আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মধ্যাহ্নভোজ নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে আছে ভারত। গতকাল বুধবার (১৮ জুন) হোয়াইট হাউসে এই মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ট্রাম্পের সঙ্গে আসিম মুনিরের একটি বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গেছে। এরপরই অস্বস্তিতে পড়েন ভারতের অনেক রাজনীতিবিদ। সবশেষ এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ভারতের কংগ্রেস সংসদ সদস্য শশী থারুর।
থারুর মার্কিন জনগণকে ওসামা বিন লাদেনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি ২০০১ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (টুইন টাওয়ার) হামলার কথা বলেছেন। ওই হামলায় প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। ধারণা করা হয়, টুইন টাওয়ারে হামলাকারীদের আর্থিক মদদ দিয়েছিল ওসামা বিন লাদেনের সংগঠন আল-কায়েদা। আর এই ওসামা বিন লাদেন লুকিয়ে ছিলেন পাকিস্তানের একটি সেনাক্যাম্পের কাছে।
থারুর প্রশ্ন তুলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ এত তাড়াতাড়ি নাইন-ইলেভেনের (৯/১১) হামলার কথা ভুলে যেতে পারে? ওই হামলার জন্য দায়ী ওসামা বিন লাদেনকে একটি সেনাক্যাম্পের কাছে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। পাকিস্তানই তাঁকে (লাদেনকে) লুকিয়ে রেখেছিল। মার্কিনিরা এত সহজে পাকিস্তানকে ক্ষমা করতে পারে না।’
শশী থারুরের এই বার্তা সূক্ষ্ম হলেও স্পষ্ট—একটি দ্বৈত চরিত্রের পাকিস্তানি প্রশাসনকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। কারণ, তারা মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে আশ্রয় দিয়েছিল এবং ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলাকেও সমর্থন করে।
তবে শশী থারুর আশা প্রকাশ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সুযোগে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানকে ‘তাদের মাটি থেকে আমাদের দেশে (ভারতে) সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন, অস্ত্র সরবরাহ, প্রশিক্ষণ ও পাঠানোর’ বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। কংগ্রেসের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি আশা করি, যখন জেনারেলকে আপ্যায়ন করা হচ্ছিল, তখন তিনি এই সমস্ত বার্তা পেয়েছিলেন... কারণ এতে যুক্তরাষ্ট্রেরও স্বার্থ আছে।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প-মুনির মধ্যাহ্নভোজকে ভারতে অস্বস্তিকর মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার কয়েক দিন আগে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ‘গলার শিরা’ (জুগুলার ভেইন) এবং পাকিস্তানি জাতিকে ভারতীয়দের চেয়ে ‘উৎকৃষ্ট সংস্কৃতির’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। এই মন্তব্যগুলো ভারতে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল।
ট্রাম্প-মুনির মধ্যাহ্নভোজের সময় নিয়েও ভারতে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ফোনে কথা বলার এক দিন পরেই জেনারেল মুনির হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ পান। সে সময় মোদি কানাডার জি-৭ সম্মেলনে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে বলা হচ্ছে, সেখান থেকে কথা বলতে বলতেই মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানান ট্রাম্প। কিন্তু মোদি এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন।
সেই ফোনালাপেই প্রধানমন্ত্রী মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে তৃতীয় কোনো পক্ষের দালালি মানবে না ভারত। দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি গত মঙ্গলবার এ তথ্য জানান। আবার ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, মার্কিন মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তান সংঘাত বন্ধ হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি বাণিজ্য চুক্তিকে চাপ হিসেবে ব্যবহার করে তাঁদের রাজি করিয়েছেন। তবে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির বিষয়ে মার্কিন মধ্যস্থতার দাবিকে সমর্থন করলেও ভারত বারবার অস্বীকার করেছে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মধ্যাহ্নভোজ নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে আছে ভারত। গতকাল বুধবার (১৮ জুন) হোয়াইট হাউসে এই মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ট্রাম্পের সঙ্গে আসিম মুনিরের একটি বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গেছে। এরপরই অস্বস্তিতে পড়েন ভারতের অনেক রাজনীতিবিদ। সবশেষ এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ভারতের কংগ্রেস সংসদ সদস্য শশী থারুর।
থারুর মার্কিন জনগণকে ওসামা বিন লাদেনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি ২০০১ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (টুইন টাওয়ার) হামলার কথা বলেছেন। ওই হামলায় প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। ধারণা করা হয়, টুইন টাওয়ারে হামলাকারীদের আর্থিক মদদ দিয়েছিল ওসামা বিন লাদেনের সংগঠন আল-কায়েদা। আর এই ওসামা বিন লাদেন লুকিয়ে ছিলেন পাকিস্তানের একটি সেনাক্যাম্পের কাছে।
থারুর প্রশ্ন তুলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ এত তাড়াতাড়ি নাইন-ইলেভেনের (৯/১১) হামলার কথা ভুলে যেতে পারে? ওই হামলার জন্য দায়ী ওসামা বিন লাদেনকে একটি সেনাক্যাম্পের কাছে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। পাকিস্তানই তাঁকে (লাদেনকে) লুকিয়ে রেখেছিল। মার্কিনিরা এত সহজে পাকিস্তানকে ক্ষমা করতে পারে না।’
শশী থারুরের এই বার্তা সূক্ষ্ম হলেও স্পষ্ট—একটি দ্বৈত চরিত্রের পাকিস্তানি প্রশাসনকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। কারণ, তারা মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে আশ্রয় দিয়েছিল এবং ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলাকেও সমর্থন করে।
তবে শশী থারুর আশা প্রকাশ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সুযোগে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানকে ‘তাদের মাটি থেকে আমাদের দেশে (ভারতে) সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন, অস্ত্র সরবরাহ, প্রশিক্ষণ ও পাঠানোর’ বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। কংগ্রেসের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি আশা করি, যখন জেনারেলকে আপ্যায়ন করা হচ্ছিল, তখন তিনি এই সমস্ত বার্তা পেয়েছিলেন... কারণ এতে যুক্তরাষ্ট্রেরও স্বার্থ আছে।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প-মুনির মধ্যাহ্নভোজকে ভারতে অস্বস্তিকর মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার কয়েক দিন আগে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ‘গলার শিরা’ (জুগুলার ভেইন) এবং পাকিস্তানি জাতিকে ভারতীয়দের চেয়ে ‘উৎকৃষ্ট সংস্কৃতির’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। এই মন্তব্যগুলো ভারতে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল।
ট্রাম্প-মুনির মধ্যাহ্নভোজের সময় নিয়েও ভারতে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ফোনে কথা বলার এক দিন পরেই জেনারেল মুনির হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ পান। সে সময় মোদি কানাডার জি-৭ সম্মেলনে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে বলা হচ্ছে, সেখান থেকে কথা বলতে বলতেই মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানান ট্রাম্প। কিন্তু মোদি এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন।
সেই ফোনালাপেই প্রধানমন্ত্রী মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে তৃতীয় কোনো পক্ষের দালালি মানবে না ভারত। দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি গত মঙ্গলবার এ তথ্য জানান। আবার ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, মার্কিন মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তান সংঘাত বন্ধ হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি বাণিজ্য চুক্তিকে চাপ হিসেবে ব্যবহার করে তাঁদের রাজি করিয়েছেন। তবে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির বিষয়ে মার্কিন মধ্যস্থতার দাবিকে সমর্থন করলেও ভারত বারবার অস্বীকার করেছে।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১২ ঘণ্টা আগে