আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের অর্থনীতিকে ‘মৃত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক ও অতিরিক্ত শাস্তিমূলক কর বসানোর ঘোষণা দিয়েছে তাঁর প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটে আজ বৃহস্পতিবার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় মন্তব্য ও বাণিজ্যিক পদক্ষেপের পরও কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, ভারতের সংসদ চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘ট্রাম্প ঠিকই বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আর অর্থমন্ত্রী ছাড়া সবাই জানে যে ভারতের অর্থনীতি এখন এক মরা অর্থনীতি। আমি খুশি যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি সত্য কথা বলেছেন।’
রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ‘মূল প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প ৩০ থেকে ৩২ বার বলেছেন যে, তিনি যুদ্ধবিরতি করেছেন। তিনি বলছেন, ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন তিনি বলছেন, ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসাবেন। তাহলে প্রধানমন্ত্রী মোদি চুপ কেন? উনি কেন কোনো উত্তর দিচ্ছেন না? এর পেছনে আসল কারণ কী?’
মোদি সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি শুধু একজন লোকের জন্য কাজ করেন—আদানির জন্য। এই ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি হবেই, আর মোদি ট্রাম্প যা বলবে ঠিক তাই করবেন। ভারতের সামনে আজ সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—এই সরকার আমাদের অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা আর বিদেশনীতি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলেছে। এরা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সংসদে দেওয়া বক্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করেন রাহুল। তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন আমাদের নাকি জিনিয়াস বা প্রতিভাবান বিদেশনীতি আছে। অথচ বাস্তব চিত্রটা কী? একদিকে আমেরিকা গালি দিচ্ছে, আরেকদিকে চীন হুমকি দিচ্ছে। তৃতীয়ত, যত দেশেই প্রতিনিধি দল পাঠান না কেন, কোনো দেশই পাকিস্তানকে প্রকাশ্যে দোষারোপ করছে না। তাহলে ওরা দেশ চালাচ্ছে কীভাবে? এদের হাতে দেশ সুরক্ষিত না। ওরা জানেই না দেশ চালাতে হয় কীভাবে।’
এর একদিন আগে নিজ মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কী করছে, সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। ওরা চাইলে একসঙ্গে তাদের মরা অর্থনীতিকে ডুবিয়ে দিতে পারে, আমার কিছু যায় আসে না। আমরা ভারতের সঙ্গে খুব কম ব্যবসা করি। ওদের শুল্ক বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। রাশিয়ার সঙ্গেও আমাদের প্রায় কোনো ব্যবসা নেই। এভাবেই থাকুক।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ভারতের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার কেন্দ্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ভারতের অর্থনীতিকে ‘মৃত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক ও অতিরিক্ত শাস্তিমূলক কর বসানোর ঘোষণা দিয়েছে তাঁর প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটে আজ বৃহস্পতিবার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় মন্তব্য ও বাণিজ্যিক পদক্ষেপের পরও কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, ভারতের সংসদ চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘ট্রাম্প ঠিকই বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আর অর্থমন্ত্রী ছাড়া সবাই জানে যে ভারতের অর্থনীতি এখন এক মরা অর্থনীতি। আমি খুশি যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি সত্য কথা বলেছেন।’
রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ‘মূল প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প ৩০ থেকে ৩২ বার বলেছেন যে, তিনি যুদ্ধবিরতি করেছেন। তিনি বলছেন, ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন তিনি বলছেন, ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসাবেন। তাহলে প্রধানমন্ত্রী মোদি চুপ কেন? উনি কেন কোনো উত্তর দিচ্ছেন না? এর পেছনে আসল কারণ কী?’
মোদি সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি শুধু একজন লোকের জন্য কাজ করেন—আদানির জন্য। এই ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি হবেই, আর মোদি ট্রাম্প যা বলবে ঠিক তাই করবেন। ভারতের সামনে আজ সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—এই সরকার আমাদের অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা আর বিদেশনীতি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলেছে। এরা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সংসদে দেওয়া বক্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করেন রাহুল। তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন আমাদের নাকি জিনিয়াস বা প্রতিভাবান বিদেশনীতি আছে। অথচ বাস্তব চিত্রটা কী? একদিকে আমেরিকা গালি দিচ্ছে, আরেকদিকে চীন হুমকি দিচ্ছে। তৃতীয়ত, যত দেশেই প্রতিনিধি দল পাঠান না কেন, কোনো দেশই পাকিস্তানকে প্রকাশ্যে দোষারোপ করছে না। তাহলে ওরা দেশ চালাচ্ছে কীভাবে? এদের হাতে দেশ সুরক্ষিত না। ওরা জানেই না দেশ চালাতে হয় কীভাবে।’
এর একদিন আগে নিজ মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কী করছে, সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। ওরা চাইলে একসঙ্গে তাদের মরা অর্থনীতিকে ডুবিয়ে দিতে পারে, আমার কিছু যায় আসে না। আমরা ভারতের সঙ্গে খুব কম ব্যবসা করি। ওদের শুল্ক বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। রাশিয়ার সঙ্গেও আমাদের প্রায় কোনো ব্যবসা নেই। এভাবেই থাকুক।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ভারতের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার কেন্দ্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল—অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে; ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে; গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করতে হবে; পূর্ণমাত্রায় মানবিক সহায়তা...
৭ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৯ ঘণ্টা আগে