
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেন সফরের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনায় বাঁধ সেধেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলেনস্কি গুতেরেসের কিয়েভ সফরের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মূলত জাতিসংঘের মহাসচিব রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার তাঁর প্রতি নাখোশ হয়েছেন জেলেনস্কি। আর তাই তিনি তাঁকে কিয়েভে ঢুকতে দেবে না বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
কিয়েভ বৃহস্পতিবার ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দেওয়ায় এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে করমর্দন করায় গুতেরেসের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ব্রিকস সম্মেলনে গুতেরেস ইউক্রেনে ‘ন্যায়সংগত শান্তি’ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তিনি বারবার এই আগ্রাসনের নিন্দা করেছেন।
গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের সময় গুতেরেস ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে ইউক্রেন সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জাতিসংঘের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক জানান। তিনি বলেন, ‘সেই সময় থেকে জাতিসংঘ ও ইউক্রেন একটি পারস্পরিক সুবিধাজনক সময় নির্ধারণের চেষ্টা করে যাচ্ছে, তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা জানান, ব্রিকস সম্মেলনে গুতেরেসের উপস্থিতির কারণে জেলেনস্কি এখন সেই সফর প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ওই কর্মকর্তা। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার বলেছে, গুতেরেসের ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
জেলেনস্কি গুতেরেসের ব্রিকস সম্মেলনে উপস্থিতির নিন্দা করে বলেছেন, ‘যদিও এর কিছু কর্মকর্তা কাজানের প্রলোভনকে জাতিসংঘ সনদের মূল চেতনার চেয়ে প্রাধান্য দিয়েছেন তবুও পৃথিবী এমনভাবেই গঠিত যে, কোনো একটি রাষ্ট্রের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের নিয়ম সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।’
এর আগে, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন অভিযান শুরু করে। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। বসতি ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেন সফরের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনায় বাঁধ সেধেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলেনস্কি গুতেরেসের কিয়েভ সফরের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মূলত জাতিসংঘের মহাসচিব রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার তাঁর প্রতি নাখোশ হয়েছেন জেলেনস্কি। আর তাই তিনি তাঁকে কিয়েভে ঢুকতে দেবে না বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
কিয়েভ বৃহস্পতিবার ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দেওয়ায় এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে করমর্দন করায় গুতেরেসের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ব্রিকস সম্মেলনে গুতেরেস ইউক্রেনে ‘ন্যায়সংগত শান্তি’ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তিনি বারবার এই আগ্রাসনের নিন্দা করেছেন।
গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের সময় গুতেরেস ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে ইউক্রেন সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জাতিসংঘের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক জানান। তিনি বলেন, ‘সেই সময় থেকে জাতিসংঘ ও ইউক্রেন একটি পারস্পরিক সুবিধাজনক সময় নির্ধারণের চেষ্টা করে যাচ্ছে, তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা জানান, ব্রিকস সম্মেলনে গুতেরেসের উপস্থিতির কারণে জেলেনস্কি এখন সেই সফর প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ওই কর্মকর্তা। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার বলেছে, গুতেরেসের ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
জেলেনস্কি গুতেরেসের ব্রিকস সম্মেলনে উপস্থিতির নিন্দা করে বলেছেন, ‘যদিও এর কিছু কর্মকর্তা কাজানের প্রলোভনকে জাতিসংঘ সনদের মূল চেতনার চেয়ে প্রাধান্য দিয়েছেন তবুও পৃথিবী এমনভাবেই গঠিত যে, কোনো একটি রাষ্ট্রের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের নিয়ম সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।’
এর আগে, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন অভিযান শুরু করে। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। বসতি ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে