কলকাতা প্রতিনিধি

ফের নারকীয় হামলার সাক্ষী ওডিশা। বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে তিন অজ্ঞাতনামা যুবকের হাতে পুড়ে ছারখার এক ১৫ বছরের স্কুলছাত্রী। ঘটনার ভয়াবহতা এমন যে, পুড়ে যাওয়া শরীরের বেশির ভাগ অংশেই থার্ড ডিগ্রি বার্নস ধরা পড়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করানো হয়েছে ভুবনেশ্বরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের বার্ন ইউনিটে।
ঘটনাটি ঘটেছে ওডিশার গঞ্জাম জেলার চাতারপুর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্কুল থেকে এক বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিল ওই কিশোরী। ফেরার সময় নির্জন রাস্তায় তিন যুবক আচমকাই তার পথ আটকান, গায়ে কেরোসিন জাতীয় দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন তাঁরা। চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা চম্পট দেন।
চাতারপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষ্ণুপ্রসাদ প্রধান জানিয়েছেন, ‘এটা পূর্বপরিকল্পিত হামলা বলেই মনে হচ্ছে। মেয়েটি এখনো কথা বলার অবস্থায় নেই। অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতনামা তিন যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে, ড্রোনের সাহায্যেও নজরদারি চলছে। খুব শিগগির দোষীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী।’
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের বার্ন কেয়ার বিভাগের মুখ্য চিকিৎসক নীলিমা পানিগ্রাহী জানিয়েছেন, ‘রোগীর ৬৫ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে। শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত, ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে। তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত সংকটজনক। আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
এদিকে ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল গঞ্জাম জেলার স্থানীয় মানুষজন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে চাতারপুর বাজারে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাজ্য নারী কমিশনের চেয়ারপারসন কল্পনা বেহেরা বলেন, ‘এই ঘটনা প্রমাণ করে, কন্যাশ্রী সুরক্ষা প্রকল্পের নামে যা বলা হচ্ছে, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনো মুখ্যমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, ঘটনার তদন্তে একটি ‘বিশেষ তদন্তকারী দল’ গঠন করা হয়েছে।

ফের নারকীয় হামলার সাক্ষী ওডিশা। বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে তিন অজ্ঞাতনামা যুবকের হাতে পুড়ে ছারখার এক ১৫ বছরের স্কুলছাত্রী। ঘটনার ভয়াবহতা এমন যে, পুড়ে যাওয়া শরীরের বেশির ভাগ অংশেই থার্ড ডিগ্রি বার্নস ধরা পড়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করানো হয়েছে ভুবনেশ্বরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের বার্ন ইউনিটে।
ঘটনাটি ঘটেছে ওডিশার গঞ্জাম জেলার চাতারপুর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্কুল থেকে এক বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিল ওই কিশোরী। ফেরার সময় নির্জন রাস্তায় তিন যুবক আচমকাই তার পথ আটকান, গায়ে কেরোসিন জাতীয় দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন তাঁরা। চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা চম্পট দেন।
চাতারপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষ্ণুপ্রসাদ প্রধান জানিয়েছেন, ‘এটা পূর্বপরিকল্পিত হামলা বলেই মনে হচ্ছে। মেয়েটি এখনো কথা বলার অবস্থায় নেই। অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতনামা তিন যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে, ড্রোনের সাহায্যেও নজরদারি চলছে। খুব শিগগির দোষীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী।’
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের বার্ন কেয়ার বিভাগের মুখ্য চিকিৎসক নীলিমা পানিগ্রাহী জানিয়েছেন, ‘রোগীর ৬৫ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে। শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত, ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে। তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত সংকটজনক। আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
এদিকে ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল গঞ্জাম জেলার স্থানীয় মানুষজন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে চাতারপুর বাজারে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাজ্য নারী কমিশনের চেয়ারপারসন কল্পনা বেহেরা বলেন, ‘এই ঘটনা প্রমাণ করে, কন্যাশ্রী সুরক্ষা প্রকল্পের নামে যা বলা হচ্ছে, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনো মুখ্যমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, ঘটনার তদন্তে একটি ‘বিশেষ তদন্তকারী দল’ গঠন করা হয়েছে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪২ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে