
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক নারী তাঁর স্বামীকে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য করেন। স্বামীকে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, এই অর্থে তাঁদের মেয়ের পড়াশোনা ও বিয়ের খরচ চলবে। কিন্তু কিডনি বিক্রির পর সেই নারী পুরো টাকা নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।
রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শঙ্করাইলের এক নারী তাঁর স্বামীকে বুঝিয়ে বলেন, মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য টাকা জমানো দরকার। তাই তিনি স্বামীকে কিডনি বিক্রি করতে উৎসাহিত করেন।
স্ত্রীর অনবরত অনুরোধে স্বামী শেষ পর্যন্ত রাজি হন। এক বছরের চেষ্টার পর তিন মাস আগে একজন ‘ক্রেতা’ খুঁজে পান তাঁরা। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের একটি কিডনি বিক্রি করেন স্বামী। তিনি আশা করেছিলেন, এতে পরিবারের দারিদ্র্য কিছুটা হলেও কমবে এবং মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ হবে। কিন্তু তিনি জানতেন না, তাঁর স্ত্রীর মনে অন্য কিছু চলছে!
স্বামী যখন অর্থের জন্য নিজের কিডনি বিক্রি করছেন, তাঁর স্ত্রী তখন ফেসবুকে এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই ব্যক্তি ব্যারাকপুরের এক চিত্রশিল্পী। সম্পর্ক গভীর হওয়ায় কিডনি বিক্রির ১০ লাখ টাকা নিয়েই তাঁরা পালিয়ে যান।
ঘটনার পর হতভাগ্য স্বামী পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন এবং স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিকের সন্ধানও পান। পরে পরিবারের সদস্য, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ১০ বছরের মেয়েকে নিয়ে সেখানে হাজির হন তিনি।
তবে ব্যারাকপুরে চিত্রশিল্পীর সেই বাড়িতে অনেক ডাকাডাকির পরও কোনোভাবেই দরজা খোলেননি স্ত্রী। স্বামীর অনুরোধ, শ্বশুর-শাশুড়ির কান্না, এমনকি নিজের মেয়ের আহ্বানেও তিনি বাইরে আসেননি। উল্টো স্বামীকে ডিভোর্সের হুমকি দিয়ে বলেন, ‘যা পারো, করো!’
ভারতে ১৯৯৪ সাল থেকে মানব অঙ্গ বিক্রি অবৈধ হলেও অঙ্গদাতার সংকটের কারণে এই অনৈতিক কাজ এখনো চলে আসছে বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
এই ঘটনায় হতভাগ্য স্বামী এখন আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তাঁর কিডনি গেছে, স্ত্রীও চলে গেছেন এবং যে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটিও ভেঙে গেছে!

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক নারী তাঁর স্বামীকে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য করেন। স্বামীকে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, এই অর্থে তাঁদের মেয়ের পড়াশোনা ও বিয়ের খরচ চলবে। কিন্তু কিডনি বিক্রির পর সেই নারী পুরো টাকা নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।
রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শঙ্করাইলের এক নারী তাঁর স্বামীকে বুঝিয়ে বলেন, মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য টাকা জমানো দরকার। তাই তিনি স্বামীকে কিডনি বিক্রি করতে উৎসাহিত করেন।
স্ত্রীর অনবরত অনুরোধে স্বামী শেষ পর্যন্ত রাজি হন। এক বছরের চেষ্টার পর তিন মাস আগে একজন ‘ক্রেতা’ খুঁজে পান তাঁরা। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের একটি কিডনি বিক্রি করেন স্বামী। তিনি আশা করেছিলেন, এতে পরিবারের দারিদ্র্য কিছুটা হলেও কমবে এবং মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ হবে। কিন্তু তিনি জানতেন না, তাঁর স্ত্রীর মনে অন্য কিছু চলছে!
স্বামী যখন অর্থের জন্য নিজের কিডনি বিক্রি করছেন, তাঁর স্ত্রী তখন ফেসবুকে এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই ব্যক্তি ব্যারাকপুরের এক চিত্রশিল্পী। সম্পর্ক গভীর হওয়ায় কিডনি বিক্রির ১০ লাখ টাকা নিয়েই তাঁরা পালিয়ে যান।
ঘটনার পর হতভাগ্য স্বামী পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন এবং স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিকের সন্ধানও পান। পরে পরিবারের সদস্য, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ১০ বছরের মেয়েকে নিয়ে সেখানে হাজির হন তিনি।
তবে ব্যারাকপুরে চিত্রশিল্পীর সেই বাড়িতে অনেক ডাকাডাকির পরও কোনোভাবেই দরজা খোলেননি স্ত্রী। স্বামীর অনুরোধ, শ্বশুর-শাশুড়ির কান্না, এমনকি নিজের মেয়ের আহ্বানেও তিনি বাইরে আসেননি। উল্টো স্বামীকে ডিভোর্সের হুমকি দিয়ে বলেন, ‘যা পারো, করো!’
ভারতে ১৯৯৪ সাল থেকে মানব অঙ্গ বিক্রি অবৈধ হলেও অঙ্গদাতার সংকটের কারণে এই অনৈতিক কাজ এখনো চলে আসছে বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
এই ঘটনায় হতভাগ্য স্বামী এখন আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তাঁর কিডনি গেছে, স্ত্রীও চলে গেছেন এবং যে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটিও ভেঙে গেছে!

তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
১ ঘণ্টা আগে
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ভিসা রয়েছে প্রায় ৮ হাজারের বেশি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়...
৪ ঘণ্টা আগে
কানাডার সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের জন্য পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভার্চুয়াল অ্যাম্বাসি’ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘এখনই ইরান ত্যাগ করুন।’ এতে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর না করে ইরান ছাড়ার জন্য নিজস্ব পরিকল্পনা রাখুন।’
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, তাঁর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। চাইলে ওয়াশিংটন ‘যাচাই’ করে দেখতে পারে। তবে ইরান আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনের জবাবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার...
৫ ঘণ্টা আগে