
ভারতের হরিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পানিপথ শহরে তিন বছর আগেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন এক ব্যবসায়ী। এবার একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের সূত্র ধরে এবং পুলিশের নিবিড় তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ওই ব্যবসায়ীকে হত্যার সুনিপুণ পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরই স্ত্রী।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর নিজ বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন ব্যবসায়ী বিনোদ ভারারা। দেব সুনার নামে এক ট্রাকচালক তাঁকে গুলি করেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগে দেব সুনারের ট্রাকের নিচেই চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন বিনোদ। বিনোদকে হত্যার ঘটনায় দেবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় দেব পুলিশকে জানিয়েছিলেন, দুর্ঘটনার মামলা নিয়ে মীমাংসায় না আসার কারণেই রাগান্বিত হয়ে তিনি বিনোদকে গুলি করেছিলেন।
বিনোদ মৃত, হত্যাকারী দেব কারাগারে, আর মামলাটি তত দিনে ঝিমিয়ে পড়েছিল। কিন্তু তারপরই জেলা পুলিশ প্রধান ও আইপিএস কর্মকর্তা অজিত সিং শেখাওয়াতের ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসে। এই মেসেজে বিনোদের হত্যাকাণ্ডটি আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করা হয়। মেসেজে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়—বিনোদের খুব কাছের কেউ তাঁর হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। পুলিশকে ওই বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন আসলে নিহত বিনোদের ভাই প্রমোদ। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।
হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পেয়ে বিনোদের হত্যাকাণ্ডের পুরোনো ফাইলগুলো আবারও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করে কিছু গলদ দেখতে পান পুলিশ কর্মকর্তা অজিত সিং শেখাওয়াত। পরে তিনি মামলাটি হরিয়ানা পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থার দীপক কুমারকে নতুন করে দেখতে বলেন। পুলিশ এবার তদন্ত করে দেখতে পায়, হত্যায় অভিযুক্ত দেব সুনার ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুমিত নামে এক ব্যক্তির। সুমিত ছিলেন একজন জিম প্রশিক্ষক, যিনি বিনোদের স্ত্রী নিধিকে ভালোভাবে চিনতেন। পুলিশ এবার নতুন করে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ঘটনাগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
সন্দেহভাজনেরা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পুলিশের বিনোদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হয়। এতে জানা যায়, বিনোদের স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানের জননী নিধি ভারারা জিমে ভর্তি হলে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সুমিতের। ধীরে ধীরে তাঁরা একে অপরের কাছাকাছি হতে শুরু করেন এবং বিষয়টি পরকীয়ার দিকে মোড় নেয়। বিষয়টি জেনে গিয়েছিলেন বিনোদ। ফলে নিধির সঙ্গে তাঁর ঘন ঘন ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়। ব্যবসায়ী বিনোদ সুমিতের সঙ্গেও দেখা করেন এবং তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে থাকতে বলেন। এই বিবাদ চলতে থাকলে বিনোদকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন নিধি ও তাঁর প্রেমিক সুমিত।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত জানান, বিনোদকে হত্যা করার জন্য পাঞ্জাবের ট্রাক চালক দেব সুনারের সঙ্গে তাঁরা দেখা করেন। এই কাজের জন্য দেবকে তাঁরা নগদ ১০ লাখ রুপি অফার করেন। এই প্রস্তাবে রাজি হন দেব। পরে একটি পিক-আপ ভাড়া করে ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি বিনোদের গাড়ির ওপর সজোরে আঘাত করেন দেব। এই ঘটনায় সৌভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক আহত হন বিনোদ।
হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন সুমিত ও নিধি। তবে এরপরই তাঁরা বিনোদকে হত্যা করার জন্য ‘প্ল্যান-বি’ তৈরি করেন। দ্বিতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুর্ঘটনার মামলাটি আদালতের বাইরে মীমাংসা করার জন্য বিনোদের বাড়ি যান ট্রাক-চালক দেব সুনার। কিন্তু আদালতের বাইরে কোনো ধরনের মীমাংসায় আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন বিনোদ। এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ হওয়ার অভিনয় করে বিনোদকে গুলি করে হত্যা করেন দেব।
তদন্তে আরও জানা যায়, বিনোদের খুনের কয়েক দিন পরই তাঁর স্ত্রী নিধি মানালি ঘুরতে গিয়েছিলেন সুমিতের সঙ্গে। আর কন্যা সন্তানকে তার চাচা তথা বিনোদের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
নিধি এবং সুমিত দুজনই তাঁদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তাঁরা এটাও জানিয়েছেন, কারাগারে থাকা দেব সুনারের আইনি এবং বাড়ির খরচ নিধি ভারারাই পরিশোধ করে আসছেন। মূলত বিনোদের মৃত্যুর পর তাঁর বিমা ভাঙিয়ে এসব অর্থ পরিশোধ করছেন নিধি। আর স্বামী হত্যার প্রধান সাক্ষী হিসাবে আদালতে তিনি তাঁর বক্তব্যও প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। এতে মামলাটি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। খুব শিগগিরই হয়তো ছাড়া পেয়ে যেতেন দেব সুনার।
বিনোদ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হওয়ায় নিধি ও সুমিতকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত তাঁদের দুজনকেই কারাগারে পাঠিয়েছেন।

