
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার তরুণী চিকিৎসকের মরদেহ পুলিশ তাড়াহুড়া করে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ছিল শুরু থেকেই। এবার নিহত চিকিৎসকের পরিবারও একই অভিযোগ করল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।
রোববার ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে নিহত চিকিৎসকের মরদেহ তাড়াহুড়া করে দাহ করার অভিযোগ করেছেন তাঁর বাবা। তিনি করেছেন, শ্মশানে আরও তিনটি মরদেহ ছিল। তারপরও তাঁর মেয়ের মৃতদেহটিই তাড়াহুড়া করে দাহ করা হয়েছে।
শুরুতে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলাটি কলকাতা পুলিশের কাছে থাকলেও বর্তমানে এটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই)। রাজ্যের মমতা সরকারের বিরোধীরা শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল, তাড়াহুড়া করে মরদেহ দাহ করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করছে পুলিশ। দাহ করার আগে বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মর্গে পৌঁছে মরদেহটি শ্মশানে নিয়ে যেতে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন।
তবে এ ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে কলকাতা পুলিশ জানিয়েছিল, চিকিৎসকের মরদেহ সৎকারে তাদের কোনো হাত ছিল না। যা করার মেয়েটির পরিবারই করেছে।
শেষ পর্যন্ত নিহত চিকিৎসকের বাবাও একটি সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকায়ও তিনি সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন। চিকিৎসকের বাবা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার দেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু যে সব সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের দাবি করছেন, তাঁদের তিনি জেলে ভরার চেষ্টা করছেন। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নই। তাঁর দেওয়া কোনো ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছি।’
মেয়ের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের গতি নিয়েও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধেও তিনি অসন্তুষ্ট। মেয়ের পরিণতির জন্য পুরো সিস্টেমকেই তিনি দায়ী করেছেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার তরুণী চিকিৎসকের মরদেহ পুলিশ তাড়াহুড়া করে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ছিল শুরু থেকেই। এবার নিহত চিকিৎসকের পরিবারও একই অভিযোগ করল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।
রোববার ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে নিহত চিকিৎসকের মরদেহ তাড়াহুড়া করে দাহ করার অভিযোগ করেছেন তাঁর বাবা। তিনি করেছেন, শ্মশানে আরও তিনটি মরদেহ ছিল। তারপরও তাঁর মেয়ের মৃতদেহটিই তাড়াহুড়া করে দাহ করা হয়েছে।
শুরুতে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলাটি কলকাতা পুলিশের কাছে থাকলেও বর্তমানে এটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই)। রাজ্যের মমতা সরকারের বিরোধীরা শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল, তাড়াহুড়া করে মরদেহ দাহ করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করছে পুলিশ। দাহ করার আগে বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মর্গে পৌঁছে মরদেহটি শ্মশানে নিয়ে যেতে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন।
তবে এ ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে কলকাতা পুলিশ জানিয়েছিল, চিকিৎসকের মরদেহ সৎকারে তাদের কোনো হাত ছিল না। যা করার মেয়েটির পরিবারই করেছে।
শেষ পর্যন্ত নিহত চিকিৎসকের বাবাও একটি সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকায়ও তিনি সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন। চিকিৎসকের বাবা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার দেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু যে সব সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের দাবি করছেন, তাঁদের তিনি জেলে ভরার চেষ্টা করছেন। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নই। তাঁর দেওয়া কোনো ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছি।’
মেয়ের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের গতি নিয়েও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধেও তিনি অসন্তুষ্ট। মেয়ের পরিণতির জন্য পুরো সিস্টেমকেই তিনি দায়ী করেছেন।

তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের বিশাল সামরিক মহড়া ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ শেষ হওয়ার মাত্র এক দিন পরই সি চিন পিংয়ের এই কড়া বার্তা এল। উল্লেখ্য, চীন তাইওয়ানকে নিজের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে তা দখলের হুমকি দিয়ে আসছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাম হাতে কালশিটে বা কালচে দাগ দেখা দেওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। শপথ নেওয়ার এক বছরের মাথায় ও ৮০ বছরে পা দেওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে প্রেসিডেন্টের এই শারীরিক পরিবর্তনগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার খোসা, এনদেবেলে, সোথো ও ভেন্ডা সম্প্রদায়ের কিশোর ও তরুণেরা ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবে অংশ নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার শিশু আইন (২০০৫) অনুযায়ী, সাধারণত ১৬ বছরের বেশি বয়সীদের খতনা করানো হয়। এর নিচে খতনা করানো দেশটিতে আইনত নিষিদ্ধ।
১১ ঘণ্টা আগে
এই হামলার ঘটনা প্রথম প্রকাশ পায় গত সেপ্টেম্বরে, যখন রাজপরিবার নিয়ে লেখা একটি বই দ্য টাইমস পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়। তবে এর আগে বাকিংহাম প্যালেস থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে