
ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমার্থক হয়ে উঠেছেন দেশটির নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। ২০১৪ সালে মোদি প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ওই পদে বসিয়েছিলেন। মোদি সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদে আবারও দোভালও টানা তৃতীয়বারের মতো নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় মোদির নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ার পর কে হচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা—তা নিয়ে কৌতূহল ছিল দেশটির সাধারণ মানুষের। তবে এই পদে এবারও কোনো নতুন মুখ আসেননি। অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা দোভালের ওপরই তৃতীয়বারের মতো আস্থা রেখেছেন মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর প্রধান সচিব পদে অবসরপ্রাপ্ত আইসিএস কর্মকর্তা পিকে মিশ্রকেও পুনর্বহাল করছেন।
দোভালের নিয়োগ প্রসঙ্গে ভারতীয় বিশ্লেষকেরা বলছেন, তাঁর আমলে ভারতের নিরাপত্তা সুদৃঢ় হয়েছে। আগের তুলনায় শান্ত হয়ে এসেছে কাশ্মীর। দেশে বিদেশে অবস্থান করা খালিস্তানপন্থী আন্দোলনকারীরাও এখন আতঙ্কিত সময় কাটাচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করেই দোভালকে আবারও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদটিকে ভারত অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন তিনি। দেশের নিরাপত্তা, ভূ-রাজনীতি থেকে রাষ্ট্র-অর্থনীতিতে তাঁর কৌশলগত বিশেষ ভূমিকা থাকে। র (RAW) থেকে শুরু করে ভারতের সব গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নিয়মিত রিপোর্ট পান তিনি।
পদাধিকার বলে ভারতের নিরাপত্তা কাউন্সিলেরও প্রধান অজিত দোভাল। ১৯৬৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার ছিলেন তিনি। ইতিপূর্বে দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশসেরা গোয়েন্দা হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। পাকিস্তান বিষয়ে বরাবরই কঠোর এই কর্মকর্তার আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা নীতিতে ২০১৬ সালে পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারত। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ মেটাতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমার্থক হয়ে উঠেছেন দেশটির নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। ২০১৪ সালে মোদি প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ওই পদে বসিয়েছিলেন। মোদি সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদে আবারও দোভালও টানা তৃতীয়বারের মতো নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় মোদির নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ার পর কে হচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা—তা নিয়ে কৌতূহল ছিল দেশটির সাধারণ মানুষের। তবে এই পদে এবারও কোনো নতুন মুখ আসেননি। অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা দোভালের ওপরই তৃতীয়বারের মতো আস্থা রেখেছেন মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর প্রধান সচিব পদে অবসরপ্রাপ্ত আইসিএস কর্মকর্তা পিকে মিশ্রকেও পুনর্বহাল করছেন।
দোভালের নিয়োগ প্রসঙ্গে ভারতীয় বিশ্লেষকেরা বলছেন, তাঁর আমলে ভারতের নিরাপত্তা সুদৃঢ় হয়েছে। আগের তুলনায় শান্ত হয়ে এসেছে কাশ্মীর। দেশে বিদেশে অবস্থান করা খালিস্তানপন্থী আন্দোলনকারীরাও এখন আতঙ্কিত সময় কাটাচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করেই দোভালকে আবারও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদটিকে ভারত অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন তিনি। দেশের নিরাপত্তা, ভূ-রাজনীতি থেকে রাষ্ট্র-অর্থনীতিতে তাঁর কৌশলগত বিশেষ ভূমিকা থাকে। র (RAW) থেকে শুরু করে ভারতের সব গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নিয়মিত রিপোর্ট পান তিনি।
পদাধিকার বলে ভারতের নিরাপত্তা কাউন্সিলেরও প্রধান অজিত দোভাল। ১৯৬৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার ছিলেন তিনি। ইতিপূর্বে দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশসেরা গোয়েন্দা হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। পাকিস্তান বিষয়ে বরাবরই কঠোর এই কর্মকর্তার আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা নীতিতে ২০১৬ সালে পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারত। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ মেটাতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে