কলকাতা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটে প্রচারে গিয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নয়, এএপির মোকাবিলা করতে হবে বিজেপিকে। এএপি সহজে লড়াইয়ের ময়দান ছাড়বে না বলেও হুমকি দেন তিনি।
অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্যে হারতে ভয় পাচ্ছে। জনগণ বিজেপির গুন্ডামিতে রাগান্বিত হয়ে আছে। তবে বিজেপি কেজরিওয়ালের এই হুংকারকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আর কংগ্রেস এএপির এই হুংকারকে কটাক্ষ করে বলেছে, বিজেপির সুবিধা করে দিতেই এএপি গুজরাটে অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে।
চলতি বছরেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন। পাঞ্জাবে ক্ষমতা দখলের পর এএপি এখন পাখির চোখ করেছে মোদি-অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটকে। শনিবার গুজরাটে প্রচারে গিয়ে এএপির প্রধান বলেন, ‘বিজেপির ক্রমবর্ধমান গুন্ডামিতে মানুষ বিজেপির ওপর রাগান্বিত। তাই এএপিকে আটকানোর চেষ্টা চলছে।’ রাজকোটের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিজেপি গণমাধ্যমকে বলেছে এএপিকে বয়কট করার জন্য। আমরা তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছি। বিজেপি নেতাদের মনে রাখা উচিত, তাদের এএপির সঙ্গে লড়তে হবে, কংগ্রেস নয়।’
বিজেপির হিন্দুত্ববাদ নিয়েও দলটিকে একহাত নেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর মতে, ‘বিজেপি হিংসায় বিশ্বাসী। কিন্তু হিন্দু ধর্ম হিংসাকে প্রশ্রয় দেয় না।’ আর এ কারণেই বিজেপির ২৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে গুজরাটে সরকার গঠনের বিষয়ে আশাবাদী কেজরিওয়াল।
এএপির আরেক নেতা ও দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার দাবি, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোদীর সঙ্গে টক্কর দেবেন কেজরিওয়াল। তবে বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র পাল্টা কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘দুর্নীতির অভিযোগ থেকে নিজেদের আড়াল করতে লম্ফঝম্ফ শুরু করেছে এএপি।’ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মতে, ‘পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের মতো এএপিও কংগ্রেসকে দুর্বল করে বিজেপির হাত শক্ত করার কৌশল নিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটে প্রচারে গিয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নয়, এএপির মোকাবিলা করতে হবে বিজেপিকে। এএপি সহজে লড়াইয়ের ময়দান ছাড়বে না বলেও হুমকি দেন তিনি।
অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্যে হারতে ভয় পাচ্ছে। জনগণ বিজেপির গুন্ডামিতে রাগান্বিত হয়ে আছে। তবে বিজেপি কেজরিওয়ালের এই হুংকারকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আর কংগ্রেস এএপির এই হুংকারকে কটাক্ষ করে বলেছে, বিজেপির সুবিধা করে দিতেই এএপি গুজরাটে অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে।
চলতি বছরেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন। পাঞ্জাবে ক্ষমতা দখলের পর এএপি এখন পাখির চোখ করেছে মোদি-অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটকে। শনিবার গুজরাটে প্রচারে গিয়ে এএপির প্রধান বলেন, ‘বিজেপির ক্রমবর্ধমান গুন্ডামিতে মানুষ বিজেপির ওপর রাগান্বিত। তাই এএপিকে আটকানোর চেষ্টা চলছে।’ রাজকোটের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিজেপি গণমাধ্যমকে বলেছে এএপিকে বয়কট করার জন্য। আমরা তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছি। বিজেপি নেতাদের মনে রাখা উচিত, তাদের এএপির সঙ্গে লড়তে হবে, কংগ্রেস নয়।’
বিজেপির হিন্দুত্ববাদ নিয়েও দলটিকে একহাত নেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর মতে, ‘বিজেপি হিংসায় বিশ্বাসী। কিন্তু হিন্দু ধর্ম হিংসাকে প্রশ্রয় দেয় না।’ আর এ কারণেই বিজেপির ২৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে গুজরাটে সরকার গঠনের বিষয়ে আশাবাদী কেজরিওয়াল।
এএপির আরেক নেতা ও দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার দাবি, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোদীর সঙ্গে টক্কর দেবেন কেজরিওয়াল। তবে বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র পাল্টা কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘দুর্নীতির অভিযোগ থেকে নিজেদের আড়াল করতে লম্ফঝম্ফ শুরু করেছে এএপি।’ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মতে, ‘পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের মতো এএপিও কংগ্রেসকে দুর্বল করে বিজেপির হাত শক্ত করার কৌশল নিয়েছে।’

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৫ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৮ ঘণ্টা আগে