কলকাতা প্রতিনিধি

এক ভারতীয় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। তবে ঘটনার পেছনে যৌনকর্মীর সঙ্গে লেনদেন নিয়ে ঝগড়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পুলিশের কাছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিন জন সম্পর্কে ভাই। গতকাল বুধবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এক নারী পার্ক স্ট্রিট থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করেন। সে রাতেই পুলিশ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাঁদের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—রাসেল শেখ, মোহাম্মদ কাউসার চৌধুরী এবং মোহাম্মদ আব্দুল আলী মিজান। তাঁরা এক আত্মীয়ের চিকিৎসার জন্য এসেছেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কলকাতা পুলিশের সেন্ট্রাল এলাকার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার রূপেশ কুমার জানিয়েছেন, হোটেলটির ম্যানেজারকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কলকাতার নিউ মার্কেটের ওই হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ এবং গ্রেপ্তার তিন জনের হোটেলে জমা দেওয়া নথিপত্রও পরীক্ষা করছে পুলিশ। সেই নারীরও মেডিকেল টেস্ট করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে নারাজ পুলিশ কর্মকর্তারা।
রূপেশ কুমার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ধর্ষণের শিকার নারী একজন যৌনকর্মী। টাকা নিয়ে গোলমালের জেরেই তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে ঘটনার সত্যতা যাই হোক না কেন, ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশি নাগরিকেরা ধর্ষণ করেছে—এমন অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা এই ঘটনার জেরে যাতে খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখছে বলে জানা গেছে।

এক ভারতীয় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। তবে ঘটনার পেছনে যৌনকর্মীর সঙ্গে লেনদেন নিয়ে ঝগড়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পুলিশের কাছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিন জন সম্পর্কে ভাই। গতকাল বুধবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এক নারী পার্ক স্ট্রিট থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করেন। সে রাতেই পুলিশ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাঁদের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—রাসেল শেখ, মোহাম্মদ কাউসার চৌধুরী এবং মোহাম্মদ আব্দুল আলী মিজান। তাঁরা এক আত্মীয়ের চিকিৎসার জন্য এসেছেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কলকাতা পুলিশের সেন্ট্রাল এলাকার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার রূপেশ কুমার জানিয়েছেন, হোটেলটির ম্যানেজারকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কলকাতার নিউ মার্কেটের ওই হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ এবং গ্রেপ্তার তিন জনের হোটেলে জমা দেওয়া নথিপত্রও পরীক্ষা করছে পুলিশ। সেই নারীরও মেডিকেল টেস্ট করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে নারাজ পুলিশ কর্মকর্তারা।
রূপেশ কুমার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ধর্ষণের শিকার নারী একজন যৌনকর্মী। টাকা নিয়ে গোলমালের জেরেই তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে ঘটনার সত্যতা যাই হোক না কেন, ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশি নাগরিকেরা ধর্ষণ করেছে—এমন অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা এই ঘটনার জেরে যাতে খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখছে বলে জানা গেছে।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
২ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৫ ঘণ্টা আগে