কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে কথা হয় এই দুই নেতার।
আলোচনার একপর্যায়ে চলতি বছরের শেষদিকে ভারতে অনুষ্ঠেয় ২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, ফোনালাপে দুই নেতা ইউক্রেন পরিস্থিতি ও দুই দেশের দীর্ঘদিনের ‘স্পেশাল ও প্রিভিলেজড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ আরও দৃঢ় করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় মোদি পুনরায় ভারতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের অবস্থান জানান।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মোদি লিখেছেন, ‘বন্ধু প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। এ বছরের শেষে ভারতে তাঁকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় রয়েছি।’
রয়টার্স, টাইমস অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ আন্তর্জাতিক ও সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পুতিন এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল বার্ষিক সম্মেলনের প্রথাগত অংশ নয়, বরং ভারত–রাশিয়া কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করার একটি সংকেত।
এই আমন্ত্রণকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক বার্তা স্পষ্ট—বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও ভারত ও রাশিয়া তাদের ঐতিহাসিক সম্পর্কের পথ ধরে এগোচ্ছে।
এদিকে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন অস্ত্র ও বিমান কেনার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছে ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের জবাবে এটি দেশটির প্রথম দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে কথা হয় এই দুই নেতার।
আলোচনার একপর্যায়ে চলতি বছরের শেষদিকে ভারতে অনুষ্ঠেয় ২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, ফোনালাপে দুই নেতা ইউক্রেন পরিস্থিতি ও দুই দেশের দীর্ঘদিনের ‘স্পেশাল ও প্রিভিলেজড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ আরও দৃঢ় করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় মোদি পুনরায় ভারতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের অবস্থান জানান।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মোদি লিখেছেন, ‘বন্ধু প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। এ বছরের শেষে ভারতে তাঁকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় রয়েছি।’
রয়টার্স, টাইমস অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ আন্তর্জাতিক ও সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পুতিন এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল বার্ষিক সম্মেলনের প্রথাগত অংশ নয়, বরং ভারত–রাশিয়া কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করার একটি সংকেত।
এই আমন্ত্রণকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক বার্তা স্পষ্ট—বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও ভারত ও রাশিয়া তাদের ঐতিহাসিক সম্পর্কের পথ ধরে এগোচ্ছে।
এদিকে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন অস্ত্র ও বিমান কেনার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছে ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের জবাবে এটি দেশটির প্রথম দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে তাঁর প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ যোগ দিতে চাপ দিতেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফরাসি
২ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে