ভারতে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপির শাসনকে হিটলার-স্তালিন ও মুসোলিনির শাসনকালের চেয়েও খারাপ। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের কার্যক্রমে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে এ কথা বলেছেন। সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে রাজ্য সরকারের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে এমন অভিযোগ করে তৃণমূল নেত্রী বলেছেন, ‘বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের ফেডারেল কাঠামোকেই ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।’
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ‘বিজেপির শাসন অ্যাডলফ হিটলার, জোসেফ স্তালিন এবং বেনিতো মুসোলিনির শাসনের চেয়েও খারাপ।’
এ সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থেই কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে রাজ্য সরকারের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকার দেশের ফেডারেল কাঠামো ধ্বংস করে দিচ্ছে। এক তুঘলকি কারবার চলছে দেশজুড়ে। কিন্তু এমনটা হতে দেওয়া যায় না।’
এদিকে, ভাঙন অব্যাহত রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটে। সর্বশেষ লোকসভা সদস্য ও বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তাঁর পুরোনো দল তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে গিয়েছেন। তাঁর তৃণমূলে যোগদান পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে রীতিমতো কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছে। কল্পনা-জল্পনা শুরু হয়েছে আরও বড় ভাঙনের।
এর আগে, প্রথমে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে আসেন। তারপর একে একে তৃণমূলে ফেরেন সাবেক মন্ত্রী ও লোকসভা সদস্য বাবুল সুপ্রিয়, সাবেক মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, লোকসভার সদস্য সুনীল মণ্ডল থেকে শুরু করে একদল বিজেপি নেতা। এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন অর্জুন সিং। অর্জুন সিংয়ের পর কল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপির লোকসভা সদস্য লকেট চ্যাটার্জিকে নিয়েও।

ইরানে চলমান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট সাধারণ মানুষের জীবনে বহুমাত্রিক চাপ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা মানুষের আয়ের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে অনেকের জীবন এখন ‘শূন্য আয়’-এর...
৯ ঘণ্টা আগে
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে কোনো নৌযানকে মাইন বসাতে দেখলে সেটিকে সরাসরি ধ্বংস বা গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গাঁজা পুনঃ শ্রেণিবিন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েক মাস ধরে ফেডারেল পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত তাঁর নিজ দলের কিছু রিপাবলিকান নেতার মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় প্রথমে এপামিনোডাস জাহাজটি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এরপর ইউফোরিয়া ও এমএসসি ফ্রান্সেসকা নামে আরও দুটি জাহাজে গুলি চালানো হলে তারা থামতে বাধ্য হয়।
১০ ঘণ্টা আগে