আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এলডাস ম্যাথিউ পান্নোস স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, ১৯৭১ সাল থেকেই পাকিস্তানিদের যৌন সহিংসতা চলে আসছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘সংঘাত-সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতা’ বিষয়ক উন্মুক্ত আলোচনায় ভারতের বক্তব্য উপস্থাপন করতে গিয়ে পান্নোস বলেন, পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর যৌন অপরাধ আজও অব্যাহত রয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সেনারা শতসহস্র নারীর ওপর যে নৃশংস যৌন সহিংসতা চালিয়েছিল, তা এক লজ্জাজনক ইতিহাস। দুঃখজনকভাবে এই ভয়াবহ ধারা আজও বিনা বাধায় চলমান।’ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনরত পাকিস্তানকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ভারত জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশি নারীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে।
পান্নোস আরও বলেন, ‘অপহরণ, মানবপাচার, অল্পবয়সী মেয়েদের বাল্যবিয়ে ও জোরপূর্বক বিবাহ, গৃহস্থালি দাসত্ব, যৌন সহিংসতা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসব অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নারী ও কন্যাশিশুদের নিপীড়নের জন্য। এসব ঘটনা বিভিন্ন প্রতিবেদনে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানের রক্ষণশীল বিচারব্যবস্থা পর্যন্ত এসব অপরাধকে প্রশ্রয় দিয়ে থাকে। তাঁর ভাষায়, ‘এসব প্রতিবেদনে দেখা যায়, পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থাও এসব জঘন্য অপরাধকে বৈধতা দিয়েছে। অথচ যারা এই অপরাধে জড়িত, তারাই এখন ন্যায়বিচারের রক্ষক সেজে বসেছে—এটা নিছক ভণ্ডামি ও প্রতারণা।’
পান্নোস বলেন, এমন ভয়াবহ অপরাধের অপরাধীদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, কারণ এই অপরাধ শুধু ভুক্তভোগীর জীবনকেই ধ্বংস করে না, পুরো সমাজকেও ক্ষতবিক্ষত করে। তিনি আরও বলেন, ‘সংঘাত-সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের তীব্রভাবে নিন্দা জানাতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে। এ ধরনের সহিংসতা শুধু ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, সমাজের বুননকেও ছিঁড়ে ফেলে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গভীর ক্ষত রেখে যায়।’

জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এলডাস ম্যাথিউ পান্নোস স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, ১৯৭১ সাল থেকেই পাকিস্তানিদের যৌন সহিংসতা চলে আসছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘সংঘাত-সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতা’ বিষয়ক উন্মুক্ত আলোচনায় ভারতের বক্তব্য উপস্থাপন করতে গিয়ে পান্নোস বলেন, পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর যৌন অপরাধ আজও অব্যাহত রয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সেনারা শতসহস্র নারীর ওপর যে নৃশংস যৌন সহিংসতা চালিয়েছিল, তা এক লজ্জাজনক ইতিহাস। দুঃখজনকভাবে এই ভয়াবহ ধারা আজও বিনা বাধায় চলমান।’ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনরত পাকিস্তানকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ভারত জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশি নারীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে।
পান্নোস আরও বলেন, ‘অপহরণ, মানবপাচার, অল্পবয়সী মেয়েদের বাল্যবিয়ে ও জোরপূর্বক বিবাহ, গৃহস্থালি দাসত্ব, যৌন সহিংসতা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসব অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নারী ও কন্যাশিশুদের নিপীড়নের জন্য। এসব ঘটনা বিভিন্ন প্রতিবেদনে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানের রক্ষণশীল বিচারব্যবস্থা পর্যন্ত এসব অপরাধকে প্রশ্রয় দিয়ে থাকে। তাঁর ভাষায়, ‘এসব প্রতিবেদনে দেখা যায়, পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থাও এসব জঘন্য অপরাধকে বৈধতা দিয়েছে। অথচ যারা এই অপরাধে জড়িত, তারাই এখন ন্যায়বিচারের রক্ষক সেজে বসেছে—এটা নিছক ভণ্ডামি ও প্রতারণা।’
পান্নোস বলেন, এমন ভয়াবহ অপরাধের অপরাধীদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, কারণ এই অপরাধ শুধু ভুক্তভোগীর জীবনকেই ধ্বংস করে না, পুরো সমাজকেও ক্ষতবিক্ষত করে। তিনি আরও বলেন, ‘সংঘাত-সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের তীব্রভাবে নিন্দা জানাতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে। এ ধরনের সহিংসতা শুধু ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, সমাজের বুননকেও ছিঁড়ে ফেলে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গভীর ক্ষত রেখে যায়।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
১ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
২ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৫ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৫ ঘণ্টা আগে