
স্বচক্ষে ভার্জিন মেরিকে দেখা, ম্যাডোনার কান্না কিংবা ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মূর্তি থেকে রক্ত ঝরে পড়া—এমন অসংখ্য দাবির বিষয়ে দীর্ঘকাল ধরে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে রোমান ক্যাথলিক চার্চ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এমন হাজার হাজার দাবির মধ্যে হাতে গোনা দু–একটি ঘটনাকে অলৌকিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে অলৌকিক দাবি করা নানা ঘটনা সত্য–মিথ্যা যাচাইয়ের আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি ভাবনায় ফেলেছিল ভ্যাটিকান সিটিকে। শুক্রবার (১৭ মে) তাই এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনটিকে অলৌকিক বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে খ্রিষ্ট ধর্মের নীতি নির্ধারক এই প্রতিষ্ঠান।
ভ্যাটিকান থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনার সত্যাসত্য নির্ণয়ে চার্চের স্পষ্ট পদ্ধতি অনুসরণের প্রয়োজন। চলতি মাসেই এই নির্দেশিকাকে অনুমোদন দিয়েছিলেন খ্রিষ্টান ধর্মীয় সর্বোচ্চ নেতা পোপ ফ্রান্সিস। এতে বলা হয়েছে, ‘কথিত অতিপ্রাকৃত ঘটনা নির্ধারণের নিয়ম হালনাগাদ করা তা নিয়ন্ত্রণ বা আত্মাকে দমিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে নয়।’
ভ্যাটিকান মনে করে, ধর্মীয় চরিত্রের আবির্ভাব বা অন্যান্য দর্শন মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এগুলো গির্জার পক্ষ থেকে সত্যায়িত করার কিছু নেই। তবে ভ্যাটিকান ইতিপূর্বে কিছু ঘটনার অনুমোদন দিয়েছে, যেমন—১৯ শতকে ফ্রান্সের লর্ডসে ভার্জিন মেরির অবয়ব কিংবা বিশ শতকের শুরুর দিকে পর্তুগালের ফাতিমার ঘটনা। কথিত আছে, ১৯১৭ সালে ভার্জিন মেরি পর্তুগালের ফাতিমা গ্রামের কাছে তিন কৃষক সন্তানকে অন্তত ছয়বার দেখা দিয়েছিলেন। ভ্যাটিকানের স্বীকৃতির ফলে ওই অঞ্চলগুলো তীর্থযাত্রী এবং মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
অলৌকিক দাবিগুলো যে শুধু অতীতেই হয়েছে, এমন নয়। গত মার্চেও স্বঘোষিত এক স্বপ্নদর্শীর দাবি নাকচ করেছিল স্থানীয় গির্জা। ওই ব্যক্তি ভার্জিন মেরির কাছ থেকে নিয়মিত বার্তা পান বলে দাবি করেছিলেন।
আবার প্রায় ৯ বছর ধরে প্রতি মাসের ৩ তারিখে রোমের কাছাকাছি একটি হ্রদের ওপর ভার্জিন মেরির একটি মূর্তির কাছে প্রার্থনা এবং তাঁর বার্তা শুনতে যান অসংখ্য মানুষ। এ অবস্থায় চলতি মাসেই ধর্মতাত্ত্বিক, মনোবিজ্ঞানী এবং ক্যানোনিস্টদের একটি কমিশন উপসংহারে পৌঁছেছে যে, ‘ট্রেভিগনানোর ম্যাডোনা’ নামে পরিচিত ওই মূর্তিটির কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি নেই।
শুক্রবার ভ্যাটিকান থেকে জারি করা নতুন নির্দেশনাগুলো সেই নিয়মগুলোকে প্রতিস্থাপন করেছে, যেগুলো ১৯৭৮ সালে লেখা হয়েছিল এবং ২০১১ সালে প্রকাশ করা হয়েছিল।
নতুন নির্দেশিকায় অতিপ্রাকৃতিক দাবি করা ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে তদন্তকারী চার্চ নেতাদের জন্য ছয়টি সম্ভাব্য ‘বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত’ প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পদ্ধতি চার্চ নেতাদের কোনো বিষয়কে সরাসরি প্রত্যাখ্যান থেকে শুরু করে আরও সংক্ষিপ্ত যুক্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি দ্য ডিকাস্ট্রি অব কংগ্রিগেশন অব দ্য ফেইথ এবং ভ্যাটিকানের নৈতিকতা নজরদারি সংস্থা প্রতিটি ঘটনাই পর্যবেক্ষণ করবে।
আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনাকে স্বীকার করে ভবিষ্যতে গির্জা আর কোনো ঘোষণা দেবে না।

স্বচক্ষে ভার্জিন মেরিকে দেখা, ম্যাডোনার কান্না কিংবা ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মূর্তি থেকে রক্ত ঝরে পড়া—এমন অসংখ্য দাবির বিষয়ে দীর্ঘকাল ধরে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে রোমান ক্যাথলিক চার্চ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এমন হাজার হাজার দাবির মধ্যে হাতে গোনা দু–একটি ঘটনাকে অলৌকিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে অলৌকিক দাবি করা নানা ঘটনা সত্য–মিথ্যা যাচাইয়ের আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি ভাবনায় ফেলেছিল ভ্যাটিকান সিটিকে। শুক্রবার (১৭ মে) তাই এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনটিকে অলৌকিক বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে খ্রিষ্ট ধর্মের নীতি নির্ধারক এই প্রতিষ্ঠান।
ভ্যাটিকান থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনার সত্যাসত্য নির্ণয়ে চার্চের স্পষ্ট পদ্ধতি অনুসরণের প্রয়োজন। চলতি মাসেই এই নির্দেশিকাকে অনুমোদন দিয়েছিলেন খ্রিষ্টান ধর্মীয় সর্বোচ্চ নেতা পোপ ফ্রান্সিস। এতে বলা হয়েছে, ‘কথিত অতিপ্রাকৃত ঘটনা নির্ধারণের নিয়ম হালনাগাদ করা তা নিয়ন্ত্রণ বা আত্মাকে দমিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে নয়।’
ভ্যাটিকান মনে করে, ধর্মীয় চরিত্রের আবির্ভাব বা অন্যান্য দর্শন মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এগুলো গির্জার পক্ষ থেকে সত্যায়িত করার কিছু নেই। তবে ভ্যাটিকান ইতিপূর্বে কিছু ঘটনার অনুমোদন দিয়েছে, যেমন—১৯ শতকে ফ্রান্সের লর্ডসে ভার্জিন মেরির অবয়ব কিংবা বিশ শতকের শুরুর দিকে পর্তুগালের ফাতিমার ঘটনা। কথিত আছে, ১৯১৭ সালে ভার্জিন মেরি পর্তুগালের ফাতিমা গ্রামের কাছে তিন কৃষক সন্তানকে অন্তত ছয়বার দেখা দিয়েছিলেন। ভ্যাটিকানের স্বীকৃতির ফলে ওই অঞ্চলগুলো তীর্থযাত্রী এবং মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
অলৌকিক দাবিগুলো যে শুধু অতীতেই হয়েছে, এমন নয়। গত মার্চেও স্বঘোষিত এক স্বপ্নদর্শীর দাবি নাকচ করেছিল স্থানীয় গির্জা। ওই ব্যক্তি ভার্জিন মেরির কাছ থেকে নিয়মিত বার্তা পান বলে দাবি করেছিলেন।
আবার প্রায় ৯ বছর ধরে প্রতি মাসের ৩ তারিখে রোমের কাছাকাছি একটি হ্রদের ওপর ভার্জিন মেরির একটি মূর্তির কাছে প্রার্থনা এবং তাঁর বার্তা শুনতে যান অসংখ্য মানুষ। এ অবস্থায় চলতি মাসেই ধর্মতাত্ত্বিক, মনোবিজ্ঞানী এবং ক্যানোনিস্টদের একটি কমিশন উপসংহারে পৌঁছেছে যে, ‘ট্রেভিগনানোর ম্যাডোনা’ নামে পরিচিত ওই মূর্তিটির কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি নেই।
শুক্রবার ভ্যাটিকান থেকে জারি করা নতুন নির্দেশনাগুলো সেই নিয়মগুলোকে প্রতিস্থাপন করেছে, যেগুলো ১৯৭৮ সালে লেখা হয়েছিল এবং ২০১১ সালে প্রকাশ করা হয়েছিল।
নতুন নির্দেশিকায় অতিপ্রাকৃতিক দাবি করা ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে তদন্তকারী চার্চ নেতাদের জন্য ছয়টি সম্ভাব্য ‘বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত’ প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পদ্ধতি চার্চ নেতাদের কোনো বিষয়কে সরাসরি প্রত্যাখ্যান থেকে শুরু করে আরও সংক্ষিপ্ত যুক্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি দ্য ডিকাস্ট্রি অব কংগ্রিগেশন অব দ্য ফেইথ এবং ভ্যাটিকানের নৈতিকতা নজরদারি সংস্থা প্রতিটি ঘটনাই পর্যবেক্ষণ করবে।
আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনাকে স্বীকার করে ভবিষ্যতে গির্জা আর কোনো ঘোষণা দেবে না।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
২৭ মিনিট আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
১ ঘণ্টা আগে