
পশ্চিমবঙ্গের ময়নাগুড়িতে বিকানের গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। আহত হয়েছে আরও ৪৫ জন।
আজ বৃহস্পতিবার দোমোহনি এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এক্সপ্রেসটির বেশ কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। জানা যায়, পাটনা থেকে গুয়াহাটিগামী ট্রেনটি আজ বিকেল ৫টার দিকে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উদ্ধারকারী দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ট্রেনটির ৪-৫টি বগি দুমড়েমুচড়ে গেছে।
জানা যায়, ট্রেনটি ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ছুটছিল। ট্রেনটি ছাড়ার সময় ৭০০ যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনায় ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যাওয়ায় অনেকেই চাপা পড়েছেন। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও ট্রেনের নিচে চাপা পড়া যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ওই এলাকার আশপাশের সব হাসপাতাল এবং অন্যান্য হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কর্তৃপক্ষ।
ইতিমধ্যে গ্যাসকাটার দিয়ে ট্রেনের বগি কেটে যাত্রীদের উদ্ধার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলীপুর দুয়ার থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওনা হয়েছে। ৫২টি অ্যাম্বুলেস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অন্ধকার নেমে আসায় জেনারেটরের মাধ্যমে আলো জ্বালিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।
এদিকে এই দুর্ঘটনা নিয়ে টুইট করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী টুইটে লিখেছেন, ‘রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছি। পশ্চিমবঙ্গে ট্রেন দুর্ঘটনার নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোকাহত পরিবারের পাশে রয়েছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, এই কামনা করি।’
রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে অবহিত করেছেন।
ইতিমধ্যে রেল মন্ত্রণালয় প্রত্যেক নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ৫ লাখ রুপি, গুরুতর আহত ব্যক্তির পরিবারকে ১ লাখ ও সামান্য আহত ব্যক্তিকে ২৫ হাজার রুপি আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের ময়নাগুড়িতে বিকানের গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। আহত হয়েছে আরও ৪৫ জন।
আজ বৃহস্পতিবার দোমোহনি এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এক্সপ্রেসটির বেশ কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। জানা যায়, পাটনা থেকে গুয়াহাটিগামী ট্রেনটি আজ বিকেল ৫টার দিকে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উদ্ধারকারী দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ট্রেনটির ৪-৫টি বগি দুমড়েমুচড়ে গেছে।
জানা যায়, ট্রেনটি ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ছুটছিল। ট্রেনটি ছাড়ার সময় ৭০০ যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনায় ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যাওয়ায় অনেকেই চাপা পড়েছেন। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও ট্রেনের নিচে চাপা পড়া যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ওই এলাকার আশপাশের সব হাসপাতাল এবং অন্যান্য হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কর্তৃপক্ষ।
ইতিমধ্যে গ্যাসকাটার দিয়ে ট্রেনের বগি কেটে যাত্রীদের উদ্ধার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলীপুর দুয়ার থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওনা হয়েছে। ৫২টি অ্যাম্বুলেস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অন্ধকার নেমে আসায় জেনারেটরের মাধ্যমে আলো জ্বালিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।
এদিকে এই দুর্ঘটনা নিয়ে টুইট করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী টুইটে লিখেছেন, ‘রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছি। পশ্চিমবঙ্গে ট্রেন দুর্ঘটনার নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোকাহত পরিবারের পাশে রয়েছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, এই কামনা করি।’
রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে অবহিত করেছেন।
ইতিমধ্যে রেল মন্ত্রণালয় প্রত্যেক নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ৫ লাখ রুপি, গুরুতর আহত ব্যক্তির পরিবারকে ১ লাখ ও সামান্য আহত ব্যক্তিকে ২৫ হাজার রুপি আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে