Ajker Patrika

ভারতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া স্ত্রীকে ৩ বন্ধুকে দিয়ে ধর্ষণ করাতেন স্বামী

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৫: ৩২
ভারতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া স্ত্রীকে ৩ বন্ধুকে দিয়ে ধর্ষণ করাতেন স্বামী
হায়দরাবাদে নিজের বাড়িতে স্ত্রীকে তালাবন্ধ করে রেখেছিলেন তাঁর স্বামী (বাম দিক থেকে তৃতীয় ব্যক্তি)। এরপর তিনি তাঁর ৩ বন্ধুকে পাঠান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করার জন্য। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের হায়দরাবাদে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীকে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে রেখে নিজের তিন ‘বন্ধু’কে দিয়ে বারবার ধর্ষণ করানোর অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী ১৮ বছর বয়সী ওই নারী বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ‘মিয়ানমারের নাগরিক।’ তবে তাঁর নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, ২৩ অক্টোবর বাড়ির মালিক বকেয়া ভাড়া আদায় করতে এসে বাড়িটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি তালা ভেঙে দিলে ওই নারী বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন এবং ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

হুমাইরা তামান্না নামের ওই নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশের কক্সবাজারে বসবাস করার সময় মোহাম্মদ ফায়াজ নামে ওই ভারতীয়র সঙ্গে পরিচিত হন। কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয়প্রার্থী রয়েছেন। ফায়াজ তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত মে মাসে পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে ভারতে নিয়ে আসেন। ভারতে পৌঁছানোর তিন থেকে চার দিন পর হায়দরাবাদে তাঁদের বিয়ে হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের প্রায় এক মাস পর ফায়াজ তাঁর তিন বন্ধু আহমেদ মুজিব, নূর কামাল ও জিয়াউর রহমানকে তাঁদের ভাড়া বাড়িতে নিয়ে আসেন। ওই তিন ব্যক্তিও মিয়ানমারের নাগরিক এবং বর্তমানে হায়দরাবাদের বাসিন্দা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই নারীর অভিযোগ, ফায়াজ বাড়ির বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতেন এবং তাঁর তিন বন্ধুকে বাড়ির ভেতরে পাঠাতেন। এ সময় ওই তিন ব্যক্তি তাঁকে যৌন নির্যাতন করতেন। তাঁদের মধ্যে দুজন নির্যাতনের ঘটনা কাউকে জানালে তাঁকে হত্যা করার হুমকিও দেন। ভয় এবং কোথায় গিয়ে সাহায্য চাইবেন, তা বুঝতে না পারার কারণে তিনি আগে নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।

২৩ অক্টোবর বাড়ির মালিক বকেয়া ভাড়া আদায় করতে এসে বাড়িটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তিনি তালা ভেঙে দিলে ওই নারী বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি অন্য এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তাঁকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

২৬ অক্টোবর ওই নারীর আত্মীয় মোহাম্মদ রশিদ তাঁকে একটি থানায় নিয়ে যান। সেখানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় একটি এফআইআর (প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন) করা হয়েছে। অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত