
চলমান ইউক্রেন সংকট নিরসনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার আলোচনার জন্য সম্ভাব্য স্থান হিসেবে জেরুজালেমের নাম উল্লেখ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
আজ শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতকে উদ্দেশ করে জেলেনস্কি আলোচনাস্থল হিসেবে জেরুজালেমের কথা উল্লেখ করেন। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম হারেৎজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইউক্রেন সংকট নিরসনে এর আগে একাধিকবার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এমনকি রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পৃথকভাবে কথাও বলেছিলেন বেনেত। বেনেতের আগ্রহকে কেন্দ্র করেই জেলেনস্কির তরফ থেকে আলোচনাস্থল হিসেবে জেরুজালেমের নাম প্রস্তাব করা হয় বলে উল্লেখ করেছে হারেৎজ।
কিয়েভে হারেৎজের প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে চলমান সংকট নিরসনে ইসরায়েলের আগ্রহের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘সাধারণত, যে কেউ এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতা করার বিষয়ে প্রস্তাব দিলে তা আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখি। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতকে আমি “শুধু কেউ” বলে মনে করি না।’
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আপনি চাইলেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন, কারণ ইসরায়েল একটি সমৃদ্ধ ইতিহাসের দেশ।’
জেলেনস্কির পক্ষ থেকে এমন সময় এই প্রস্তাব এল যখন রুশ বাহিনী ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দক্ষিণ এবং উত্তর উভয় পাশ থেকে সাঁড়াশির মতো চেপে ধরেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবরে জানা যাচ্ছে, মারিউপোল, মেলিতোপোল, খারকিভসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর হয় রুশ বাহিনীর দখলে চলে গেছে নয়তো অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে।
এর আগে, ইউক্রেন সংকট শুরুর দিকেই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত। সে সময় রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার চলমান যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নিজেই মধ্যস্থতার প্রস্তাব নিয়ে টেলিফোন করেছিলেন তখন।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সমঝোতার জন্য রাশিয়ার দাবি-দাওয়া মেনে নিতে ইউক্রেনকে চাপ দিচ্ছে ইসরায়েল, এমন অভিযোগও উঠেছে। এ ব্যাপারে আজ ইউক্রেন সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টা কথা বলেছেন। ইউক্রেনকে এ ধরনের কোনো চাপ দেওয়া বা উৎসাহিত করার খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

চলমান ইউক্রেন সংকট নিরসনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার আলোচনার জন্য সম্ভাব্য স্থান হিসেবে জেরুজালেমের নাম উল্লেখ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
আজ শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতকে উদ্দেশ করে জেলেনস্কি আলোচনাস্থল হিসেবে জেরুজালেমের কথা উল্লেখ করেন। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম হারেৎজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইউক্রেন সংকট নিরসনে এর আগে একাধিকবার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এমনকি রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পৃথকভাবে কথাও বলেছিলেন বেনেত। বেনেতের আগ্রহকে কেন্দ্র করেই জেলেনস্কির তরফ থেকে আলোচনাস্থল হিসেবে জেরুজালেমের নাম প্রস্তাব করা হয় বলে উল্লেখ করেছে হারেৎজ।
কিয়েভে হারেৎজের প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে চলমান সংকট নিরসনে ইসরায়েলের আগ্রহের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘সাধারণত, যে কেউ এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতা করার বিষয়ে প্রস্তাব দিলে তা আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখি। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতকে আমি “শুধু কেউ” বলে মনে করি না।’
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আপনি চাইলেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন, কারণ ইসরায়েল একটি সমৃদ্ধ ইতিহাসের দেশ।’
জেলেনস্কির পক্ষ থেকে এমন সময় এই প্রস্তাব এল যখন রুশ বাহিনী ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দক্ষিণ এবং উত্তর উভয় পাশ থেকে সাঁড়াশির মতো চেপে ধরেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবরে জানা যাচ্ছে, মারিউপোল, মেলিতোপোল, খারকিভসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর হয় রুশ বাহিনীর দখলে চলে গেছে নয়তো অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে।
এর আগে, ইউক্রেন সংকট শুরুর দিকেই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত। সে সময় রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার চলমান যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নিজেই মধ্যস্থতার প্রস্তাব নিয়ে টেলিফোন করেছিলেন তখন।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সমঝোতার জন্য রাশিয়ার দাবি-দাওয়া মেনে নিতে ইউক্রেনকে চাপ দিচ্ছে ইসরায়েল, এমন অভিযোগও উঠেছে। এ ব্যাপারে আজ ইউক্রেন সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টা কথা বলেছেন। ইউক্রেনকে এ ধরনের কোনো চাপ দেওয়া বা উৎসাহিত করার খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৭ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১১ ঘণ্টা আগে