
কংগ্রেসের দলীয় প্রধান নির্বাচন নিয়ে ক্রমেই রাজনীতি ঘনীভূত হচ্ছে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এবং আরেক প্রবীণ নেতা শশী থারুরের লড়াইয়ের বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট। এরই মধ্যে নতুন চমক হাজির করেছেন কংগ্রেসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদের জন্য লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনিও।
কংগ্রেস দলীয় পদে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি গ্রহণ করায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট যদি দলীয় প্রধান হন তবে তাঁকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে। সে ক্ষেত্রে অশোক গেহলটের প্রতিদ্বন্দ্বী শচীন পাইলট আসতে পারেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদে। এই বিষয়টিকেই সামনে এনেছেন দিগ্বিজয় সিং।
কয়েক মাস আগ অনুষ্ঠিত উদয়পুর চিন্তনশিবিরে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় এবং রাষ্ট্রীয় কোনো পদে থাকতে পারবেন না। এই বিষয়ে মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘অবশ্যই তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।’
এনডিটিভির পক্ষ থেকে তাঁকে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে শশী থারুর নাকি অশোক গেহলট কাকে দেখতে চান প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক। আমি তো নিজেকেও এই পদে লড়তে পারি। আপনারা আমাকে কেন বিবেচনা করছেন না?’ এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিগত ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৃতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন।
এই বিষয়ে মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রত্যেকেরই প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকার রয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সবকিছু জানতে পারবেন।’ উল্লেখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট পদে দলীয় মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন।
গান্ধী পরিবারের কোনো সদস্যের কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে না লড়ার বিষয়টি কোনো চিন্তার বিষয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে দিগ্বিজয় সিং বলেন, ‘এটি কোনো চিন্তার বিষয় না।’

কংগ্রেসের দলীয় প্রধান নির্বাচন নিয়ে ক্রমেই রাজনীতি ঘনীভূত হচ্ছে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এবং আরেক প্রবীণ নেতা শশী থারুরের লড়াইয়ের বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট। এরই মধ্যে নতুন চমক হাজির করেছেন কংগ্রেসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদের জন্য লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনিও।
কংগ্রেস দলীয় পদে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি গ্রহণ করায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট যদি দলীয় প্রধান হন তবে তাঁকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে। সে ক্ষেত্রে অশোক গেহলটের প্রতিদ্বন্দ্বী শচীন পাইলট আসতে পারেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদে। এই বিষয়টিকেই সামনে এনেছেন দিগ্বিজয় সিং।
কয়েক মাস আগ অনুষ্ঠিত উদয়পুর চিন্তনশিবিরে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় এবং রাষ্ট্রীয় কোনো পদে থাকতে পারবেন না। এই বিষয়ে মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘অবশ্যই তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।’
এনডিটিভির পক্ষ থেকে তাঁকে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে শশী থারুর নাকি অশোক গেহলট কাকে দেখতে চান প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক। আমি তো নিজেকেও এই পদে লড়তে পারি। আপনারা আমাকে কেন বিবেচনা করছেন না?’ এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিগত ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৃতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন।
এই বিষয়ে মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রত্যেকেরই প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকার রয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সবকিছু জানতে পারবেন।’ উল্লেখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট পদে দলীয় মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন।
গান্ধী পরিবারের কোনো সদস্যের কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে না লড়ার বিষয়টি কোনো চিন্তার বিষয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে দিগ্বিজয় সিং বলেন, ‘এটি কোনো চিন্তার বিষয় না।’

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪১ মিনিট আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৪ ঘণ্টা আগে