ভারতের মণিপুর রাজ্যের পূর্ব ইমফল জেলার পুখাও লেইতানপোকপি এলাকায় ধানখেত নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আজ রোববার মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘর্ষে কিছু লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে তাঁদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়নি।
মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী, যেমন—রাজ্য পুলিশ, বিএসএফ ও সিআরপিএফ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে এবং এখনো তারা ওই এলাকায় অবস্থান করছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, রোববার সকাল প্রায় ১০টার দিকে লেইতানপোকপির এক মেইতেই কৃষক সাদু লামপাক গ্রামে নিজের ট্রাক্টর নিয়ে জমি চাষ করতে যান। এই গ্রামটি আবার একটি কুকি গ্রামের কাছাকাছি। এর ফলে ওই কৃষককে কুকি গ্রামের কিছু বাসিন্দা জমি চাষে বাধা দেন। তাঁরা দাবি করেন, ওই জমিটি কৃষকের নয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আশপাশের কিছু মেইতেই লোক ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
পুলিশ জানায়, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, দুই পক্ষ একে অপরের দিকে গুলতি ছুড়ে ও পাথর নিক্ষেপ করে সংঘর্ষে জড়ায়। আর ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিএসএফ সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছেন।
মণিপুর পুলিশের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয়েছে, ‘মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, লেইতানপোকপি এলাকা মেইতেই অধ্যুষিত এবং পূর্ব ইমফল জেলার একেবারে শেষ সীমানায় অবস্থিত। এর পাশেই রয়েছে কাংপোকপি জেলার সাইকুল উপবিভাগ, যা মূলত কুকি-জো সম্প্রদায়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। গত বছরের ৩ মে শুরু হওয়া জাতিগত সংঘর্ষে এই অঞ্চলটি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কলকাতায় চিকিৎসা পর্যটনে ধস নামার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং রোগীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতার বড় হাসপাতালগুলো। বাংলাদেশে দল পাঠানো থেকে শুরু করে সংলগ্ন এলাকার বৈধ হোটেলগুলোর সঙ্গে চুক্তি—হরেক রকমের উদ্যোগ নিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের সাগর জেলায় বিষাক্ত মদ পানে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দশজনেরও বেশি মানুষ।
৩ ঘণ্টা আগে
মাদকসংক্রান্ত অপরাধের দায়ে মিসরের টেলিভিশন উপস্থাপক সারা খলিফাসহ ১১ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদপত্র আল-আহরাম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা একটি অপরাধী চক্রের সদস্য ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজ ছেলেকে মৃত মনে করে ধর্মীয় আচার মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিল পরিবার। শোকে আচ্ছন্ন পরিবারটি যখন সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই একটি অপ্রত্যাশিত টেলিফোন কল তাঁদের পুরো পৃথিবী বদলে দিল।
৩ ঘণ্টা আগে