
সংকুচিত হয়ে আসা বিশ্ব দুয়ার খুব শিগগিরই খুলছে না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার কারণে এর সদস্য দেশগুলোতে যেতে পারবেন না পুতিন। তাই দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকসের সম্মেলনেও যোগ দিতে পারছেন না পুতিন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে দেশটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস জোটের সম্মেলনে পুতিন যোগ দিতে পারবেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার জানিয়েছে, রাশিয়ার সরকারের সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার আলোকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা পুতিন যদি দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেন তবে যেন তাকে গ্রেপ্তার না করা হয় সে জন্য আইসিসির কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পুতিনকে গ্রেপ্তার করা হলে তা হবে যুদ্ধ ঘোষণার সমান হবে। তবে তারপরও আইসিসি ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। এরপর থেকেই রাশিয়া এবং দেশটির নেতাদের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো। বিষয়টি সেখানেই থেমে থাকেনি, ইউক্রেনের শিশুদের অপহরণ করে রাশিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদলতে মামলা দায়ের করা হয়। পরে সেই মামলার সূত্র ধরে আদালত পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য হওয়ায় দেশটির ওপর এই আদালতের রায় এবং নির্দেশ মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে কিছুদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিল যে, পুতিন হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকা অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পারবেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনও বিষয়টি নিয়ে বেশ আশা প্রকাশ করেছিল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান সিদ্ধান্ত ক্রেমলিন তো বটেই পুতিনের জন্য আশাহত হওয়ার কারণ হতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

সংকুচিত হয়ে আসা বিশ্ব দুয়ার খুব শিগগিরই খুলছে না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার কারণে এর সদস্য দেশগুলোতে যেতে পারবেন না পুতিন। তাই দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকসের সম্মেলনেও যোগ দিতে পারছেন না পুতিন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে দেশটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস জোটের সম্মেলনে পুতিন যোগ দিতে পারবেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার জানিয়েছে, রাশিয়ার সরকারের সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার আলোকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা পুতিন যদি দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেন তবে যেন তাকে গ্রেপ্তার না করা হয় সে জন্য আইসিসির কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পুতিনকে গ্রেপ্তার করা হলে তা হবে যুদ্ধ ঘোষণার সমান হবে। তবে তারপরও আইসিসি ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। এরপর থেকেই রাশিয়া এবং দেশটির নেতাদের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো। বিষয়টি সেখানেই থেমে থাকেনি, ইউক্রেনের শিশুদের অপহরণ করে রাশিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদলতে মামলা দায়ের করা হয়। পরে সেই মামলার সূত্র ধরে আদালত পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য হওয়ায় দেশটির ওপর এই আদালতের রায় এবং নির্দেশ মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে কিছুদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিল যে, পুতিন হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকা অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পারবেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনও বিষয়টি নিয়ে বেশ আশা প্রকাশ করেছিল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান সিদ্ধান্ত ক্রেমলিন তো বটেই পুতিনের জন্য আশাহত হওয়ার কারণ হতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে