
ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর খেরসন থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী বিষয়টি জানিয়েছে। গতকাল বুধবার দেওয়া ঘোষণা অনুসারে এই প্রত্যাহার শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের আঞ্চলিক রাজধানী খেরসনের বিষয়টি নিশ্চিত করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, রুশ সৈন্যরা এরই মধ্যে দিনিপ্রো নদীর ডান তীর থেকে সরে আসতে শুরু করেছে। এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘রাশিয়ার সেনা ইউনিটগুলো পূর্বে অনুমোদিত পরিকল্পনা কঠোরভাবে অনুসরণ করে দিনিপ্রো নদীর বাম তীরে নিজেদের অবস্থান গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরে আসছে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর খেরসন থেকে রুশ সৈন্যদের পিছু হটতে নির্দেশ দেওয়া হয়। রাশিয়ার দখল করা ইউক্রেনের আঞ্চলিক রাজধানীগুলোর মধ্যে এটি একটি। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু স্থানীয় সময় বুধবার খেরসন থেকে রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বৈঠকে সের্গেই শোইগু জেনারেল সের্গেই সুরোভিকিনের সঙ্গে বৈঠকে এই নির্দেশ দেন। সুরোভিকিনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, ‘সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করুন।’
তবে রাশিয়ার ঘোষণা ভুয়া বলে আখ্যা দিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পদোলিয়াক বলেছিলেন তিনি রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ দেখছেন না। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে লিখেছেন, ‘আমরা কোনো লক্ষণ দেখছি না যে—রাশিয়া যুদ্ধ ছাড়াই খেরসন ছেড়ে চলে যাচ্ছে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘রাশিয়া ঘোষণাটি একটি চক্রান্ত হতে পারে।’ পদোলিয়াক রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর আদেশকে ‘একটি মঞ্চায়িত নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন।

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর খেরসন থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী বিষয়টি জানিয়েছে। গতকাল বুধবার দেওয়া ঘোষণা অনুসারে এই প্রত্যাহার শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের আঞ্চলিক রাজধানী খেরসনের বিষয়টি নিশ্চিত করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, রুশ সৈন্যরা এরই মধ্যে দিনিপ্রো নদীর ডান তীর থেকে সরে আসতে শুরু করেছে। এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘রাশিয়ার সেনা ইউনিটগুলো পূর্বে অনুমোদিত পরিকল্পনা কঠোরভাবে অনুসরণ করে দিনিপ্রো নদীর বাম তীরে নিজেদের অবস্থান গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরে আসছে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর খেরসন থেকে রুশ সৈন্যদের পিছু হটতে নির্দেশ দেওয়া হয়। রাশিয়ার দখল করা ইউক্রেনের আঞ্চলিক রাজধানীগুলোর মধ্যে এটি একটি। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু স্থানীয় সময় বুধবার খেরসন থেকে রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বৈঠকে সের্গেই শোইগু জেনারেল সের্গেই সুরোভিকিনের সঙ্গে বৈঠকে এই নির্দেশ দেন। সুরোভিকিনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, ‘সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করুন।’
তবে রাশিয়ার ঘোষণা ভুয়া বলে আখ্যা দিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পদোলিয়াক বলেছিলেন তিনি রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ দেখছেন না। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে লিখেছেন, ‘আমরা কোনো লক্ষণ দেখছি না যে—রাশিয়া যুদ্ধ ছাড়াই খেরসন ছেড়ে চলে যাচ্ছে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘রাশিয়া ঘোষণাটি একটি চক্রান্ত হতে পারে।’ পদোলিয়াক রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর আদেশকে ‘একটি মঞ্চায়িত নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৪২ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে