
ধর্ষণের পর দুই নারীকে নগ্ন করে ঘোরানো হয়েছে মণিপুরের একটি জেলায়। শুধু তা-ই নয়, ধর্ষিতার এক কিশোর ভাইকে হত্যাও করে উত্তেজিত জনতা। সম্প্রতি মে মাসের ৪ তারিখে সংঘটিত সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেলে মণিপুরজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ৩ মে মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী মেইতেইকে তফসিলি আদিবাসী ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিক্ষোভের সূত্র ধরে রাজ্যটিতে কুকি সম্প্রদায়ের সঙ্গে জাতিগত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে মেইতেইরা। জাতিগত সংঘাত শুরুর মাত্র এক দিন পর এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের শিকার ওই দুই নারী মূলত তাঁদের পরিবারের সঙ্গে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে একদল লোক খবর পায় যে তাদের গোষ্ঠীর দুই নারী ধর্ষিত হয়েছেন এবং তাঁদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে বিষয়টির সত্যাসত্য যাচাই না করেই ওই দলটি পালিয়ে যাওয়া পরিবারের পিছু ধাওয়া করে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ওই দলটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুজন পুরুষ এবং তিনজন নারী। দুজন পুরুষের মধ্যে একজনের বয়স ৫৬ বছর, তাঁর ছেলের বয়স ১৯ বছর। তাঁর মেয়ের বয়স ২১ বছর। এ ছাড়া অন্য দুই নারীর বয়স যথাক্রমে ৪২ ও ৫২ বছর। পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, দলটি যখন বলের দিকে যাচ্ছিল তখন তাদের সঙ্গে নঙপোক সেকমাই পুলিশ স্টেশনের কয়েক সদস্যের দেখা হয়।
সেকমাই পুলিশ স্টেশন থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে পাঁচজনের ওই দলটিকে দেখতে পায় প্রায় ৮০০ থেকে হাজারজনের একদল জনতা। পরে তারা পুলিশের কাছ থেকে ওই পাঁচজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সে সময় জনতার হাত থেকে বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে ১৯ বছর বয়সী ভাইকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ ভুক্তভোগীদের আত্মীয়দের অভিযোগের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তিন নারীর মধ্য থেকে একজনকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে।
এদিকে, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার এক দিন পর ভিডিও থেকে চিহ্নিত করে আজ বৃহস্পতিবার একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ভিডিওতে থাকা অন্যদের পরিচয়ও জানার চেষ্টা করছে।

ধর্ষণের পর দুই নারীকে নগ্ন করে ঘোরানো হয়েছে মণিপুরের একটি জেলায়। শুধু তা-ই নয়, ধর্ষিতার এক কিশোর ভাইকে হত্যাও করে উত্তেজিত জনতা। সম্প্রতি মে মাসের ৪ তারিখে সংঘটিত সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেলে মণিপুরজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ৩ মে মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী মেইতেইকে তফসিলি আদিবাসী ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিক্ষোভের সূত্র ধরে রাজ্যটিতে কুকি সম্প্রদায়ের সঙ্গে জাতিগত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে মেইতেইরা। জাতিগত সংঘাত শুরুর মাত্র এক দিন পর এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের শিকার ওই দুই নারী মূলত তাঁদের পরিবারের সঙ্গে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে একদল লোক খবর পায় যে তাদের গোষ্ঠীর দুই নারী ধর্ষিত হয়েছেন এবং তাঁদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে বিষয়টির সত্যাসত্য যাচাই না করেই ওই দলটি পালিয়ে যাওয়া পরিবারের পিছু ধাওয়া করে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ওই দলটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুজন পুরুষ এবং তিনজন নারী। দুজন পুরুষের মধ্যে একজনের বয়স ৫৬ বছর, তাঁর ছেলের বয়স ১৯ বছর। তাঁর মেয়ের বয়স ২১ বছর। এ ছাড়া অন্য দুই নারীর বয়স যথাক্রমে ৪২ ও ৫২ বছর। পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, দলটি যখন বলের দিকে যাচ্ছিল তখন তাদের সঙ্গে নঙপোক সেকমাই পুলিশ স্টেশনের কয়েক সদস্যের দেখা হয়।
সেকমাই পুলিশ স্টেশন থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে পাঁচজনের ওই দলটিকে দেখতে পায় প্রায় ৮০০ থেকে হাজারজনের একদল জনতা। পরে তারা পুলিশের কাছ থেকে ওই পাঁচজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সে সময় জনতার হাত থেকে বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে ১৯ বছর বয়সী ভাইকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ ভুক্তভোগীদের আত্মীয়দের অভিযোগের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তিন নারীর মধ্য থেকে একজনকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে।
এদিকে, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার এক দিন পর ভিডিও থেকে চিহ্নিত করে আজ বৃহস্পতিবার একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ভিডিওতে থাকা অন্যদের পরিচয়ও জানার চেষ্টা করছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে