
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণম জয়শংকর বলেছেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বলেন, প্রত্যেক দেশের জন্যই তার প্রতিবেশীরা একটি ‘ধাঁধা’। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতকে ‘পারস্পরিক স্বার্থের’ দিকে নজর দিতে হবে।
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত রাজিব সিক্রি লিখিত বইটির নাম ‘স্ট্র্যাটেজিক কোনানড্রাম: রিশেপিং ইন্ডিয়াস ফরেন পলিসি’। বইটি মূলত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং কী কী চ্যালেঞ্জ আছে সে বিষয়ে লেখা।
বইটি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে জয়শংকর বলেন, ‘এখন, আমরা যদি কোনো ধাঁধার দিকে তাকাই তাহলে দেখব, বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো একেকটি ধাঁধা। কারণ, বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা সবচেয়ে কঠিন। এসব ধাঁধা সহজেই সমাধান করা সম্ভব নয় এবং তার পরও তারা সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে, যা সর্বদা সমস্যাগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে।’
এই পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তো, লোকজন মাঝে মাঝে যখন বলে যে, বাংলাদেশে এটা ঘটেছে, মালদ্বীপে সেটা ঘটেছে—আমি মনে করি, তাদের বিশ্বজুড়ে নজর দেওয়া উচিত। আমাকে বলুন তো, বিশ্বের কোন দেশের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কোনো চ্যালেঞ্জ বা জটিলতা নেই। আমি মনে করি, এটি প্রতিবেশীর যে চরিত্র, তার মধ্যেই এসব ঘটার বিষয়টি নিহিত।’
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জয়শংকর আরও বলেন, ‘নানাবিধ কারণেই এই সম্পর্ক নিয়ে অনেক আগ্রহ আছে সবার। স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। এটি স্বাভাবিক যে, আমরা যে সরকার ক্ষমতায় ছিল তাদের সঙ্গে কাজ করেছি। তবে আমাদের এটা স্বীকার করতে হবে যে, সেখানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে এবং এই রাজনৈতিক পরিবর্তন বাধার সৃষ্টি করতে পারে। স্পষ্টত, এখানে আমাদের পারস্পরিক স্বার্থের দিকে নজর দিতে হবে।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণম জয়শংকর বলেছেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বলেন, প্রত্যেক দেশের জন্যই তার প্রতিবেশীরা একটি ‘ধাঁধা’। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতকে ‘পারস্পরিক স্বার্থের’ দিকে নজর দিতে হবে।
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত রাজিব সিক্রি লিখিত বইটির নাম ‘স্ট্র্যাটেজিক কোনানড্রাম: রিশেপিং ইন্ডিয়াস ফরেন পলিসি’। বইটি মূলত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং কী কী চ্যালেঞ্জ আছে সে বিষয়ে লেখা।
বইটি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে জয়শংকর বলেন, ‘এখন, আমরা যদি কোনো ধাঁধার দিকে তাকাই তাহলে দেখব, বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো একেকটি ধাঁধা। কারণ, বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা সবচেয়ে কঠিন। এসব ধাঁধা সহজেই সমাধান করা সম্ভব নয় এবং তার পরও তারা সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে, যা সর্বদা সমস্যাগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে।’
এই পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তো, লোকজন মাঝে মাঝে যখন বলে যে, বাংলাদেশে এটা ঘটেছে, মালদ্বীপে সেটা ঘটেছে—আমি মনে করি, তাদের বিশ্বজুড়ে নজর দেওয়া উচিত। আমাকে বলুন তো, বিশ্বের কোন দেশের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কোনো চ্যালেঞ্জ বা জটিলতা নেই। আমি মনে করি, এটি প্রতিবেশীর যে চরিত্র, তার মধ্যেই এসব ঘটার বিষয়টি নিহিত।’
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জয়শংকর আরও বলেন, ‘নানাবিধ কারণেই এই সম্পর্ক নিয়ে অনেক আগ্রহ আছে সবার। স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। এটি স্বাভাবিক যে, আমরা যে সরকার ক্ষমতায় ছিল তাদের সঙ্গে কাজ করেছি। তবে আমাদের এটা স্বীকার করতে হবে যে, সেখানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে এবং এই রাজনৈতিক পরিবর্তন বাধার সৃষ্টি করতে পারে। স্পষ্টত, এখানে আমাদের পারস্পরিক স্বার্থের দিকে নজর দিতে হবে।’

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
২ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে