
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধের নাটকীয় উত্তেজনার মধ্যেই কিয়েভে সব সামরিক সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দিল ওয়াশিংটন। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স, বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
ট্রাম্পের অভিযোগ—শান্তি চান না ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করা এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যত দিন না মার্কিন সংজ্ঞা অনুযায়ী সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে শান্তি আলোচনা করতে সম্মত হবে কিয়েভ, তত দিন বন্ধ থাকবে মার্কিন সহায়তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি শান্তির প্রতি আন্তরিক। আমাদের অংশীদারদেরও সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। আমরা আমাদের সহায়তা সাময়িকভাবে স্থগিত ও পর্যালোচনা করছি, যাতে এটি সমাধানে সহায়ক হয়।’
হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ঠিক কী পরিমাণ সহায়তা এতে প্রভাবিত হবে বা এই স্থগিতাদেশ কত দিন স্থায়ী হবে—এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি হোয়াইট হাউস থেকে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনও এ নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
একই বিষয়ে জানতে চেয়ে রয়টার্সের অনুরোধেও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। একইভাবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইউক্রেনীয় দূতাবাসও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউক্রেন ইস্যুতে তাঁর অবস্থান নিয়ে ছিল সংশয়। বাইডেন প্রশাসনের যে ঢালাও সহায়তা ইউক্রেন পেয়েছে গত তিন বছর, ক্ষমতায় এসেই তাতে লাগাম টেনেছেন ট্রাম্প। প্রথমে বন্ধ করেছেন মানবিক সহায়তাসংক্রান্ত তহবিল। এবার হোয়াইট হাউসের বাগ্বিতণ্ডার পর স্থগিত করলেন সামরিক সহায়তা।
তবে একে ট্রাম্পের স্বার্থ হাসিলের একটি কৌশল হিসেবেই বর্ণনা করেছেন বিশ্লেষকেরা। অনেকেই বলছেন, জেলেনস্কিকে শিগগিরই খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষরে বাধ্য করতেই এই চাল চেলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করছেন ডেমোক্র্যাটরা। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘আকস্মিক এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছি। এই যুদ্ধে রাশিয়া যে আগ্রাসী আর ইউক্রেন ভুক্তভোগী তা একেবারেই সুস্পষ্ট।’
জো বাইডেন আরও বলেন, ‘অথচ আমরা এমনভাবে আচরণ করছি যেন পরিস্থিতি উল্টো। রাশিয়ার নির্লজ্জ, নির্মম ও নৃশংস হামলার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে এবং ইউক্রেনীয়দের মাতৃভূমি রক্ষা করতে যে সহায়তা দিয়ে আসা হচ্ছিল, তা এভাবে বন্ধ করে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, যা অবিশ্বাস্য!’
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে কিয়েভকে প্রায় ৬৯ বিলিয়ন ডলার বা ৬ হাজার ৯০০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধের নাটকীয় উত্তেজনার মধ্যেই কিয়েভে সব সামরিক সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দিল ওয়াশিংটন। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স, বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
ট্রাম্পের অভিযোগ—শান্তি চান না ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করা এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যত দিন না মার্কিন সংজ্ঞা অনুযায়ী সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে শান্তি আলোচনা করতে সম্মত হবে কিয়েভ, তত দিন বন্ধ থাকবে মার্কিন সহায়তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি শান্তির প্রতি আন্তরিক। আমাদের অংশীদারদেরও সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। আমরা আমাদের সহায়তা সাময়িকভাবে স্থগিত ও পর্যালোচনা করছি, যাতে এটি সমাধানে সহায়ক হয়।’
হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ঠিক কী পরিমাণ সহায়তা এতে প্রভাবিত হবে বা এই স্থগিতাদেশ কত দিন স্থায়ী হবে—এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি হোয়াইট হাউস থেকে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনও এ নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
একই বিষয়ে জানতে চেয়ে রয়টার্সের অনুরোধেও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। একইভাবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইউক্রেনীয় দূতাবাসও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউক্রেন ইস্যুতে তাঁর অবস্থান নিয়ে ছিল সংশয়। বাইডেন প্রশাসনের যে ঢালাও সহায়তা ইউক্রেন পেয়েছে গত তিন বছর, ক্ষমতায় এসেই তাতে লাগাম টেনেছেন ট্রাম্প। প্রথমে বন্ধ করেছেন মানবিক সহায়তাসংক্রান্ত তহবিল। এবার হোয়াইট হাউসের বাগ্বিতণ্ডার পর স্থগিত করলেন সামরিক সহায়তা।
তবে একে ট্রাম্পের স্বার্থ হাসিলের একটি কৌশল হিসেবেই বর্ণনা করেছেন বিশ্লেষকেরা। অনেকেই বলছেন, জেলেনস্কিকে শিগগিরই খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষরে বাধ্য করতেই এই চাল চেলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করছেন ডেমোক্র্যাটরা। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘আকস্মিক এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছি। এই যুদ্ধে রাশিয়া যে আগ্রাসী আর ইউক্রেন ভুক্তভোগী তা একেবারেই সুস্পষ্ট।’
জো বাইডেন আরও বলেন, ‘অথচ আমরা এমনভাবে আচরণ করছি যেন পরিস্থিতি উল্টো। রাশিয়ার নির্লজ্জ, নির্মম ও নৃশংস হামলার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে এবং ইউক্রেনীয়দের মাতৃভূমি রক্ষা করতে যে সহায়তা দিয়ে আসা হচ্ছিল, তা এভাবে বন্ধ করে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, যা অবিশ্বাস্য!’
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে কিয়েভকে প্রায় ৬৯ বিলিয়ন ডলার বা ৬ হাজার ৯০০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের আবহের মধ্যেই ২০২৫ সালে ৬৯ হাজারেরও বেশি নাগরিক দেশ ছেড়েছেন। গতকাল বুধবার প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (সিবিএস) জানিয়েছে, এর ফলে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ইসরায়েলে অভিবাসনের ভারসাম্য ঋণাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম এই শহরের প্রথম মুসলিম এবং কয়েক প্রজন্মের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে ইতিহাস গড়লেন। আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাবাসীর জন্য সবটুকু আশার আলো যেন নিভে যেতে বসেছে। উপত্যকার কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল, যা ওই অঞ্চলে জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রমকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা থেকে তাঁর দেশ আর মাত্র ‘১০ শতাংশ’ দূরে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অমীমাংসিত এবং মস্কোকে পুরস্কৃত করার বিরুদ্ধেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে