
ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির ব্যক্তিগত সম্পদ আবারও বেড়েছে। ফের তিনি উঠে গেছেন বিশ্বের ১০০ কোটি ডলারের মালিকদের অভিজাত ক্লাবে। হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদনের পর দ্রুতগতিতে সম্পদ হারাতে থাকা আদানি গ্রুপের শেয়ারের মূল্য আবারও বাড়তে শুরু করেছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় গৌতম আদানির সম্পদও ছাড়িয়ে গেছে ১০০ কোটি ডলার।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গৌতম আদানি এখন বিশ্বের ১২ তম শীর্ষ ধনী। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ১০১ বিলিয়ন ডলার। গত সপ্তাহের আগে থেকেই টানা ৮ দিন ধরে আদানি গ্রুপের শেয়ার দাম প্রায় ১৩০ শতাংশ বেড়েছে।
মার্কিন প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনলে গৌতম আদানি ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর হু হু করে কমতে থাকে। তবে সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও দেশটির শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (সেবি) এসব অভিযোগ থেকে আদানি গ্রুপকে ক্লিন চিট দিয়েছে। এর পরপরই আদানি গ্রুপের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর ফের বাড়তে শুরু করে।
হিন্ডেনবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘আদানি গ্রুপ কয়েক দশক ধরে নির্লজ্জভাবে শেয়ার বাজারে কারসাজি করে আসছে এবং তারা হিসাব জালিয়াতিতে জড়িত।’ তবে আদানি গ্রুপ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, ‘শর্ট-সেলারের স্টক ম্যানিপুলেশনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং এসব অভিযোগ ভারতীয় আইনের অজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত।’
এর আগে, ২০২২ সালের আগস্টের শেষ দিকে প্রথম কোনো এশিয়ান ব্যক্তি বিশ্বের সেরা ধনীর তালিকায় তৃতীয় স্থান দখল করেন আদানি। রিলায়েন্স গ্রুপের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি অথবা চীনের আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মাও শীর্ষ ধনীর তালিকায় প্রথম তিনে পৌঁছাতে পারেননি।
সে সময় আদানির সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স জানিয়েছিল, ৬০ বছর বয়সী ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদন প্রকাশের পর কয়েক দিনের মধ্যেই তৃতীয় থেকে ১৬ তম অবস্থানে নেমে যান আদানি।

ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির ব্যক্তিগত সম্পদ আবারও বেড়েছে। ফের তিনি উঠে গেছেন বিশ্বের ১০০ কোটি ডলারের মালিকদের অভিজাত ক্লাবে। হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদনের পর দ্রুতগতিতে সম্পদ হারাতে থাকা আদানি গ্রুপের শেয়ারের মূল্য আবারও বাড়তে শুরু করেছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় গৌতম আদানির সম্পদও ছাড়িয়ে গেছে ১০০ কোটি ডলার।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গৌতম আদানি এখন বিশ্বের ১২ তম শীর্ষ ধনী। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ১০১ বিলিয়ন ডলার। গত সপ্তাহের আগে থেকেই টানা ৮ দিন ধরে আদানি গ্রুপের শেয়ার দাম প্রায় ১৩০ শতাংশ বেড়েছে।
মার্কিন প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনলে গৌতম আদানি ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর হু হু করে কমতে থাকে। তবে সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও দেশটির শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (সেবি) এসব অভিযোগ থেকে আদানি গ্রুপকে ক্লিন চিট দিয়েছে। এর পরপরই আদানি গ্রুপের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর ফের বাড়তে শুরু করে।
হিন্ডেনবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘আদানি গ্রুপ কয়েক দশক ধরে নির্লজ্জভাবে শেয়ার বাজারে কারসাজি করে আসছে এবং তারা হিসাব জালিয়াতিতে জড়িত।’ তবে আদানি গ্রুপ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, ‘শর্ট-সেলারের স্টক ম্যানিপুলেশনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং এসব অভিযোগ ভারতীয় আইনের অজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত।’
এর আগে, ২০২২ সালের আগস্টের শেষ দিকে প্রথম কোনো এশিয়ান ব্যক্তি বিশ্বের সেরা ধনীর তালিকায় তৃতীয় স্থান দখল করেন আদানি। রিলায়েন্স গ্রুপের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি অথবা চীনের আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মাও শীর্ষ ধনীর তালিকায় প্রথম তিনে পৌঁছাতে পারেননি।
সে সময় আদানির সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স জানিয়েছিল, ৬০ বছর বয়সী ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদন প্রকাশের পর কয়েক দিনের মধ্যেই তৃতীয় থেকে ১৬ তম অবস্থানে নেমে যান আদানি।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪২ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে