
কারও জীবন নিতে বা কাউকে মেরে ফেলতে কেমন লাগে—এই প্রশ্ন কখনো মাথায় এসেছে? প্রতিদিনই পৃথিবীতে হাজারো খুন অথবা অপঘাতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কিন্তু কাউকে মেরে ফেলতে কেমন লাগে—এটা দেখার ইচ্ছা জাগ্রত হওয়া তো অস্বাভাবিকই! এমন বিকৃত শখ থেকেই এক নারীকে হত্যা এবং অন্য একজনকে গুরুতর আহত করেছেন এক শিক্ষার্থী। যুক্তরাজ্যে অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থী আবার অপরাধ বিজ্ঞানে পড়াশোনা করছেন!
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিলে যে কাউকে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন ২০ বছর বয়সী নাসেন সাদি। কোথায় কার্যসিদ্ধি সম্ভব এমন জায়গাও খুঁজতে থাকেন। ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্রসৈকতগুলো যাচাই-বাছাই করে বোর্নমাউথকেই উপযুক্ত মনে হয় তাঁর। ২১ মে থেকে দুই রাতের জন্য বোর্নমাউথে একটি হোটেলে ওঠেন সাদি।
এরপর মে মাসের ২৪ তারিখ রাতে বোর্নমাউথের ডারলি চাইন বিচে ৩৪ বছর বয়সী অ্যামি গ্রেকে হত্যা করেন এবং ৩৮ বছর বয়সী লিয়ান মাইলসকে গুরুতর আহত করেন।
ঘটনার সময় ওই দুই নারী বোর্নমাউথের সৈকতে বালুর ওপর বসে ছিলেন। তাঁরা আগুন পোহাচ্ছিলেন আর পূর্ণিমার চাঁদ দেখছিলেন। এ সময় সাদি তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করেন।
স্থানীয় ফুটবল কোচ অ্যামির গায়ে ১০ বার ছুরিকাঘাত করেন সাদি। হৃৎপিণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। অন্যদিকে লিয়ানকে ২০ বার ছুরিকাঘাত করলেও তিনি বেঁচে যান।
এই হত্যাকাণ্ডের পর বোর্নমাউথ ছেড়ে চলে যান সাদি। ২৮ মে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। তাঁর বিছানার পাশের ড্রয়ারে এবং একটি দেয়াল ও ওয়ার্ডরোবের মাঝখানে লুকানো অবস্থায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি খুঁজে পায় পুলিশ।
তাঁর অপরাধের বিপুল প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হত্যার এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেন সাদি। ঘটনার দিন তিনি বোর্নমাউথে ছিলেন বলে স্বীকার করেন। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
সে সময় উইনচেস্টার ক্রাউন কোর্টের বিচারকদের উদ্দেশে প্রসিকিউটর সারাহ জোনস কেসি বলেন, ‘মনে হচ্ছে, সাদি জানতে চেয়েছিলেন মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে কেমন লাগে! হয়তো তিনি জানতে চেয়েছিলেন, নারীরা ভয় পেলে দেখতে কেমন লাগে! হয়তো তিনি ভেবেছিলেন, এর মাধ্যমে নিজেকে শক্তিমান বলে মনে হবে। এই কাণ্ড তাঁকে অন্যদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলবে।’
জোনস আরও বলেন, ‘সম্ভবত তিনি মানুষের সুখী–স্বাভাবিক জীবন সহ্য করতে পারেন না। তাই আক্রমণ করার, ক্ষতি করার এবং নির্মমভাবে আঘাত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’
প্রসিকিউটর জানান, মার্চ-এপ্রিলে সাদি ‘সবচেয়ে মারাত্মক ছুরি’, ‘কুঠার’ এবং ‘কোন হোটেলে সিসিটিভি নেই’—এসব নিয়ে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করেছিলেন।
পুলিশ জানায়, বাস্তবে ঘটে যাওয়া অপরাধের ঘটনাগুলো জানতে পছন্দ করেন সাদি। গত বছর ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনউইচের একজন প্রভাষকের কাছে কাউকে হত্যা করলে আত্মরক্ষার আবেদন এবং ডিএনএ প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন সাদি। সে সময় প্রভাষক তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘তুমি কোনো হত্যার পরিকল্পনা করছ নাকি?’ জবাবে অবশ্য নীরব থাকেন সাদি!

কারও জীবন নিতে বা কাউকে মেরে ফেলতে কেমন লাগে—এই প্রশ্ন কখনো মাথায় এসেছে? প্রতিদিনই পৃথিবীতে হাজারো খুন অথবা অপঘাতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কিন্তু কাউকে মেরে ফেলতে কেমন লাগে—এটা দেখার ইচ্ছা জাগ্রত হওয়া তো অস্বাভাবিকই! এমন বিকৃত শখ থেকেই এক নারীকে হত্যা এবং অন্য একজনকে গুরুতর আহত করেছেন এক শিক্ষার্থী। যুক্তরাজ্যে অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থী আবার অপরাধ বিজ্ঞানে পড়াশোনা করছেন!
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিলে যে কাউকে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন ২০ বছর বয়সী নাসেন সাদি। কোথায় কার্যসিদ্ধি সম্ভব এমন জায়গাও খুঁজতে থাকেন। ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্রসৈকতগুলো যাচাই-বাছাই করে বোর্নমাউথকেই উপযুক্ত মনে হয় তাঁর। ২১ মে থেকে দুই রাতের জন্য বোর্নমাউথে একটি হোটেলে ওঠেন সাদি।
এরপর মে মাসের ২৪ তারিখ রাতে বোর্নমাউথের ডারলি চাইন বিচে ৩৪ বছর বয়সী অ্যামি গ্রেকে হত্যা করেন এবং ৩৮ বছর বয়সী লিয়ান মাইলসকে গুরুতর আহত করেন।
ঘটনার সময় ওই দুই নারী বোর্নমাউথের সৈকতে বালুর ওপর বসে ছিলেন। তাঁরা আগুন পোহাচ্ছিলেন আর পূর্ণিমার চাঁদ দেখছিলেন। এ সময় সাদি তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করেন।
স্থানীয় ফুটবল কোচ অ্যামির গায়ে ১০ বার ছুরিকাঘাত করেন সাদি। হৃৎপিণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। অন্যদিকে লিয়ানকে ২০ বার ছুরিকাঘাত করলেও তিনি বেঁচে যান।
এই হত্যাকাণ্ডের পর বোর্নমাউথ ছেড়ে চলে যান সাদি। ২৮ মে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। তাঁর বিছানার পাশের ড্রয়ারে এবং একটি দেয়াল ও ওয়ার্ডরোবের মাঝখানে লুকানো অবস্থায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি খুঁজে পায় পুলিশ।
তাঁর অপরাধের বিপুল প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হত্যার এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেন সাদি। ঘটনার দিন তিনি বোর্নমাউথে ছিলেন বলে স্বীকার করেন। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
সে সময় উইনচেস্টার ক্রাউন কোর্টের বিচারকদের উদ্দেশে প্রসিকিউটর সারাহ জোনস কেসি বলেন, ‘মনে হচ্ছে, সাদি জানতে চেয়েছিলেন মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে কেমন লাগে! হয়তো তিনি জানতে চেয়েছিলেন, নারীরা ভয় পেলে দেখতে কেমন লাগে! হয়তো তিনি ভেবেছিলেন, এর মাধ্যমে নিজেকে শক্তিমান বলে মনে হবে। এই কাণ্ড তাঁকে অন্যদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলবে।’
জোনস আরও বলেন, ‘সম্ভবত তিনি মানুষের সুখী–স্বাভাবিক জীবন সহ্য করতে পারেন না। তাই আক্রমণ করার, ক্ষতি করার এবং নির্মমভাবে আঘাত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’
প্রসিকিউটর জানান, মার্চ-এপ্রিলে সাদি ‘সবচেয়ে মারাত্মক ছুরি’, ‘কুঠার’ এবং ‘কোন হোটেলে সিসিটিভি নেই’—এসব নিয়ে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করেছিলেন।
পুলিশ জানায়, বাস্তবে ঘটে যাওয়া অপরাধের ঘটনাগুলো জানতে পছন্দ করেন সাদি। গত বছর ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনউইচের একজন প্রভাষকের কাছে কাউকে হত্যা করলে আত্মরক্ষার আবেদন এবং ডিএনএ প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন সাদি। সে সময় প্রভাষক তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘তুমি কোনো হত্যার পরিকল্পনা করছ নাকি?’ জবাবে অবশ্য নীরব থাকেন সাদি!

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে