আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতে ওডিশা রাজ্যের ভুবনেশ্বরে এক ট্যাটু শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারণ তিনি এক বিদেশি নারীর ঊরুতে স্থানীয় এক দেবতার ট্যাটু এঁকেছিলেন। ঘটনাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে ওই ট্যাটু পারলারের মালিকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত মালিক ৩৩ বছর বয়সী রকি রঞ্জন বিসোই। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর পারলারের ২৫ বছর বয়সী শিল্পী অশ্বিনী কুমার ইতালীয় ওই নারীর অনুরোধে ট্যাটুটি এঁকেছেন।
এর আগে রকি তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ওই নারী এবং ট্যাটুর একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। পরে সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে তিনি পোস্টটি মুছে ফেলেন।
এ অবস্থায় রকির নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন নিজেকে সমাজকর্মী দাবি করা এক ব্যক্তি। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন—‘এক বিদেশি নারীর ঊরুতে ভগবান জগন্নাথের ট্যাটু আঁকা হয়েছে, এটি অত্যন্ত আপত্তিকর।’
উল্লেখ্য জগন্নাথ হলেন ওডিশার পুরীতে অবস্থিত বিখ্যাত জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান দেবতা। এই মন্দির হিন্দুদের কাছে অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘এই ট্যাটুটি আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং আমরা এর জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানাই।’
জানা গেছে, অভিযুক্ত নারী ওডিশার কান্ধমাল অঞ্চলে এক এনজিওতে কাজ করেন। তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং জানিয়েছেন, তিনি ভগবান জগন্নাথের একনিষ্ঠ ভক্ত। দেবতাকে অবমাননা করার কোনো উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্ব রঞ্জন সেনাপতি বলেছেন, ‘আমরা ওই নারীকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করব এবং সতর্ক করব। কারণ আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি সম্পর্কে হয়তো তাঁর কোনো ধারণা নেই।’
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত ১ মার্চ ওই নারী ট্যাটু পারলারে গিয়েছিলেন এবং রকির নির্দেশনায় অশ্বিনী কুমার তাঁর ঊরুতে ট্যাটুটি আঁকেন।
বিতর্ক ও প্রতিবাদের মধ্যেই পারলার মালিক রকি এবং অভিযুক্ত বিদেশি নারী পৃথকভাবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ক্ষমা চেয়েছেন। রকি বলেছেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। কারণ আমাদের স্টুডিওতে ট্যাটুটি করা হয়েছিল। শিল্পীর পক্ষ থেকেও আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি। ইতালীয় ওই নারী আমাদের স্টুডিওতে এসে বলেছিলেন—তিনি ভগবান জগন্নাথের ভক্ত এবং তাঁর ঊরুতে ট্যাটুটি করাতে চান। কারণ তাঁর এনজিওতে দেখা যায় শরীরের এমন স্থানে ট্যাটু রাখা নিষিদ্ধ।’
অভিযুক্ত নারী তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘আমি কোনো অসম্মান করতে চাইনি। আমি প্রতিদিন মন্দিরে যাই এবং আমি সত্যিকারের ভক্ত। আমি ভুল করেছি এবং এ জন্য আমি দুঃখিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম এটি এমন স্থানে থাকুক যা দেখা যাবে না। আমি সমস্যা তৈরি করতে চাইনি। ট্যাটুটি সেরে গেলে আমি এটি সরিয়ে ফেলব। আমার ভুলের জন্য দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।’
সংবাদমাধ্যমগুলোতে ওই বিদেশি নারীর নাম ও বয়স প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

ভারতে ওডিশা রাজ্যের ভুবনেশ্বরে এক ট্যাটু শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারণ তিনি এক বিদেশি নারীর ঊরুতে স্থানীয় এক দেবতার ট্যাটু এঁকেছিলেন। ঘটনাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে ওই ট্যাটু পারলারের মালিকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত মালিক ৩৩ বছর বয়সী রকি রঞ্জন বিসোই। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর পারলারের ২৫ বছর বয়সী শিল্পী অশ্বিনী কুমার ইতালীয় ওই নারীর অনুরোধে ট্যাটুটি এঁকেছেন।
এর আগে রকি তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ওই নারী এবং ট্যাটুর একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। পরে সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে তিনি পোস্টটি মুছে ফেলেন।
এ অবস্থায় রকির নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন নিজেকে সমাজকর্মী দাবি করা এক ব্যক্তি। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন—‘এক বিদেশি নারীর ঊরুতে ভগবান জগন্নাথের ট্যাটু আঁকা হয়েছে, এটি অত্যন্ত আপত্তিকর।’
উল্লেখ্য জগন্নাথ হলেন ওডিশার পুরীতে অবস্থিত বিখ্যাত জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান দেবতা। এই মন্দির হিন্দুদের কাছে অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘এই ট্যাটুটি আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং আমরা এর জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানাই।’
জানা গেছে, অভিযুক্ত নারী ওডিশার কান্ধমাল অঞ্চলে এক এনজিওতে কাজ করেন। তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং জানিয়েছেন, তিনি ভগবান জগন্নাথের একনিষ্ঠ ভক্ত। দেবতাকে অবমাননা করার কোনো উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্ব রঞ্জন সেনাপতি বলেছেন, ‘আমরা ওই নারীকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করব এবং সতর্ক করব। কারণ আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি সম্পর্কে হয়তো তাঁর কোনো ধারণা নেই।’
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত ১ মার্চ ওই নারী ট্যাটু পারলারে গিয়েছিলেন এবং রকির নির্দেশনায় অশ্বিনী কুমার তাঁর ঊরুতে ট্যাটুটি আঁকেন।
বিতর্ক ও প্রতিবাদের মধ্যেই পারলার মালিক রকি এবং অভিযুক্ত বিদেশি নারী পৃথকভাবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ক্ষমা চেয়েছেন। রকি বলেছেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। কারণ আমাদের স্টুডিওতে ট্যাটুটি করা হয়েছিল। শিল্পীর পক্ষ থেকেও আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি। ইতালীয় ওই নারী আমাদের স্টুডিওতে এসে বলেছিলেন—তিনি ভগবান জগন্নাথের ভক্ত এবং তাঁর ঊরুতে ট্যাটুটি করাতে চান। কারণ তাঁর এনজিওতে দেখা যায় শরীরের এমন স্থানে ট্যাটু রাখা নিষিদ্ধ।’
অভিযুক্ত নারী তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘আমি কোনো অসম্মান করতে চাইনি। আমি প্রতিদিন মন্দিরে যাই এবং আমি সত্যিকারের ভক্ত। আমি ভুল করেছি এবং এ জন্য আমি দুঃখিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম এটি এমন স্থানে থাকুক যা দেখা যাবে না। আমি সমস্যা তৈরি করতে চাইনি। ট্যাটুটি সেরে গেলে আমি এটি সরিয়ে ফেলব। আমার ভুলের জন্য দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।’
সংবাদমাধ্যমগুলোতে ওই বিদেশি নারীর নাম ও বয়স প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৮ ঘণ্টা আগে