ভারতের হরিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পানিপথ শহরে তিন বছর আগেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন এক ব্যবসায়ী। এবার একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের সূত্র ধরে এবং পুলিশের নিবিড় তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ওই ব্যবসায়ীকে হত্যার সুনিপুণ পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরই স্ত্রী।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর নিজ বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন ব্যবসায়ী বিনোদ ভারারা। দেব সুনার নামে এক ট্রাকচালক তাঁকে গুলি করেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগে দেব সুনারের ট্রাকের নিচেই চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন বিনোদ। বিনোদকে হত্যার ঘটনায় দেবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় দেব পুলিশকে জানিয়েছিলেন, দুর্ঘটনার মামলা নিয়ে মীমাংসায় না আসার কারণেই রাগান্বিত হয়ে তিনি বিনোদকে গুলি করেছিলেন।
বিনোদ মৃত, হত্যাকারী দেব কারাগারে, আর মামলাটি তত দিনে ঝিমিয়ে পড়েছিল। কিন্তু তারপরই জেলা পুলিশ প্রধান ও আইপিএস কর্মকর্তা অজিত সিং শেখাওয়াতের ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসে। এই মেসেজে বিনোদের হত্যাকাণ্ডটি আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করা হয়। মেসেজে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়—বিনোদের খুব কাছের কেউ তাঁর হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। পুলিশকে ওই বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন আসলে নিহত বিনোদের ভাই প্রমোদ। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।
হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পেয়ে বিনোদের হত্যাকাণ্ডের পুরোনো ফাইলগুলো আবারও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করে কিছু গলদ দেখতে পান পুলিশ কর্মকর্তা অজিত সিং শেখাওয়াত। পরে তিনি মামলাটি হরিয়ানা পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থার দীপক কুমারকে নতুন করে দেখতে বলেন। পুলিশ এবার তদন্ত করে দেখতে পায়, হত্যায় অভিযুক্ত দেব সুনার ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুমিত নামে এক ব্যক্তির। সুমিত ছিলেন একজন জিম প্রশিক্ষক, যিনি বিনোদের স্ত্রী নিধিকে ভালোভাবে চিনতেন। পুলিশ এবার নতুন করে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ঘটনাগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
সন্দেহভাজনেরা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পুলিশের বিনোদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হয়। এতে জানা যায়, বিনোদের স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানের জননী নিধি ভারারা জিমে ভর্তি হলে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সুমিতের। ধীরে ধীরে তাঁরা একে অপরের কাছাকাছি হতে শুরু করেন এবং বিষয়টি পরকীয়ার দিকে মোড় নেয়। বিষয়টি জেনে গিয়েছিলেন বিনোদ। ফলে নিধির সঙ্গে তাঁর ঘন ঘন ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়। ব্যবসায়ী বিনোদ সুমিতের সঙ্গেও দেখা করেন এবং তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে থাকতে বলেন। এই বিবাদ চলতে থাকলে বিনোদকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন নিধি ও তাঁর প্রেমিক সুমিত।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত জানান, বিনোদকে হত্যা করার জন্য পাঞ্জাবের ট্রাক চালক দেব সুনারের সঙ্গে তাঁরা দেখা করেন। এই কাজের জন্য দেবকে তাঁরা নগদ ১০ লাখ রুপি অফার করেন। এই প্রস্তাবে রাজি হন দেব। পরে একটি পিক-আপ ভাড়া করে ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি বিনোদের গাড়ির ওপর সজোরে আঘাত করেন দেব। এই ঘটনায় সৌভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক আহত হন বিনোদ।
হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন সুমিত ও নিধি। তবে এরপরই তাঁরা বিনোদকে হত্যা করার জন্য ‘প্ল্যান-বি’ তৈরি করেন। দ্বিতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুর্ঘটনার মামলাটি আদালতের বাইরে মীমাংসা করার জন্য বিনোদের বাড়ি যান ট্রাক-চালক দেব সুনার। কিন্তু আদালতের বাইরে কোনো ধরনের মীমাংসায় আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন বিনোদ। এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ হওয়ার অভিনয় করে বিনোদকে গুলি করে হত্যা করেন দেব।
তদন্তে আরও জানা যায়, বিনোদের খুনের কয়েক দিন পরই তাঁর স্ত্রী নিধি মানালি ঘুরতে গিয়েছিলেন সুমিতের সঙ্গে। আর কন্যা সন্তানকে তার চাচা তথা বিনোদের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
নিধি এবং সুমিত দুজনই তাঁদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তাঁরা এটাও জানিয়েছেন, কারাগারে থাকা দেব সুনারের আইনি এবং বাড়ির খরচ নিধি ভারারাই পরিশোধ করে আসছেন। মূলত বিনোদের মৃত্যুর পর তাঁর বিমা ভাঙিয়ে এসব অর্থ পরিশোধ করছেন নিধি। আর স্বামী হত্যার প্রধান সাক্ষী হিসাবে আদালতে তিনি তাঁর বক্তব্যও প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। এতে মামলাটি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। খুব শিগগিরই হয়তো ছাড়া পেয়ে যেতেন দেব সুনার।
বিনোদ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হওয়ায় নিধি ও সুমিতকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত তাঁদের দুজনকেই কারাগারে পাঠিয়েছেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২৪ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে