আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তন এনেছে ইতালি। এর মাধ্যমে ইতালীয় বংশোদ্ভূতদের নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে।
বুধবার রাতে বিবিসি জানিয়েছে, অতীতে ‘জুস সাংগুইনিস’ বা রক্তসূত্র নীতির অধীনে খুব সহজেই নাগরিকত্ব প্রদান করা হতো। এর মাধ্যমে মূলত ১৮৬১ সালের ১৭ মার্চের পরে বেঁচে থাকা কোনো ইতালীয় পূর্বপুরুষের উত্তরসূরি হলেই যে কেউ ইতালির নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হতেন। কারণ ওই তারিখেই ইতালির রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
তবে ২০ মে দেশটির সংসদে পাস হওয়া সংশোধিত আইনের অধীনে এখন থেকে নাগরিকত্ব পেতে হলে আবেদনকারীর বাবা-মা কিংবা দাদা-দাদির মধ্যে অন্তত একজনকে জন্মসূত্রে ইতালির নাগরিক হতে হবে।
দেশটির সরকার জানিয়েছে—এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো বিদেশে বসবাসকারী ইতালীয়দের সঙ্গে দেশের প্রকৃত সংযোগকে শক্তিশালী করা, পাসপোর্ট ব্যবস্থার অপব্যবহার ও বাণিজ্যিকীকরণ রোধ করা এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জমে থাকা হাজার হাজার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা।
সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সালের শেষ থেকে ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত বিদেশে বসবাসকারী ইতালীয় নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে দেশটির ৬৪ লাখ নাগরিক বিদেশে অবস্থান করছে।
চলতি বছরের মার্চের শেষে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার যখন নতুন আইনটি প্রস্তাব করে, তখন নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য ৬০ হাজারের বেশি আবেদনের আইনি প্রক্রিয়া বিচারাধীন ছিল।
তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল—এই পরিবর্তনের ফলে জনবলকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করে কনস্যুলার সেবা দেওয়া সম্ভব হবে শুধুমাত্র তাদের জন্য, যাদের সঙ্গে ইতালির বাস্তব ও দৃঢ় সংযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি বলেছিলেন, ‘রক্তসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার মূলনীতি বিলুপ্ত হচ্ছে না, তবে নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হবে যেন অপব্যবহার বা পাসপোর্টের বাণিজ্যিকীকরণ না হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকত্ব একটা ভারী বিষয় হওয়া উচিত।’

নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তন এনেছে ইতালি। এর মাধ্যমে ইতালীয় বংশোদ্ভূতদের নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে।
বুধবার রাতে বিবিসি জানিয়েছে, অতীতে ‘জুস সাংগুইনিস’ বা রক্তসূত্র নীতির অধীনে খুব সহজেই নাগরিকত্ব প্রদান করা হতো। এর মাধ্যমে মূলত ১৮৬১ সালের ১৭ মার্চের পরে বেঁচে থাকা কোনো ইতালীয় পূর্বপুরুষের উত্তরসূরি হলেই যে কেউ ইতালির নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হতেন। কারণ ওই তারিখেই ইতালির রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
তবে ২০ মে দেশটির সংসদে পাস হওয়া সংশোধিত আইনের অধীনে এখন থেকে নাগরিকত্ব পেতে হলে আবেদনকারীর বাবা-মা কিংবা দাদা-দাদির মধ্যে অন্তত একজনকে জন্মসূত্রে ইতালির নাগরিক হতে হবে।
দেশটির সরকার জানিয়েছে—এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো বিদেশে বসবাসকারী ইতালীয়দের সঙ্গে দেশের প্রকৃত সংযোগকে শক্তিশালী করা, পাসপোর্ট ব্যবস্থার অপব্যবহার ও বাণিজ্যিকীকরণ রোধ করা এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জমে থাকা হাজার হাজার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা।
সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সালের শেষ থেকে ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত বিদেশে বসবাসকারী ইতালীয় নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে দেশটির ৬৪ লাখ নাগরিক বিদেশে অবস্থান করছে।
চলতি বছরের মার্চের শেষে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার যখন নতুন আইনটি প্রস্তাব করে, তখন নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য ৬০ হাজারের বেশি আবেদনের আইনি প্রক্রিয়া বিচারাধীন ছিল।
তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল—এই পরিবর্তনের ফলে জনবলকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করে কনস্যুলার সেবা দেওয়া সম্ভব হবে শুধুমাত্র তাদের জন্য, যাদের সঙ্গে ইতালির বাস্তব ও দৃঢ় সংযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি বলেছিলেন, ‘রক্তসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার মূলনীতি বিলুপ্ত হচ্ছে না, তবে নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হবে যেন অপব্যবহার বা পাসপোর্টের বাণিজ্যিকীকরণ না হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকত্ব একটা ভারী বিষয় হওয়া উচিত।’

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৫ ঘণ্টা আগে