আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সিরিয়ার ওপর থেকে সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির আর্থিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতেই আজ মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি প্রধান কায়া ক্যালাস আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের এক বৈঠক শেষে বলেন, ‘আমরা সিরিয়ান জনগণকে সহায়তা করতে চাই যাতে তারা একটি নতুন, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ সিরিয়া গড়ে তুলতে পারে। গত ১৪ বছর ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময় তাদের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’
এই সিদ্ধান্তটি এসেছে এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়ে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। সে সময় সৌদি আরবের রিয়াদে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি সিরিয়াকে নতুন এক সম্ভাবনার সুযোগ দিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছি।’
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিরিয়ার জ্বালানি খাতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল। তবে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা বহালই ছিল। এসব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সিরিয়ার পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছিল।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে এক সাক্ষাতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছিলেন, ‘এগুলো রাখার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবিও ছিল একই রকম। তারা বলেছিল আসাদ আমলে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করছে এবং মানবিক সহায়তা ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সর্বসম্মতিক্রমে ভোট দিয়ে সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই সিদ্ধান্তের জন্য কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অস্ত্র, রাসায়নিক দ্রব্য, নির্যাতনমূলক কাজে ব্যবহৃত উপকরণ, নজরদারির সফটওয়্যার এবং আসাদের শাসনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
২০১১ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়াকে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা দিয়েছে, যা দেশটির সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক দাতা হিসেবে ইইউ’র অবস্থানকে নিশ্চিত করেছে।

সিরিয়ার ওপর থেকে সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির আর্থিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতেই আজ মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি প্রধান কায়া ক্যালাস আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের এক বৈঠক শেষে বলেন, ‘আমরা সিরিয়ান জনগণকে সহায়তা করতে চাই যাতে তারা একটি নতুন, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ সিরিয়া গড়ে তুলতে পারে। গত ১৪ বছর ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময় তাদের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’
এই সিদ্ধান্তটি এসেছে এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়ে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। সে সময় সৌদি আরবের রিয়াদে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি সিরিয়াকে নতুন এক সম্ভাবনার সুযোগ দিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছি।’
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিরিয়ার জ্বালানি খাতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল। তবে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা বহালই ছিল। এসব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সিরিয়ার পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছিল।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে এক সাক্ষাতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছিলেন, ‘এগুলো রাখার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবিও ছিল একই রকম। তারা বলেছিল আসাদ আমলে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করছে এবং মানবিক সহায়তা ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সর্বসম্মতিক্রমে ভোট দিয়ে সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই সিদ্ধান্তের জন্য কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অস্ত্র, রাসায়নিক দ্রব্য, নির্যাতনমূলক কাজে ব্যবহৃত উপকরণ, নজরদারির সফটওয়্যার এবং আসাদের শাসনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
২০১১ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়াকে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা দিয়েছে, যা দেশটির সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক দাতা হিসেবে ইইউ’র অবস্থানকে নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৯ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে