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার এর মধ্যে অন্যতম। তবে এখন নিপীড়নের পরিধি সেসব ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কাশ্মীরে ভারতের ভয়ানক অপরাধের চেয়ে নিপীড়নের এ ধারা আলাদা; এসব অপরাধের একটা দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী শাসনাধীনে নিপীড়নের এসব রূপের চরম বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।’
এ আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর জন সিফটন। তিনি বলেন, মোদি সরকারের হিন্দুত্বের প্রসারের উদ্যোগ ভারতীয় সংবিধানের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের মৌলিক ভিত্তি ধর্মনিরপেক্ষতা এবং দেশটির ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের এর জন্য মূল্য দিতে হচ্ছে। আরও ভয়ানক ব্যাপার হলো, ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নির্বাচন কমিশন, বিচারব্যবস্থা এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নিরপেক্ষতা ক্রমে প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
এ মানবাধিকারকর্মী আরও বলেন, ভারতের যে নিজস্ব পরিচিতি—একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ, বহুত্ববাদী জাতিরাষ্ট্র হিসেবে ভারত সম্পর্কে যে প্রতিষ্ঠিত ধারণা—সেটিকে এই অধঃপতিত পরিস্থিতি হুমকির মুখে ফেলেছে। সেই সঙ্গে বিশ্বদরবারে একটি কার্যকর, অধিকারসচেতন গণতন্ত্রের বিষয়ে ভারতের অবস্থানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৮ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১২ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১৪ ঘণ্টা আগে