
ইতালির প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘লে এসপ্রেসো’-এর একটি প্রচ্ছদ ছবি ইসরায়েল ও ইতালির মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধের সৃষ্টি করেছে।
ম্যাগাজিনটির সর্বশেষ সংখ্যার কভারে দেখা গেছে—একজন সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী একজন ফিলিস্তিনি মেয়েকে মোবাইল ফোনে ধারণ করছে। ছবিটির শিরোনাম ছিল ‘দ্য অ্যাবিউজ’ বা ‘অত্যাচার’। প্রচ্ছদটিকে মূলত পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর কথিত নির্যাতনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছে ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) আল-জাজিরাসহ ইতালি ও ইসরায়েলের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই প্রচ্ছদ প্রকাশের পরপরই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। ইতালিতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত জনাথন পেলেড এই প্রচ্ছদকে ‘বাস্তবতাকে বিকৃত করা’ এবং ‘ঘৃণা উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। তিনি এর নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এটি ইসরায়েলের জটিল বাস্তব পরিস্থিতিকে একপাক্ষিকভাবে তুলে ধরেছে।’
ইসরায়েলি কূটনীতিকদের পাশাপাশি ইতালির ইহুদি সম্প্রদায়ের কিছু সংগঠনও এই প্রচ্ছদকে ‘প্রচলিত মিথ্যা ছড়ানো’ এবং ‘বৈষম্যমূলক উপস্থাপন’ হিসেবে সমালোচনা করেছে।

এদিকে ‘লে এসপ্রেসো’ ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অটল রয়েছে। তারা বলেছে, এই ছবি পশ্চিম তীরে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের দৈনন্দিন বাস্তবতা তুলে ধরার একটি সাংবাদিকতামূলক প্রয়াস। তাদের দাবি, ছবিটি বাস্তব ঘটনার প্রতিফলন এবং তা প্রকাশ করা জনস্বার্থে জরুরি।
এই ঘটনাকে ঘিরে ইতালিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার সীমা এবং ইসরায়েল–ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইউরোপীয় অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এমন একটি ছবি শুধু একটি সংবাদ উপস্থাপন নয়, বরং তা আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও জনমতকে প্রভাবিত করার মতো শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছে।

একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জিনা রাইনহার্টকে খনির রয়্যালটির অংশ ভাগ করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। প্রায় এক দশক ধরে চলা বিরোধের নিষ্পত্তিতে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেন।
১ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ ও আরও কয়েকটি জাহাজে করে প্রায় ৬ হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ শুরু হওয়ার গত ৪৮ ঘণ্টায় কোনো জাহাজ ইরানের বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি এবং কোনো জাহাজ সেখান থেকে বেরও হতে পারেনি বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আল মায়েদিন একজন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। মূলত ইরানের চাপের মুখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননের এই যুদ্ধবিরতিটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির শেষ সপ্তাহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে