
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে সারা বিশ্বে প্রতিদিনই বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে লাখ লাখ মানুষ। বিশ্বব্যাপী গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি উঠলেও আমলে নিচ্ছে না ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে তেল আবিবকে অস্ত্র, অর্থসহ সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসন। পুরো ইউরোপেই মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে। অথচ সেই সব দেশের সরকারগুলো বারবার ইসরায়েলের প্রতি সমর্থনের কথা বলে যাচ্ছে।
এর মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে অভিনব কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। বন্দরে ইসরায়েলগামী যুদ্ধাস্ত্রবাহী জাহাজ ঠেকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে সাধারণ মানুষ ও বন্দরশ্রমিকেরা।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের টাকোমা বন্দরে একটি মার্কিন সামরিক জাহাজ ভিড়লে খবর ছড়িয়ে পড়ে, ওই জাহাজে করে ইসরায়েলে অস্ত্রসহায়তা পাঠাবে বাইডেন প্রশাসন। এর পরই দুই শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারী ওকল্যান্ড বন্দরে ঢুকে বিক্ষোভ করেন। এমনকি ইসরায়েলকে দেওয়া অস্ত্রসহায়তা আটকে দিতে বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন জাহাজের ওপরে উঠে পড়েন। তাঁদের বাধার মুখে সামরিক রণতরিটি নির্ধারিত সময়ে বন্দর ছাড়তে পারেনি।
তবে ওই সামরিক জাহাজ অস্ত্র পরিবহন করছিল কি না বা সেটি আদৌ ইসরায়েলে যাচ্ছিল কি না, তা জানাতে পারেনি নিউইয়র্ক পোস্ট ও আল জাজিরা।
এদিকে মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের জন্য যুদ্ধসামগ্রী বহনকারী জাহাজের পণ্য ওঠানামা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বার্সেলোনা বন্দরের খালাসিরা। গতকাল সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তাঁরা গাজায় ইসরায়েলের সহিংসতার নিন্দা ও যুদ্ধবিরতির দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে বন্দরে ইসরায়েলমুখী পণ্য লোড-আনলোড করবেন না বলে জানিয়েছেন।
বন্দরের কর্মীরা বিবৃতিতে বলেছেন, বৈশ্বিক মানবাধিকা মেনে চলা এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করা তাঁদের দায়িত্ব, যেখানে প্রভাবশালী দেশগুলো এটি ভুলে বসে আছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা সংগঠন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে আমাদের বন্দর থেকে কোনো যুদ্ধাস্ত্রবাহী জাহাজ থেকে পণ্য লোড-আনলোড করতে দেওয়া হবে না। সেই সব জাহাজ যে দেশেরই হোক না কেন। বেসামরিক নাগরিকদের জীবন নেওয়ার পক্ষে কোনো যুক্তি খাটে না।’
বিবৃতিতে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া সংঘর্ষের কোনো শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার জন্য এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার নীতি মেনে চলা ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় জাতিসংঘকে ‘অসহযোগী ও অবহেলাপূর্ণ’ আচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে গত সপ্তাহে বেলজিয়ামে পরিবহন সমিতির সদস্যরা ইসরায়েলের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া অস্ত্রবাহী জাহাজ থেকে পণ্য লোড-আনলোড করতে অস্বীকৃতি জানান।
এক যৌথ বিবৃতিতে বাণিজ্য সমিতি বলে, ‘বেলজিয়ামের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কর্মীরা লক্ষ করছেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যা চলার সময় যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।’
বেলজিয়াম হয়ে ইসরায়েলে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করতে চাননি বেলজিয়াম সরকারের একজন মুখপাত্র।
সমিতি থেকে আরও বলা হয়, এই অস্ত্রগুলো লোড-আনলোড করা মানে হলো নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার জন্য অস্ত্র সরবরাহে সহায়তা করা।

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে সারা বিশ্বে প্রতিদিনই বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে লাখ লাখ মানুষ। বিশ্বব্যাপী গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি উঠলেও আমলে নিচ্ছে না ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে তেল আবিবকে অস্ত্র, অর্থসহ সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসন। পুরো ইউরোপেই মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে। অথচ সেই সব দেশের সরকারগুলো বারবার ইসরায়েলের প্রতি সমর্থনের কথা বলে যাচ্ছে।
এর মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে অভিনব কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। বন্দরে ইসরায়েলগামী যুদ্ধাস্ত্রবাহী জাহাজ ঠেকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে সাধারণ মানুষ ও বন্দরশ্রমিকেরা।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের টাকোমা বন্দরে একটি মার্কিন সামরিক জাহাজ ভিড়লে খবর ছড়িয়ে পড়ে, ওই জাহাজে করে ইসরায়েলে অস্ত্রসহায়তা পাঠাবে বাইডেন প্রশাসন। এর পরই দুই শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারী ওকল্যান্ড বন্দরে ঢুকে বিক্ষোভ করেন। এমনকি ইসরায়েলকে দেওয়া অস্ত্রসহায়তা আটকে দিতে বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন জাহাজের ওপরে উঠে পড়েন। তাঁদের বাধার মুখে সামরিক রণতরিটি নির্ধারিত সময়ে বন্দর ছাড়তে পারেনি।
তবে ওই সামরিক জাহাজ অস্ত্র পরিবহন করছিল কি না বা সেটি আদৌ ইসরায়েলে যাচ্ছিল কি না, তা জানাতে পারেনি নিউইয়র্ক পোস্ট ও আল জাজিরা।
এদিকে মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের জন্য যুদ্ধসামগ্রী বহনকারী জাহাজের পণ্য ওঠানামা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বার্সেলোনা বন্দরের খালাসিরা। গতকাল সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তাঁরা গাজায় ইসরায়েলের সহিংসতার নিন্দা ও যুদ্ধবিরতির দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে বন্দরে ইসরায়েলমুখী পণ্য লোড-আনলোড করবেন না বলে জানিয়েছেন।
বন্দরের কর্মীরা বিবৃতিতে বলেছেন, বৈশ্বিক মানবাধিকা মেনে চলা এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করা তাঁদের দায়িত্ব, যেখানে প্রভাবশালী দেশগুলো এটি ভুলে বসে আছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা সংগঠন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে আমাদের বন্দর থেকে কোনো যুদ্ধাস্ত্রবাহী জাহাজ থেকে পণ্য লোড-আনলোড করতে দেওয়া হবে না। সেই সব জাহাজ যে দেশেরই হোক না কেন। বেসামরিক নাগরিকদের জীবন নেওয়ার পক্ষে কোনো যুক্তি খাটে না।’
বিবৃতিতে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া সংঘর্ষের কোনো শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার জন্য এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার নীতি মেনে চলা ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় জাতিসংঘকে ‘অসহযোগী ও অবহেলাপূর্ণ’ আচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে গত সপ্তাহে বেলজিয়ামে পরিবহন সমিতির সদস্যরা ইসরায়েলের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া অস্ত্রবাহী জাহাজ থেকে পণ্য লোড-আনলোড করতে অস্বীকৃতি জানান।
এক যৌথ বিবৃতিতে বাণিজ্য সমিতি বলে, ‘বেলজিয়ামের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কর্মীরা লক্ষ করছেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যা চলার সময় যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।’
বেলজিয়াম হয়ে ইসরায়েলে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করতে চাননি বেলজিয়াম সরকারের একজন মুখপাত্র।
সমিতি থেকে আরও বলা হয়, এই অস্ত্রগুলো লোড-আনলোড করা মানে হলো নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার জন্য অস্ত্র সরবরাহে সহায়তা করা।

তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের বিশাল সামরিক মহড়া ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ শেষ হওয়ার মাত্র এক দিন পরই সি চিন পিংয়ের এই কড়া বার্তা এল। উল্লেখ্য, চীন তাইওয়ানকে নিজের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে তা দখলের হুমকি দিয়ে আসছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাম হাতে কালশিটে বা কালচে দাগ দেখা দেওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। শপথ নেওয়ার এক বছরের মাথায় ও ৮০ বছরে পা দেওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে প্রেসিডেন্টের এই শারীরিক পরিবর্তনগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার খোসা, এনদেবেলে, সোথো ও ভেন্ডা সম্প্রদায়ের কিশোর ও তরুণেরা ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবে অংশ নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার শিশু আইন (২০০৫) অনুযায়ী, সাধারণত ১৬ বছরের বেশি বয়সীদের খতনা করানো হয়। এর নিচে খতনা করানো দেশটিতে আইনত নিষিদ্ধ।
১১ ঘণ্টা আগে
এই হামলার ঘটনা প্রথম প্রকাশ পায় গত সেপ্টেম্বরে, যখন রাজপরিবার নিয়ে লেখা একটি বই দ্য টাইমস পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়। তবে এর আগে বাকিংহাম প্যালেস থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে