
সম্প্রতি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আঘাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস। কিয়েভের অভিযোগ, জেলেনস্কিকে হত্যা করতেই এই হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া। তবে মস্কো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের দাবিকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওদেসার যে স্থানে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, সেখান থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরেই একটি অবস্থানে বৈঠক করছিলেন গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
গত বুধবার রুশ বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বন্দরনগরী ওদেসা পরিদর্শনে যান ভলোদিমির জেলেনস্কি। গ্রিক প্রধানমন্ত্রী মিৎসোতাকিসকে সঙ্গে নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হামলায় নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনের সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর হঠাৎ সাইরেন বেজে উঠলে ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পরপরই ইউক্রেন অভিযোগ করে, জেলেনস্কিকে হত্যা করতেই এই হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুসারে, তবে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ। তিনি বলেছেন, ‘রাশিয়া চাইলে জেলেনস্কির গাড়ির ওপরেই হামলা চালাত, গাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরে নয়। জেলেনস্কিকে হত্যার জন্য ওই আক্রমণ চালানো হয়নি।’
এদিকে, ফ্রান্স সফরে গেছেন মলদোভার প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু। সেখানে তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছেন, শুধু ইউক্রেন নয়, প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই একইরকম ব্যবহার করছে পুতিনের রাশিয়া। যেকোনো সময় মলদোভার ওপরও আক্রমণ নেমে আসতে পারে।

সম্প্রতি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আঘাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস। কিয়েভের অভিযোগ, জেলেনস্কিকে হত্যা করতেই এই হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া। তবে মস্কো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের দাবিকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওদেসার যে স্থানে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, সেখান থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরেই একটি অবস্থানে বৈঠক করছিলেন গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
গত বুধবার রুশ বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বন্দরনগরী ওদেসা পরিদর্শনে যান ভলোদিমির জেলেনস্কি। গ্রিক প্রধানমন্ত্রী মিৎসোতাকিসকে সঙ্গে নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হামলায় নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনের সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর হঠাৎ সাইরেন বেজে উঠলে ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পরপরই ইউক্রেন অভিযোগ করে, জেলেনস্কিকে হত্যা করতেই এই হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুসারে, তবে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ। তিনি বলেছেন, ‘রাশিয়া চাইলে জেলেনস্কির গাড়ির ওপরেই হামলা চালাত, গাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরে নয়। জেলেনস্কিকে হত্যার জন্য ওই আক্রমণ চালানো হয়নি।’
এদিকে, ফ্রান্স সফরে গেছেন মলদোভার প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু। সেখানে তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছেন, শুধু ইউক্রেন নয়, প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই একইরকম ব্যবহার করছে পুতিনের রাশিয়া। যেকোনো সময় মলদোভার ওপরও আক্রমণ নেমে আসতে পারে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে