
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেছেন, নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যকার ‘বন্ধুত্ব পৃথিবীর সর্বোচ্চ পাহাড়ের চেয়েও উঁচু এবং গভীরতম সমুদ্রের চেয়েও গভীর।’ গতকাল মঙ্গলবার ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাজনাথ সিং এ কথা বলেন। পাশাপাশি দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ‘চলমান এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহে’ একটি বিস্তৃত প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে রাজনাথ সিং জোর দিয়ে বলেছেন, ভারত ‘সব সময় তাঁর রুশ বন্ধুদের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’ তাঁর এই মন্তব্য রাশিয়া ও মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ভারতীয় কৌশলকেই স্পষ্ট করে তোলে।
এই বৈঠকের বিষয়ে অবগত এক ভারতীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘পুতিন এবং রাজনাথ সিং মনে করেন যে, দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং তাদের যৌথ প্রচেষ্টা অসাধারণ ফলাফলের পথ তৈরি করবে।’
এদিকে, পুতিন এবং রাজনাথ সিংয়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হলেও ২১তম ভারত-রাশিয়া আন্তসরকার কমিশনের সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদল বেশ কয়েকটি উদ্বেগ উত্থাপন করেছে। এই বৈঠক সিং এবং রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে বেলোসভের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র জানিয়েছে, ভারত মস্কোকে এস-৪০০ ট্রাইয়াম্ফ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বাকি দুই স্কোয়াড্রন সরবরাহ দ্রুত শেষ করার জন্য অনুরোধ করেছে। পাশাপাশি এগুলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভারতে একটি প্রকৌশলগত ফ্যাসিলিটি স্থাপনের কথা বলেছে। এ ছাড়া, অন্যান্য অস্ত্র ব্যবস্থা এবং প্ল্যাটফর্মগুলো যেমন—সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে টি-৯০ এস মেইন ব্যাটল ট্যাংক—সময়মতো সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং খুচরা যন্ত্রাংশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভারতের বিদ্যমান ২৫৯টি সুখোই যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং ডিউরেবিলিটি বা স্থায়িত্ব বাড়াতে প্রযুক্তি স্থানান্তরের পরিমাণ বাড়ানোর জন্যও মস্কোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই বিমানগুলোর বেশির ভাগই রাশিয়ার লাইসেন্সের অধীনে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডে নির্মাণ (মূলত সংযোজন) করেছে। এতে ব্যয় হয়েছে ১২ বিলিয়ন ডলার।
রাশিয়ান প্রতিরক্ষা শিল্পকে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পগুলোতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য নতুন সুযোগ খুঁজতে অনুরোধ জানিয়ে রাজনাথ সিং উল্লেখ করেন, ২০২১-৩১ সালের সামরিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চুক্তি বাস্তবায়ন এই প্রচেষ্টাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রেরণা জোগাবে।
উত্তর প্রদেশের আমেথি জেলার কোরওয়া অস্ত্র কারখানায় একে-২০৩ কালাশনিকভ রাইফেলের চলমান যৌথ উৎপাদনকে ‘সফলতা’ বলে উল্লেখ করে রাজনাথ রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছেন, রাশিয়াকে ভারতে এমন পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো এবং অন্যান্য দেশে রপ্তানির বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া উচিত।
চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ভারতের জন্য এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সরবরাহে বড় ধরনের বিলম্ব ঘটিয়েছে। ২০১৮ সালে ৫৪৩ কোটি ডলার (প্রায় ৪০ হাজার কোটি রুপি) মূল্যের চুক্তির অধীনে এটি কেনা হয়েছিল।
ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রথম তিনটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে। এটি ৩৮০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রুর কৌশলগত বোমারু বিমান, জেট, গোয়েন্দা বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। এগুলো ভারতের উত্তর-পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতে মোতায়েন করা হয়েছে। মূলত পাকিস্তান ও চীনের বিরুদ্ধে এসব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাটারি মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বাকি দুই ইউনিট ২০২৬ সালের আগে পাওয়া সম্ভব নয়।
এদিকে, বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সুখোই বিমানগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য আরও ১২টি জেট সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪০টি এল-৩১ এফপি ইঞ্জিনের জন্য ২৬ হাজার কোটি রুপির চুক্তি করেছে। এগুলো রাশিয়ার সহায়তায় হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকসের কোরাপুট বিভাগে নির্মিত হবে।
বিদ্যমান সুখোইগুলোর জন্য উন্নত রাডার, অ্যাভিওনিকস, দূরপাল্লার অস্ত্র এবং মাল্টিসেন্সর ফিউশনসহ আরও কার্যকর করার জন্য ৬৩ হাজার কোটি টাকার বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলোকে আগামী ৩০ বছর ধরে এরিয়াল ফাইট বা আকাশযুদ্ধের উপযোগী করে তোলা হবে।
রাশিয়া এখনো ভারতের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী এবং ভারতের মোট আমদানি করা অস্ত্রের ৩৬ শতাংশের বেশি আসে রাশিয়া থেকে। তবে নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ানোর দিকে ভারত জোর দিচ্ছে এবং গত দুই দশকে সামরিক হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকেছে।
তবু এখনো ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বিদ্যমান সরঞ্জামের প্রায় ৬০ শতাংশই রাশিয়ার, যার মধ্যে আছে সুখোই-৩০ এমকেআই এবং মিগ-২৯-এর মতো যুদ্ধবিমান, আইএনএস বিক্রমাদিত্য বিমানবাহী রণতরি, তলওয়ার এবং তেগ-শ্রেণির ফ্রিগেট, কিলো-ক্লাস ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন, এএন-৩২ মাঝারি পরিবহন বিমান এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টারের মতো সরঞ্জাম।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেছেন, নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যকার ‘বন্ধুত্ব পৃথিবীর সর্বোচ্চ পাহাড়ের চেয়েও উঁচু এবং গভীরতম সমুদ্রের চেয়েও গভীর।’ গতকাল মঙ্গলবার ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাজনাথ সিং এ কথা বলেন। পাশাপাশি দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ‘চলমান এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহে’ একটি বিস্তৃত প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে রাজনাথ সিং জোর দিয়ে বলেছেন, ভারত ‘সব সময় তাঁর রুশ বন্ধুদের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’ তাঁর এই মন্তব্য রাশিয়া ও মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ভারতীয় কৌশলকেই স্পষ্ট করে তোলে।
এই বৈঠকের বিষয়ে অবগত এক ভারতীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘পুতিন এবং রাজনাথ সিং মনে করেন যে, দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং তাদের যৌথ প্রচেষ্টা অসাধারণ ফলাফলের পথ তৈরি করবে।’
এদিকে, পুতিন এবং রাজনাথ সিংয়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হলেও ২১তম ভারত-রাশিয়া আন্তসরকার কমিশনের সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদল বেশ কয়েকটি উদ্বেগ উত্থাপন করেছে। এই বৈঠক সিং এবং রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে বেলোসভের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র জানিয়েছে, ভারত মস্কোকে এস-৪০০ ট্রাইয়াম্ফ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বাকি দুই স্কোয়াড্রন সরবরাহ দ্রুত শেষ করার জন্য অনুরোধ করেছে। পাশাপাশি এগুলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভারতে একটি প্রকৌশলগত ফ্যাসিলিটি স্থাপনের কথা বলেছে। এ ছাড়া, অন্যান্য অস্ত্র ব্যবস্থা এবং প্ল্যাটফর্মগুলো যেমন—সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে টি-৯০ এস মেইন ব্যাটল ট্যাংক—সময়মতো সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং খুচরা যন্ত্রাংশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভারতের বিদ্যমান ২৫৯টি সুখোই যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং ডিউরেবিলিটি বা স্থায়িত্ব বাড়াতে প্রযুক্তি স্থানান্তরের পরিমাণ বাড়ানোর জন্যও মস্কোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই বিমানগুলোর বেশির ভাগই রাশিয়ার লাইসেন্সের অধীনে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডে নির্মাণ (মূলত সংযোজন) করেছে। এতে ব্যয় হয়েছে ১২ বিলিয়ন ডলার।
রাশিয়ান প্রতিরক্ষা শিল্পকে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পগুলোতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য নতুন সুযোগ খুঁজতে অনুরোধ জানিয়ে রাজনাথ সিং উল্লেখ করেন, ২০২১-৩১ সালের সামরিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চুক্তি বাস্তবায়ন এই প্রচেষ্টাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রেরণা জোগাবে।
উত্তর প্রদেশের আমেথি জেলার কোরওয়া অস্ত্র কারখানায় একে-২০৩ কালাশনিকভ রাইফেলের চলমান যৌথ উৎপাদনকে ‘সফলতা’ বলে উল্লেখ করে রাজনাথ রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছেন, রাশিয়াকে ভারতে এমন পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো এবং অন্যান্য দেশে রপ্তানির বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া উচিত।
চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ভারতের জন্য এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সরবরাহে বড় ধরনের বিলম্ব ঘটিয়েছে। ২০১৮ সালে ৫৪৩ কোটি ডলার (প্রায় ৪০ হাজার কোটি রুপি) মূল্যের চুক্তির অধীনে এটি কেনা হয়েছিল।
ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রথম তিনটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে। এটি ৩৮০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রুর কৌশলগত বোমারু বিমান, জেট, গোয়েন্দা বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। এগুলো ভারতের উত্তর-পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতে মোতায়েন করা হয়েছে। মূলত পাকিস্তান ও চীনের বিরুদ্ধে এসব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাটারি মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বাকি দুই ইউনিট ২০২৬ সালের আগে পাওয়া সম্ভব নয়।
এদিকে, বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সুখোই বিমানগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য আরও ১২টি জেট সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪০টি এল-৩১ এফপি ইঞ্জিনের জন্য ২৬ হাজার কোটি রুপির চুক্তি করেছে। এগুলো রাশিয়ার সহায়তায় হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকসের কোরাপুট বিভাগে নির্মিত হবে।
বিদ্যমান সুখোইগুলোর জন্য উন্নত রাডার, অ্যাভিওনিকস, দূরপাল্লার অস্ত্র এবং মাল্টিসেন্সর ফিউশনসহ আরও কার্যকর করার জন্য ৬৩ হাজার কোটি টাকার বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলোকে আগামী ৩০ বছর ধরে এরিয়াল ফাইট বা আকাশযুদ্ধের উপযোগী করে তোলা হবে।
রাশিয়া এখনো ভারতের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী এবং ভারতের মোট আমদানি করা অস্ত্রের ৩৬ শতাংশের বেশি আসে রাশিয়া থেকে। তবে নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ানোর দিকে ভারত জোর দিচ্ছে এবং গত দুই দশকে সামরিক হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকেছে।
তবু এখনো ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বিদ্যমান সরঞ্জামের প্রায় ৬০ শতাংশই রাশিয়ার, যার মধ্যে আছে সুখোই-৩০ এমকেআই এবং মিগ-২৯-এর মতো যুদ্ধবিমান, আইএনএস বিক্রমাদিত্য বিমানবাহী রণতরি, তলওয়ার এবং তেগ-শ্রেণির ফ্রিগেট, কিলো-ক্লাস ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন, এএন-৩২ মাঝারি পরিবহন বিমান এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টারের মতো সরঞ্জাম।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে