
ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের শখের কথা কারোরই অজানা নয়। বিশেষ করে নীতা আম্বানির বিভিন্ন শখ রীতিমতো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনন্ত আম্বানিরও রয়েছে অসুস্থ বন্য প্রাণীদের চিকিৎসালয়। মোট কথা আম্বানি পরিবারের সব সদস্যই বেশ শৌখিনতার সঙ্গে জীবন যাপন করেন।
তবে অনেকেই হয়তো জানেন না মুকেশ আম্বানির পছন্দের ফল আম। খাবারের ব্যাপারে আম্বানি পরিবারের বিশেষত্বের অংশ হিসেবেই তাদের রয়েছে নিজস্ব আমবাগান। সেই বাগানে চাষ হয় বিশেষ জাতের সব আমের।
শোনা যায়, মুকেশ আম্বানির এই বাগানের জুড়ি নেই গোটা দুনিয়ায়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমবাগান নাকি আম্বানিদেরই। আবার কেউ কেউ বলে এটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় আমবাগান। তবে কোনো দাবির পক্ষেই নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিশ্বের মধ্যে সর্ববৃহৎ না হলেও আমবাগানটি নেহাত ছোট বা মাঝারি নয়। গুজরাটে আম্বানিদের আমবাগান ৬০০ একরজুড়ে অবস্থিত। এই আমবাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি দেড় লাখ আমগাছ।
বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় আম রপ্তানিকারক সংস্থা হয়ে উঠেছে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। এই বাগানে আম চাষের ধরন এক্কেবারে আলাদা। বাগানের শীর্ষ দায়িত্বে রয়েছেন মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি।
আম্বানি নিজেই এই আমবাগানকে সুবিশাল করে তুলেছেন। গুজরাটের এই আমবাগানটির নাম ‘ধীরুভাই আম্বানি’। লখিবাগ আমরাই বাগানে রয়েছে প্রায় ২০০টিরও বেশি জাতের আমগাছ। সেখানে পাবেন আম্রপালি, নীলম, রত্না, আলফানসো কেশর, সিন্ধু দেশি জাতের পাশাপাশি বিদেশি জাতের আম, যেমন: ফ্লোডিলার, টমি অ্যাটকিনস কেন্ট, কেট, ইসরায়েলের লিলি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মায়া।
জ্বালানি, পেট্রোকেমিক্যাল, টেক্সটাইল, প্রাকৃতিক সম্পদ, খুচরো ও টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে ভারতজুড়ে ব্যবসার জাল রয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের। কিন্তু এখন রিলায়েন্স বিশ্বের অন্যতম আম রপ্তানিকারকেও পরিণত হতে চলেছে। মুকেশ আম্বানির বাগানে চাষ করা আম বিশ্বের সেরা জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম।
রিলায়েন্সের আম খুবই জনপ্রিয় ভারতের বাজারে। বাজারে আম্বানিদের আমের ‘আরআইএল’ ট্যাগ লাগানো থাকে। আমের পাশাপাশি এই বাগানে পেয়ারা, তেঁতুল, কাজু, ব্রাজিলিয়ান চেরি, পিচ, ডালিম ও কিছু ঔষধি গাছও চাষ করা হয়ে থাকে। রিলায়েন্সের পক্ষ থেকে আমকে বাজারজাত করার জন্য গঠন করা হয়েছে জামনগর ফার্মস প্রাইভেট লিমিটেড।
কথিত আছে, রিলায়েন্স আনন্দে নয় বরং বাধ্য হয়েই আমবাগান করেছে। আসলে গুজরাটের জামনগরের রিলায়েন্সের একটি শোধনাগার রয়েছে। যেটি বিশ্বের বৃহত্তম শোধনাগারগুলোর একটি। দূষণ রুখতে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ থেকে একাধিকবার এই সংস্থাকে নোটিশ পাঠানো হয়। ফলে একপ্রকার চাপে পড়েই পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শোধনাগারের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে আমবাগান করে লাভের কথা ভাবে রিলায়েন্স। আমবাগানের নাম রাখা হয় মুকেশ আম্বানির প্রথম বস ধীরুভাইয়ের নাম অনুযায়ী।
জামনগর রিফাইনারির কাছে অনুর্বর জমিতে আমগাছ লাগানোর কাজ শুরু হয়। জমিটি আম চাষের জন্য উপযুক্ত না হলেও নানা প্রযুক্তির সাহায্যে তা ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে। বর্তমানে এই বাগানে উৎপাদিত আম বিশ্বের বহু দেশে রপ্তানি করা হয়। রিলায়েন্স তার বাগানে ব্যবহৃত প্রযুক্তির সঙ্গে কৃষকদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে এবং প্রতিবছর কৃষকদের মধ্যে প্রায় এক লঅখ গাছ বিতরণ করে।
বাগানের জল আসে রিলায়েন্স কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে। প্ল্যান্টে বিশেষ উপায়ে শোধন করে নেওয়া হয় সাগরের জল। আম্বানির বাগানে উৎপাদিত আমের চাহিদা এনআরআই গুজরাটিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য ইকোনমিক টাইমস

ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের শখের কথা কারোরই অজানা নয়। বিশেষ করে নীতা আম্বানির বিভিন্ন শখ রীতিমতো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনন্ত আম্বানিরও রয়েছে অসুস্থ বন্য প্রাণীদের চিকিৎসালয়। মোট কথা আম্বানি পরিবারের সব সদস্যই বেশ শৌখিনতার সঙ্গে জীবন যাপন করেন।
তবে অনেকেই হয়তো জানেন না মুকেশ আম্বানির পছন্দের ফল আম। খাবারের ব্যাপারে আম্বানি পরিবারের বিশেষত্বের অংশ হিসেবেই তাদের রয়েছে নিজস্ব আমবাগান। সেই বাগানে চাষ হয় বিশেষ জাতের সব আমের।
শোনা যায়, মুকেশ আম্বানির এই বাগানের জুড়ি নেই গোটা দুনিয়ায়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমবাগান নাকি আম্বানিদেরই। আবার কেউ কেউ বলে এটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় আমবাগান। তবে কোনো দাবির পক্ষেই নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিশ্বের মধ্যে সর্ববৃহৎ না হলেও আমবাগানটি নেহাত ছোট বা মাঝারি নয়। গুজরাটে আম্বানিদের আমবাগান ৬০০ একরজুড়ে অবস্থিত। এই আমবাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি দেড় লাখ আমগাছ।
বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় আম রপ্তানিকারক সংস্থা হয়ে উঠেছে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। এই বাগানে আম চাষের ধরন এক্কেবারে আলাদা। বাগানের শীর্ষ দায়িত্বে রয়েছেন মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি।
আম্বানি নিজেই এই আমবাগানকে সুবিশাল করে তুলেছেন। গুজরাটের এই আমবাগানটির নাম ‘ধীরুভাই আম্বানি’। লখিবাগ আমরাই বাগানে রয়েছে প্রায় ২০০টিরও বেশি জাতের আমগাছ। সেখানে পাবেন আম্রপালি, নীলম, রত্না, আলফানসো কেশর, সিন্ধু দেশি জাতের পাশাপাশি বিদেশি জাতের আম, যেমন: ফ্লোডিলার, টমি অ্যাটকিনস কেন্ট, কেট, ইসরায়েলের লিলি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মায়া।
জ্বালানি, পেট্রোকেমিক্যাল, টেক্সটাইল, প্রাকৃতিক সম্পদ, খুচরো ও টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে ভারতজুড়ে ব্যবসার জাল রয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের। কিন্তু এখন রিলায়েন্স বিশ্বের অন্যতম আম রপ্তানিকারকেও পরিণত হতে চলেছে। মুকেশ আম্বানির বাগানে চাষ করা আম বিশ্বের সেরা জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম।
রিলায়েন্সের আম খুবই জনপ্রিয় ভারতের বাজারে। বাজারে আম্বানিদের আমের ‘আরআইএল’ ট্যাগ লাগানো থাকে। আমের পাশাপাশি এই বাগানে পেয়ারা, তেঁতুল, কাজু, ব্রাজিলিয়ান চেরি, পিচ, ডালিম ও কিছু ঔষধি গাছও চাষ করা হয়ে থাকে। রিলায়েন্সের পক্ষ থেকে আমকে বাজারজাত করার জন্য গঠন করা হয়েছে জামনগর ফার্মস প্রাইভেট লিমিটেড।
কথিত আছে, রিলায়েন্স আনন্দে নয় বরং বাধ্য হয়েই আমবাগান করেছে। আসলে গুজরাটের জামনগরের রিলায়েন্সের একটি শোধনাগার রয়েছে। যেটি বিশ্বের বৃহত্তম শোধনাগারগুলোর একটি। দূষণ রুখতে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ থেকে একাধিকবার এই সংস্থাকে নোটিশ পাঠানো হয়। ফলে একপ্রকার চাপে পড়েই পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শোধনাগারের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে আমবাগান করে লাভের কথা ভাবে রিলায়েন্স। আমবাগানের নাম রাখা হয় মুকেশ আম্বানির প্রথম বস ধীরুভাইয়ের নাম অনুযায়ী।
জামনগর রিফাইনারির কাছে অনুর্বর জমিতে আমগাছ লাগানোর কাজ শুরু হয়। জমিটি আম চাষের জন্য উপযুক্ত না হলেও নানা প্রযুক্তির সাহায্যে তা ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে। বর্তমানে এই বাগানে উৎপাদিত আম বিশ্বের বহু দেশে রপ্তানি করা হয়। রিলায়েন্স তার বাগানে ব্যবহৃত প্রযুক্তির সঙ্গে কৃষকদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে এবং প্রতিবছর কৃষকদের মধ্যে প্রায় এক লঅখ গাছ বিতরণ করে।
বাগানের জল আসে রিলায়েন্স কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে। প্ল্যান্টে বিশেষ উপায়ে শোধন করে নেওয়া হয় সাগরের জল। আম্বানির বাগানে উৎপাদিত আমের চাহিদা এনআরআই গুজরাটিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য ইকোনমিক টাইমস

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে