
আসামের রাজনীতি ও প্রশাসনে ফের এক নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের অজুহাতে, আগামী ১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে আর কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে (১৮ বছরের বেশি) নতুন আধার কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।
আসামের বিজেপি সরকারের যুক্তি হলো, জনসংখ্যার তুলনায় আধারের কভারেজ ইতিমধ্যেই ১০৩ শতাংশে পৌঁছে গেছে। অর্থাৎ, যত মানুষ থাকার কথা, তার চেয়েও বেশি আধার কার্ড বিদ্যমান। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এর কারণ হলো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বিভিন্ন উপায়ে আধার সংগ্রহ করেছে। সেই পথ বন্ধ করতেই এই কড়াকড়ি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই সীমান্তে বাংলাদেশি আটক করছি। তবুও তাঁরা নানা কৌশলে আধার নিয়ে নাগরিক পরিচয় পেতে চাইছেন। এবার সেই রাস্তা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
এই নিয়ম সব সম্প্রদায়ের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে না। তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং চা-বাগান এলাকার গোষ্ঠীর জন্য সরকার এক বছরের বিশেষ ছাড় রেখেছে। কারণ তাদের আধার কভারেজ এখনো পূর্ণ হয়নি। অন্যদিকে, যেসব প্রাপ্তবয়স্ক এখনো আধার পাননি, তাদের জন্য সেপ্টেম্বর মাসে এককালীন আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এরপর থেকে কেবলমাত্র ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ আধার দেওয়া হবে। সেই প্রক্রিয়া সহজ হবে না—প্রথমে বিশেষ শাখা ও ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের রিপোর্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছতে হবে, তারপর ডেপুটি কমিশনার অনুমোদন দিলে তবেই আধার কার্ড হাতে পাওয়া সম্ভব।
এই সিদ্ধান্তকে কেউ কেউ স্বাগত জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ শঙ্কিত। স্বাগতকারীরা মনে করছেন, এতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের নাগরিক অধিকার ভোগের রাস্তা বন্ধ হবে। অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন, প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকও হয়তো প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সমস্যায় পড়বেন।
তবে সরকারের বক্তব্য স্পষ্ট—আধার আর শুধু কল্যাণমূলক প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার নথি নয়, এটি এখন নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। আর সেই নিরাপত্তা রক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে